স্বামীর পরকীয়া পরবর্তী বিবাহ স্ত্রী সন্তানদের নির্যাতন বাড়ি থেকে বের করার প্রতিবাদে সন্তান সহ স্ত্রী স্বামীর বিরুদ্ধে সংবাদ সম্মেলন।

মোঃ সুরুজ -ঝিনাইদহ প্রতিনিধি ( ২৫ আগষ্ট সোমবার) বেলা ১২ টার সময় ঝিনাইদহ জেলা প্রেস ইউনিটির কার্যালয়ে ভুক্তভোগী সন্তান সহ স্ত্রী সংবাদ সম্মেলনে লিখিত অভিযোগ পত্র পাঠ করেন। স্ত্রী সোনিয়া সুলতানা (৩৪) পিতা আসলাম গাজী মাতা সাজেদা বেগম গ্রাম আশাশুনী পৌরসভা ৬নং ওয়ার্ড সাতক্ষীরা।

বিগত ২০১১ সালে গার্মেন্টসে কাজের সন্ধানে ঢাকা আশুলিয়া যায়। গার্মেন্টসের কাজ করা অবস্থায় মানিকগঞ্জের মোঃ রতন শিকদার পিতা মৃত এলাহী মাতা খোদেজা এর সাথে পরিচয় হয়।এরপর দুই পরিবারের সম্মতিতে ঐ একই বছরের মার্চ মাসের ১৫ তারিখে সাভার নবীনগর স্হানীয় কাজী অফিসে আমাদের বিবাহ অনুষ্ঠিত হয়। বিবাহের পর থেকে আমাদের সংসার জীবন সুখময় কাটতে থাকে।আমরা দুজনে গার্মেন্টসে চাকরি করি, সেই অর্থ দিয়ে সাভারের তৈয়বপুর গ্রামে ডাকঘর জিরাবো ১৩৪১ সাভার ঢাকা তে স্বামীর নামে সরল বিশ্বাসে জমি ক্রয় করে সেখানে একটি বাসা বাড়ি তৈরি করি ।সংসার জীবনে প্রথমে একটি কন্যা সন্তান জন্ম হয় মরিয়ম যার বর্তমান বয়স ১৩ বছর। এরপর দ্বিতীয় পুত্র সন্তান তানজিল যার বর্তমান বয়স ৯ বছর। তৃতীয় সন্তান মেয়ে জন্মের কয়েক দিন পরে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যায়। আমার এই সোনার সংসারে বরিশালের জান্নাত নামে এক মেয়ের পরকীয়ায় পড়ে আমার স্বামী রতন শিকদার। পরকীয়ার জেরে সংসারে নেমে আসে আমার সন্তান সহ আমার উপর নির্যাতনের ইস্টিম রোলার। পরকীয়ার জেরে জান্নাত নামে সেই মেয়েকে বিবাহ করে। বিবাহের পর জান্নাত কে পাঠিয়ে দেয় জর্ডান নামক দেশে। এবার নির্যাতনের তীব্রতা শুরু হয় আরও যন্ত্রণাদায়ক। শেষ পর্যন্ত আমাদের বিবাহের উপযুক্ত মেয়ে ও ছেলে সহ আমাকে বাড়ি থেকে বের করে দেয়।আমি এখন কোথায় যাবো সারাজীবন কষ্টের অর্জিত অর্থ দিয়ে যে বাড়ি বানিয়েছিলাম স্বামী স্ত্রী দুজন মিলে সেটা থেকেও বঞ্চিত করল আমার স্বামী রতন শিকদার। আমি আমার সেই সোনার সংসার ফিরে পেতে চাই এবং সন্তানদের কল্যাণে তাদের নিয়ে সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন। বর্তমান আমি ঝিনাইদহ শহরে সন্তানদের নিয়ে মামার বাড়িতে অবস্থান করছি।

কন্যা সন্তান মরিয়মের কাছে জিজ্ঞাসা করলে ক্রন্দনরত অবস্থায় বলেন আমাদের পিতার কাছে আমরা কি অপরাধ করেছি আজ পিতা পরকীয়া কারোনে আমাদের জীবন নরগের পরিনিত করেছে, আমরা মা বাবা নিয়ে আগের মতো সুখে শান্তিতে বাঁচতে চাই।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *