ভূয়া এতিমের তালিকায় হাতিয়ে নিচ্ছে লক্ষ লক্ষ টাকা। নকলা উপজেলার জানুকীপুর গ্রামে মোহাম্মদীয়া এতিমখানারয় ১৬ জন এতিমের নামে সরকারী বরাদ্দ থাকলেও বাস্তবে ভিন্ন।

মোঃ আরিফুর রহমান, স্টাফ রিপোর্টার,

শেরপুরের নকলা উপজেলার জানকীপুর মোহাম্মদীয়া এতিমখানায় বাস্তবে এতিম না থাকলেও তাদের নামে সরকারি বরাদ্দ নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। প্রতি ছয় মাসে প্রতিষ্ঠানটির নামে বরাদ্দ দেওয়া হচ্ছে ১ লাখ ৯২ হাজার টাকা। সংশ্লিষ্টদের দেওয়া তালিকায় ১৬ জন এতিম ও সুবিধাবঞ্চিত শিশুর নাম থাকলেও অনুসন্ধানে তালিকাভুক্ত চার শিশুর বাবা-মা জীবিত থাকার তথ্য পাওয়া গেছে। তাদের কেউ কেউ আবার প্রতি মাসে ৩০০ টাকা বেতন দিয়ে মাদ্রাসায় পড়াশোনা করছে।
১০ আগষ্ট সোমবার সরজমিনে এসব তথ্য পাওয়া যায়।

এতিমখানা পরিচালনা কমিটির দেওয়া তালিকা অনুযায়ী চার শিশুর বিষয়ে পৃথকভাবে তথ্য সংগ্রহ করা হয়। অনুসন্ধানে তাদের বাবা-মা জীবিত রয়েছেন বলে জানা গেছে। একই সঙ্গে তারা নিয়মিত শিক্ষার্থী এবং মাসিক ৩০০ টাকা বেতন দিয়ে পড়াশোনা করছে বলেও সংশ্লিষ্টদের কাছ থেকে তথ্য পাওয়া যায়।

এ বিষয়ে জানকীপুর মোহাম্মদীয়া এতিমখানা কমিটির সভাপতি শামীম ফরাজির সঙ্গে ফোনে কথা হলে তিনি বলেন, ‘কাগজপত্র দেখিয়েই এতিমদের বরাদ্দ আসছে। বাস্তবে না থাকলে কী আর করার?’

এতিমখানার অফিস সহকারী শাহ মোঃ উমর ফারুকের কাছে এতিমদের রেজিস্ট্রার, খরচের বিল-ভাউচার, বরাদ্দের তালিকা ও রেজুলেশন খাতা দেখতে চাওয়া হয়। এ সময় তিনি চাবি সঙ্গে নেই জানিয়ে কাগজপত্র দেখাতে পারবেন না বলে জানান।
স্থানীয়দের অভিযোগের ভিত্তিতে এতিমখানায় সংবাদকর্মীরা তথ্য সংগ্রহের জন্য গেলে স্থানীয়রা তাদের জবানবন্দিতে ক্যাশিয়ারের মাধ্যমে এসব লুটপাট হচ্ছে বলে তারা ব্ক্তব্য দেন। মাদ্রাসার প্রধান মুহতামিমের কাছে মাদ্রাসা সম্পর্কে জানতে চাইলে তিনি বলেন, আমি কিছু�

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *