যশোর ডিবি কর্তৃক মাদকবিরোধী বিশেষ অভিযানে ৪৫ কেজি গাঁজা সহ ০২(দুই) জন মাদক কারবারি গ্রেফতার।

মশিউর রহমান ঃ
যশোর জেলার সন্মানিত পুলিশ সুপার মহোদয়ের নিদের্শক্রমে জনাব আবুল বাশার, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার, ক্রাইম এন্ড অপস, যশোরের নেতৃত্বে জেলা গোয়েন্দা শাখা (ডিবি), যশোর এসআই(নিঃ)/অলক কুমার দে পিপিএম, এসআই(নিঃ)/ শিবু মন্ডল, এএসআই(নিঃ)/৭৫০ মোঃ শামসুজ্জামান, এএসআই(নিঃ)/৭৫৭ মোঃ বদরুল হুদা সঙ্গীয় ফোর্সের সমন্বয় একটি চৌকস টিম ইং ২২/১২/২০২৫ তারিখ রাত আনুমানিক ০২:১৫ ঘটিকায় কোতোয়ালি থানাধীন চাঁচড়া বাসস্ট্যান্ড এলাকায় অবস্থান কালে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে জানতে পারেন যে, কতিপয় মাদক ব্যবসায়ী রংপুর জেলার কাউনিয়া থানা এলাকা হতে একটি পিকআপ গাড়িযোগে বাসা পরিবর্তনের ন্যায় ফার্নিচার সাজিয়ে, ফার্নিচারের মধ্যে মাদকদ্রব্য গাঁজা নিয়ে রংপুর হতে ঝিনাইদহ জেলার উপর দিয়ে যশোরের দিকে আসতেছে। পরবর্তীতে রাত ০২:৫৫ ঘটিকার সময় যশোর জেলার কোতয়ালী মডেল থানাধীণ খয়েরতলা সাকিনস্থ ট্রাস্ট ফিলিং স্টেশনের সামনে পিচের রাস্তার উপর চেকপোষ্ট করাকালে টার্গেট গাড়িটিকে দেখতে পায়। গাড়ির ড্রাইভার জাহিদ হোসেন এবং হেলপার পারভেজ ইসলাম জিজ্ঞেসাবাদ করলে জানায় যে, তার মালিক রাসেল হোসেন “ট্রাক লাগবে” এ্যাপসের মাধ্যমে ট্রিপ ফাইনাল এবং ড্রাইভার হিসেবে নির্ধারন করে। আসামী মোঃ ফরিদুল ইসলাম এবং মোঃ দুলাল হোসেনকে জিজ্ঞাসাবাদের একপর্যায়ে ধৃত আসামী মোঃ ফরিদুল ইসলাম জানান যে, পিকআপে থাকা সেমিবক্স খাট দুটির সামনের অংশের পিছনে অভিনব কৌশলে পারটেক্সের হার্ডবোর্ডের মধ্যে মাদকদ্রব্য গাঁজা রাখা আছে। পিকআপ ভ্যান তল্লাশি করে ফার্নিচারের ভেতরে অভিনব কৌশলে লুকানো ৪৫ (পঁয়তাল্লিশ) কেজি মাদকদ্রব্য গাঁজা উদ্ধার করা হয়। উদ্ধারকৃত মাদকদ্রব্যের আনুমানিক বাজারমূল্য প্রায় ১৮,০০,০০০/- (আঠারো লক্ষ) টাকা।

ধৃত ও পলাতক আসামিদের বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০১৮ অনুযায়ী আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ প্রক্রিয়াধীন।

আসামীদের নাম ও ঠিকানাঃ
১। নামঃ- মোঃ ফরিদুল ইসলাম(২৫)
পিতা-আঃ হাই মন্ডল @ বাবু মন্ডল
মাতা-মৃত ফরিদা বেগম।

২। দুলাল হোসেন(২০)
পিতা-আমিনুর রহমান
মাতা-মৃত ফালানী বেগম
উভয়সাং-গুছিডাঙ্গা আড়িয়ারকুঠি, থানা-ভুরুঙ্গামারী, জেলা-কুড়িগ্রাম।

উদ্ধারঃ
১। ৪৫ (পঁয়তাল্লিশ) কেজি মাদকদ্রব্য গাঁজা উদ্ধার করা হয়। উদ্ধারকৃত মাদকদ্রব্যের আনুমানিক বাজারমূল্য প্রায় ১৮,০০,০০০/- (আঠারো লক্ষ) টাকা।
২। একটি পুরাতন ব্যবহৃত ব্লু রংয়ের পিকআপ, যাহার রেজিস্ট্রেশন নং-ঢাকা মেট্রো ন-১২-৪৪৮২, ইঞ্জিন নং-Q230895140D, মুল্য অনুমান ১০ লক্ষ টাকা।
৩। ৫/৬ সাইজের খোলা সেমিবক্স নতুন দুটি খাট, মুল্য অনুমান (২০,০০০*২)=৪০,০০০/- (চল্লিশ হাজার টাকা)।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *