আওয়ামীলীগের একনিষ্ঠ দোসর বিএনপির ওয়ার্ড কমিটির নির্বাচনে অংশগ্রহণে জনমনে আলোচনা সমালোচনা
সেখ রাসেল, ব্যুরো চিফ, খুলনা:
গত ৫ আগষ্ট/২০২৪ খুনি হাসিনার পতনের পর তার ফ্যাসিস্ট দোসররা বিএনপির পতাকা তলে ধিরে ধিরে আশ্রয় নিচ্ছে। তারই প্রমাণ খুলনাতে পাওয়া গেছে। বটিয়াঘাটা উপেজেলার ৪ নং সুরখালী ইউনিয়নের ৭ নং সুখাদাড়া ওয়ার্ডের বিএনপির দলীয় নির্বাচনে প্রতিনিধি নিয়োগের ক্ষেত্রে দেখা যায়, আওয়ামী দোসর সুজিত শীল, পিতা-মৃত রাধাকান্ত শীল নৌকার পোষ্টার লাগিয়ে ভি প্রতিকের মাধ্যমে নৌকা প্রতিকের বিজয়ের নিশানা নিশ্চিত করেন। এমনকি নৌকার ভোট ক্যাম্পিং এ তাকে একাধিকবার দেখা যায়। দূর্ভাগ্য জনক হলেও সত্য ইউনিয়ন বিএনপির নেতারা এই ব্যক্তির নাম ওয়ার্ড ভোটার তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করেন। এমনকি ওয়ার্ডের সাধারণ সম্পাদকের মনোয়ন ফরম বিক্রী করেন। যে কারণে এলাকায় বিএনপির ভাবমূর্তী নিয়ে প্রশ্ন দেখা দিয়েছে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক অনেকের প্রশ্ন জেগেছে কিসের বিনিময়ে আওয়ামী দোসরকে বিএনপির ভোটার তালিকায় অন্তর্ভূক্ত হয়েছে। বর্তমানে সে ওয়ার্ডে দাপটের সাথে ভোটের ক্যাম্পিং চালাচ্ছে। এবং আগামী ২৩ জুন/২৫ তারিখে ভোট গ্রহণের দিন ধার্য্য আছে। এইসব ব্যক্তিরা যদি বিএনপির নির্ভরযোগ্য পদে পদান্নিত হয় তাহলে নিঃসন্দেহে ভবিষ্যতে আ‘ লীগের পরিণত ভোগ করতে হতে পারে। বিএনপির কর্মীদের মধ্যে অনেকেই সুজিত শীল এর প্রার্থীতা বাতিলের দাবি জানিয়েছেন। বিএনপি কর্মীদের মধ্যে কেউ কেউ বলছেন আওয়ামীলীগের লাগতো না ভোটার। তা স্বত্বেও ছড়িয়ে ছিটিয়ে যে সমর্থিত ছিলো তাদের ভোট ব্যাংক বিএনপির ব্যাংকে যোগ করার স্বার্থেই এমন কাজ করেছেন বিএনপির নেতা কর্মীরা। সুজিত শীল বিএনপির মনোয়ন পেলেও পাশেই তার সাবেক ইউপি সদস্য আবু বক্কর শেখ নুতন করে বিএনপির কর্মী কেন হতে পারলেন না ?
এ ব্যাপারে ৪ নং সুরখালী ইউনিয়নের সাধারণ সম্পাদক শেখ এনামুল এর সাথে ০১৭১২ ৪৫০৬২৩ নং নম্বরে যোগাযোগ করলে তিনি বলেন, তিনিও জানেন সুজিত শীল আওয়ামী ফ্যাসিস্ট এর একনিষ্ঠ কর্মী ছিলো। যেহেতু নমিনেশনে আমার স্বাক্ষর আছে সেহেতু আমি দায়ী হলেও নমিনেশন দিয়েছেন ইউনিয়ন আহবায়ক।
এ ব্যাপারে ৪ নং সুরখালী ইউনিয়নের আহবায়ক মোঃ রাশেদ কামাল এর সাথে ০১৭১৫ ০৯০৬৭৭ নং নম্বরে যোগাযোগ করলে তিনি বলেন, সে হিন্দু মানুষ তায় রাজনীতিতে চক্রান্ত চলছে এবং আরও বলেন আওয়ামী ফ্যাসিস্ট কে নয় ?

