সরকারি বেতন-ভাতার দাবি ইমাম-শিক্ষক-সাংবাদিকদের জামায়াতে ইসলামী নারায়ণগঞ্জ-৩ (সোনারগাঁও) আসনের জাতীয় সংসদ সদস্য পদপ্রার্থী প্রিন্সিপাল ড. মো. ইকবাল হোসাইন ভূঁইয়া

সেখ রাসেল, সহকারী দপ্তর সম্পাদক, অনলাইন ডেস্ক:
আজ শনিবার দুপুরে সোনারগাঁয়ে সাদিপুর ইউনিয়নের স্থানীয় একটি রেস্টুরেন্টে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী সোনারগাঁ উপজেলার উত্তরের আয়োজনে উলামায়েকেরাম মসজিদের ইমাম ও শিক্ষকদের প্রীতি সমাবেশে প্রধান অতিথি কেন্দ্রীয় মজলিসে শূরা সদস্য ও এডুকেশন সোসাইটির পরিচালক এবং নারায়ণগঞ্জ-৩ (সোনারগাঁও) আসনের জাতীয় সংসদ সদস্য পদপ্রার্থী প্রিন্সিপাল ড. মো. ইকবাল হোসাইন ভূঁইয়া বলেছেন, ‘কোরআনের সমাজ তৈরি করতে হলে সবার আগে মসজিদের ইমামদের মাদরাসার শিক্ষকদের এবং প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়ার সাংবাদিকদের মিলে মিশে কাজ করতে হবে দেশের জন্য। তাই মসজিদের ইমাম, কওমি মাদরাসার শিক্ষক ও সাংবাদিকদের সরকারি বেতন ভাতা দিতে হবে।’

এমপিওভুক্ত শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোকে জাতীয়করণের বিষয়ে তিনি বলেন, ‘এমপিওভুক্ত শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ও মাদরাসাগুলোকে জাতীয়করণ করা দরকার। এ ব্যাপারে জামায়াতে ইসলামীর শিক্ষা বিভাগ কাজ করছে। অন্তর্বর্তী সরকারের শিক্ষা উপদেষ্টা কথা দিয়েছেন—এ সরকারের আমলেই এমপিওভুক্ত শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোকে জাতীয়করণ করা হবে।’ তিনি আরও বলেন, ‘আমরা ন্যায় বিচার চাই। কিন্তু দুঃখের বিষয় এখনও কারও কারও জমি, বাড়ি দখল হয়। কলকারখানা ফ্যাক্টরি দখল হয়। মানুষ শান্তিতে ঘুমাতে পারে না। কৃষকের গরু ছাগল দিনে দুপুরে নিয়ে জবাই করে খেয়ে ফেলে। আমরা যদি সুন্দর সোনারগাঁ তৈরি করতে চাই তাহলে সকলে মিলে মিশে কাজ করতে হবে।’

বেতন ভাতা নিয়ে ড. মো. ইকবাল হোসাইন ভূঁইয়া বলেন, ‘সোনারগাঁয়ে আরবি বিশ্ববিদ্যালয় ছিল। যার নামে সারা বিশ্বে সোনারগাঁও পরিচিতি পেতো। কিন্তু এখন সোনারগাঁয়ের শিক্ষার কী অবস্থা? সোনারগাঁয়ে ভালো কোনো শিক্ষা প্রতিষ্ঠান নেই। যে দুটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান একটি কলেজ ও একটি উচ্চ বিদ্যালয় জাতীয়করণ করা হয়েছে, তাদের অবস্থাও তেমন ভালো না।’ বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী সোনারগাঁ উপজেলার উত্তরের আমির মাওলানা ইসহাক মিয়ার সভাপতিত্বে বিশেষ অতিথি কেন্দ্রীয় মজলিসে শুরা সদস্য ও নারায়ণগঞ্জ জেলা আমির মমিনুল হক সরকার, জামায়াতে ইসলামী সোনারগাঁও দক্ষিণের সভাপতি মাহবুবর রহমান, জামায়াতে ইসলামী সোনারগাঁ উত্তরের আমির মাওলানা ইসহাক মিয়া উপস্থিত ছিলেন। মমিনুল হক সরকার বলেন, ‘গুম-খুন হত্যা রাহাজানি আগের চেয়ে আরো বেশি বেড়েছে, এর কারণ কি? আল্লাহর আইন যতদিন পর্যন্ত চালু না হবে, ততদিন পর্যন্ত এগুলো বন্ধ হবে না। তাই সকল আলেমসমাজ মিলে একটি ব্যালট বাক্স দিতে হবে। তবেই এদেশে ইসলামী রাষ্ট্র কায়েম করা সম্ভব। এদেশে ইসলামী রাষ্ট্র কায়েম হলে গুম-খুন হত্যা রাহাজানি জমি দখল, সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড আর হবেনা।’

জামায়াতে ইসলামী সোনারগাঁ উত্তরের আমির মাওলানা ইসহাক মিয়া বলেন, ‘১৯৫৭ সালে ইংরেজদের কাছ থেকে মুসলমানরা যে পরাজয় বরণ করেছিল, আমরা সকলে মিলে যদি ঐক্যবদ্ধ হয়ে কাজ করতে পারি তাহলে আবারও আমরা ইসলামি সমাজ কায়েম করতে পারবো।’

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *