খুলনা বটিয়াঘাটায় অবৈধভাবে জোরপূর্বক ফসল কেটে নেওয়ার চেষ্টায় আশরাফ আলী হালদারের বিরুদ্ধে থানায় অভিযোগ
বটিয়াঘাটা প্রতিনিধি:
খুলনার বটিয়াঘাটা উপজেলার ৩ নং গঙ্গারামপুর ইউনিয়নের কাতিয়ানাংলা গ্রামে কাতিয়ানাংলা মৌজ (বাদেমারী মৌজা) নামে পরিচিত ‘বেদের খালের’ সাথে লাগোয়া জমি নিয়ে মোমরেজ হালদারের পুত্র আশরাফ হালদার সাথে দীর্ঘদিন ধরে মিথ্যা অহেতুক ভাবে দাবি করে কয়েকটি হিন্দু সম্প্রদায়ের একাধিক পরিবারের উপর স্টীম রুলার চালিয়ে আসছে। আশরাফ আলী হালদার এর অত্যাচারে অতিষ্ঠ হিন্দু ভুক্তভোগীদের মধ্যে কাতিয়ানাংলা গ্রামের বাসিন্দা বিধান মন্ডল গত ২২ এপ্রিল আশরাফ আলী হালদারের বিরুদ্ধে বটিয়াঘাটা থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন। অভিযোগে তিনি উল্লেখ করেন, দীর্ঘদিন ধরে বিবাদীদের সঙ্গে তাদের জমি নিয়ে বিরোধ চলে আসছে এবং এ বিষয়ে আদালতের নিষেধাজ্ঞাও (স্ট্যাটাস কো) বিদ্যমান রয়েছে।
তিনি আরও জানান, গত ২২ এপ্রিল বিকাল আনুমানিক ৪ টার দিকে আশরাফ আলি হালদার, মোমরেজ হালদার ও বেলায়েত শেখ সহ কয়েকজন তার তরমুজ ক্ষেতে এসে তাকে অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করে এবং হুমকি দেয়। তারা জোরপূর্বক তার জমির তরমুজ কেটে নিয়ে যাওয়ার হুমকি দেয় এবং বাধা দিলে প্রাণ নাশের ভয় দেখায়। এর আগেও একবার তার জমি দাবি করে আমার জমির ধান জোরপূর্বক কেটে নেয়। ভুক্তভোগী কৃষক দাবি করেন, প্রায় দেড় একর জমিতে তরমুজ চাষ করে তিনি প্রায় চার লক্ষ টাকার ফসল উৎপাদন করেছেন, যা বর্তমানে বিক্রির উপযোগী। এই ফসলই তার পরিবারের একমাত্র আয়ের উৎস। কিন্তু প্রতিপক্ষের হুমকিতে তিনি চরম আতঙ্কে দিন কাটাচ্ছেন।
বিধান মন্ডল আরও বলেন, “আমি ঋণ করে তরমুজ চাষ করেছি। এখন যদি ফসল নষ্ট হয়ে যায় বা তারা কেটে নিয়ে যায়, তাহলে আমি নিঃস্ব হয়ে যাব।”
এ বিষয়ে তিনি প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করে বিবাদীদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন।এছাড়া এলাকাবাসীদের কাছ থেকে জানা যায়,ঐ জমি দীর্ঘ দিন ধরে ভোগ দখল করে আসছে।আশরাফ হালদার মাঝে মাঝে বিধান মন্ডলের সাথে জামেলা করে।এ বিষয় বিবাদী আশরাফ আলী হালদারের সাথে যোগাযোগ করার চেষ্টা করলে তাকে মোবাইল করে পাওয়া যায় না।
এদিকে বটিয়াঘাটা থানার পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, অভিযোগটি গ্রহণ করা হয়েছে এবং বিষয়টি তদন্ত করে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

