তারাকান্দায় মামলা না নেওয়ার অভিযোগ যুবদল নেতার
মোঃ হেলাল উদ্দিন সরকার। স্টাফ রিপোর্টার।
ময়মনসিংহ জেলার তারাকান্দা উপজেলায় পহেলা বৈশাখ উদযাপনকে কেন্দ্র করে ওইদিন মাননীয় জাতীয় সংসদ সদস্য ও তার সমর্থিত বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের নেতাকর্মীদের সঙ্গে বিএনপির পরাজিত প্রার্থী উত্তর জেলা বিএনপির যুগ্ম-আহ্বায়ক মোতাহার হোসেন তালুকদার ও তার নেতাকর্মীদের ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া ও সংঘর্ষ হয়। এ ঘটনায় রাজনীতির মাঠ এখন সরগরম। মোতাহার গ্রুপের নেতাকর্মীদের হামলায় গুরুতর আহত উত্তর জেলা ছাত্রদলের সাবেক সহ-সভাপতি ও যুবদল নেতা কামরুজ্জামান সরকার রিয়াদের অভিযোগ, ঘটনার সাত দিন পার হলেও মামলা নিচ্ছে না তারাকান্দা পুলিশ। এতে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন তিনি। অপরদিকে স্বেচ্ছাসেবক দল নেতা মামুন মন্ডল সোমবার তারাকান্দা থানায় প্রতিপক্ষের বিরুদ্ধে অভিযোগ দায়ের করেছেন।
রিয়াদ অভিযোগ করেন, পহেলা বৈশাখ উদযাপনের অনুষ্ঠানে তারাকান্দায় সংসদ সদস্য মুফতি মুহাম্মদ উল্লাহ প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত হলে উত্তর জেলা বিএনপির যুগ্ম-আহ্বায়ক মোতাহার হোসেন তালুকদার ও তার লোকজনের সঙ্গে বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের নেতাকর্মীদের ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া হয়। এ সময় তিনি কলেজ গেটের সামনে বসে এমপির লোকজনের প্রতি অহেতুক হামলার প্রতিবাদ করেন। কিন্তু বিএনপির লোকজন তাকেও ধারালো অস্ত্র দিয়ে মাথার দুপাশে আঘাত করে। স্থানীয় লোকজন তাকে রক্তাক্ত অবস্থায় ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করে। তিনদিন হাসপাতালে চিকিৎসা নেওয়ার পর ১৭ এপ্রিল বাড়ি ফিরে তারাকান্দা থানায় অভিযোগ দায়ের করেন। কিন্তু অভিযোগটি এখনো রুজু (গ্রহণ) করেনি তারাকান্দা পুলিশ। রিয়াদ বলেন, দলের অভ্যন্তরীণ কোন্দলের জেরেই তার ওপর হামলা হয়েছে।
এদিকে উপজেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক আসাদুল হক মন্ডল জানান, সংসদ নির্বাচনে তারা ধানের শীষের বিপক্ষে কাজ করেছে। সেদিন ১১ দলীয় জোটের পক্ষ হয়ে আমাদের লোকজনের ওপর হামলা চালায়। এতে আমাদের ৫ জন আহত হয়েছেন। এ ঘটনায় স্বেচ্ছাসেবক দলনেতা মামুন মন্ডল সোমবার তারাকান্দা থানায় অভিযোগ দায়ের করেছেন। তারাকান্দা থানার ওসি তানভীর আহমেদ জানান, দুই পক্ষের অভিযোগ পেয়েছি। বিষয়টি রাজনৈতিক এবং তদন্তাধীন। তদন্ত শেষে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

