খুলনার বটিয়াঘাটা উপজেলা পরিষদের পুকুরের উত্তর পাশের পাড় পাকা ফাইলিং এর কাজ ঝুকিপূর্ণ ধীরগতি ও পুকুরের পূর্ব পাশে ভয়ংকর বন জঙ্গল এবং পুকুরের ঝুকিপূর্ণ ঘাট।
সেখ রাসেল, ব্যুরো চিফ, খুলনা।
খুলনা বটিয়াঘাটা উপজেলা পরিষদের ভিতরে পুকুরটির উত্তর পাশে পাকা ফাইলিং এর কাজটি খুবই ধীরগ্রতি এবং বেশ কয়েকটি রোড বেরিয়ে রয়েছে। শিশু কিশোর বয়স্ক সকলে প্রাকটিস ও খেলাধুলা শেষে উপজেলা মাঠের দক্ষিণ পাশে পকুরটি হওয়ায় সেখানে এসে লাফিয়ে পড়ে। বর্ষা মৌসুমে বর্ষার পানিতে পুকুরে পানি বৃদ্ধি হওয়ার কারণে রডগুলো দেখা যায় না। ফলে ঘটতে পারে অনাকাঙ্খিত দুর ঘটনা। এনিয়ে মাঠে খেলতে আসা খেলোয়াড়রা খুবই দুঃখ প্রকাশ করেন।
পুকুরের পূর্ব পাশে কিশোলয় প্রাথমিক বিদ্যালয় ও অফিসার্স ক্লাব কিন্তু পূর্ব পাশের পাড়ে খুবই বন জঙ্গল। পুকুরের গোসল করতে এসে প্রায়ই দেখা মেলে বিভিন্ন প্রজাতির সাপের। যে কোন সময় সাপের আক্রমনে হারাতে পারে কোমলমতি শিশুদের প্রাণ।
পুকুরের পূর্ব পাশে একটি ঘাট আছে, ঘাটটি ব্যবহারের অনুপযোগী হয়ে পড়েছে, পুকুরের ঘাটটি ঠিক না করলে যে কনো সময় পড়ে গিয়ে ঘটতে পারে যে কোন দূর্ঘটনা। অত্র এলাকার অধিকাংশ লোকজন ঐ ঘাটটি ব্যবহার করে গোসল করে থাকে। তাছাড়া শুকনা মৌসুমে টিউবওয়েল থেকে পানি না উঠায় উপজেলা পুকুর ব্যবহার করতে হয়ে।
পুকুরের চারি পাশে অনেক ময়লা আবর্জনা দেখা যায়। কখনও পরিষ্কার করতে দেখা যায় না। উপজেলা অডিটরিয়ামটি পুকুরের পূর্ব পাশে হওয়ায় সচেতনাতার অভাবে ময়লা গুলো পুকুরে ফেলে চলে যায়। ময়লা ফেলবার নির্দিষ্ট জায়গা না থাকা এবং কাউকে ময়লা ফেলতে নিষেধ করা হয় না।
কিছুুদিন পূর্বেও ডেঙ্গু ও স্বাস্থ্য সচেতনতায় বটিয়াঘাটা উপজেলায় উপস্থিত ছিলেন খুলনা বিভাগীয় কমিশনার ফিরোজ সরকার। সাধারণত দেখা যায়, উপর মহলের কোন অফিসার আসলে আশে পাশের পরিবেশ সুন্দর করা হয়। তেমনটিও চোখে পড়েনি এবার। তাছাড়া বিষয়টি নিয়ে এলাকার জনসাধারণ ও মাঠে খেলতে আসা খেলোয়াড়রা উপজেলা প্রশাসনের দৃষ্টি আকর্ষন করেছে, যাতে দ্রুততার সাথে ব্যবস্থা গ্রহণ করে ফাইলিং এর কাজটি দ্রুত সম্পন্ন, পুকুরের পূর্ব পাশের ঘাটটি সংস্কার ও পুকুরের চার পাশ এবং পুকুরের ময়লা আবর্জনা পরিষ্কার করে তা আশাবাদী।

