জ্বালানির দাম বাড়ানো ‘মরার ওপর খাঁড়ার ঘা’: শফিকুর রহমান
ডেস্ক সংবাদ:
দেশে ভোক্তাপর্যায়ে জ্বালানি তেলের বিক্রয়মূল্য পুনর্নির্ধারণ করেছে সরকার। তাতে দেখা গেছে, জ্বালানি তেলের দাম লিটারপ্রতি ১৫-২০ টাকা পর্যন্ত বেড়েছে। এই মূল্য নির্ধারণ বিশ্ববাজারের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে করা হয়েছে বলে জানিয়েছে বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয়।
জ্বালানির দাম বৃদ্ধির ঘোষণার পরপরই জামায়াতের আমির ও বিরোধী দলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমান ফেসবুক স্ট্যাটাসে বলেছেন, বিশ্ববাজারে যখন জ্বালানি তেলের দাম কমে আসছে, তখন বাংলাদেশে দর সমন্বয়ের নামে আগামীকাল (রোববার, ১৯ এপ্রিল) থেকে জ্বালানি তেলের দাম বাড়ানোর ঘোষণা দেওয়া হয়েছে। এটি খুবই দুঃখজনক।
তার মতে, জনজীবনে এমনিতেই মানুষ জীবনযাত্রার ব্যয় নির্বাহে হাঁসফাঁস করছে। জ্বালানি তেলের মূল্য বৃদ্ধির কারণে এটি হবে মরার ওপর খাঁড়ার ঘা।
এর আগে সরকার সব ধরনের জ্বালানি তেলের নতুন মূল্য নির্ধারণ করে, যা শনিবার রাত ১২টার পর থেকে কার্যকর হয়।
নতুন দর অনুযায়ী, প্রতি লিটার ডিজেলের দাম ১১৫ টাকা, অকটেন ১৪০ টাকা, পেট্রল ১৩৫ টাকা এবং কেরোসিন ১৩০ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।
গত ১ ফেব্রুয়ারির নির্ধারিত দামের তুলনায় এবার সব ধরনের জ্বালানি তেলের দাম ১০ শতাংশের বেশি বাড়ানো হয়েছে। লিটারপ্রতি ডিজেলের দাম বেড়েছে ১৫ টাকা, অকটেন ২০ টাকা, পেট্রল ১৯ টাকা ও কেরোসিন ১৮ টাকা।
বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয়ের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, বিশ্ববাজারে জ্বালানি তেলের মূল্য বৃদ্ধির সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে দেশে ভোক্তা পর্যায়ে নতুন বিক্রয়মূল্য নির্ধারণ করা হয়েছে।
গত কয়েক মাস ধরে জ্বালানি তেলের দাম তুলনামূলক স্থিতিশীল ছিল। আন্তর্জাতিক বাজারের সঙ্গে সামঞ্জস্য রাখতে এর আগে এক থেকে দুই টাকার মধ্যে সীমিত পরিসরে সমন্বয় করা হলেও এবার তুলনামূলক বড় ধরনের বৃদ্ধি করা হয়েছে।

