হত্যা মামলার অভিযোগের ৬ ঘণ্টার মধ্যে সকল আসামি গ্রেপ্তার,
মোঃ আরিফুর রহমান,
স্টাফ রিপোর্ট
শেরপুরের নকলায় হত্যা মামলার অভিযোগ দায়ের করার ৬ ঘণ্টার মধ্যে সকল আসামিকে গ্রেফতার করতে সক্ষম হয়েছে নকলা থানা পুলিশ।
১৫/৮/২০২৬ ইং তারিখের প্রথমার্ধে মোছা: সাদিয়া আক্তার (২২) স্বামী মোঃ আ:সোবাহান গ্রাম কায়দা বেগুন পট্টি, থানা নকলা জেলা শেরপুর।
আসামী ১ মোঃ হাসু মিয়া ৪৫ পিতা মোহাম্মদ বাকিল মিয়া, ২ মো: কামরুল হাসান ১৯ পিতা মো; হাসু মিয়া, ৩, মোছাঃ কুলসুম ৪০ স্বামী মোঃ হাসু মিয়া গ্রাম কায়দা বেগুন পট্টি, থানা নকলা, জেলা শেরপুর ।
নিজে বাদী হয়ে একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন ।
অভিযোগে বলা হয় আনুমানিক ২ ঘটিকায় আমার ছেলে সিফাত (৪) ১ নং বিবাদী ছেলে আবির (৬) এর সাথে খেলাধুলা করার সময় দুজনের মধ্যে হাতাহাতি হইলে ডাকচিৎকার শোনিয়া আসামিদের বসতবাড়ির উঠানে আমার শাশুড়ি হুজুরা খাতুন ৫৮স্বামী মাইনুদ্দিন ফেরানোর জন্য গেলে ১ নং বিবাদী কাঠের শ্বারক দিয়া আমার শাশুড়ির মাথায় সজোরে আঘাত করলে তাৎক্ষণিকভাবে সে মাটিতে লুটিয়ে পড়ে।
পূর্ববিরোধের জেরে এমন ঘটনা ঘটে বলে স্হানীয়দের মাধ্যমে জানা যার । এ সময় বাদীপক্ষের পরিবারের সদস্যদের ওপর হামলা চালিয়ে কয়েকজনকে আহত করার অভিযোগ ওঠে।
অভিযোগে বলা হয়, ঘটনার একপর্যায়ে আসামিরা লাঠি ও কাঠের স্বারকসহ বিভিন্ন দেশীয় অস্ত্র দিয়ে কয়েকজনকে মারধর করেন। এতে বাদীপক্ষের শাশুড়ি হুজুরা খাতুনসহ কয়েকজন গুরুতর আহত হন। আহতদের চিকিৎসার জন্য প্রথমে নকলা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হয়। পরে অবস্থার অবনতি হলে উন্নত চিকিৎসার জন্য ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়। অভিযোগপত্রে আরও উল্লেখ করা হয়েছে, চিকিৎসাধীন অবস্থায় ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজের কর্তব্যরত চিকিৎসক হুজুরা খাতুনকে মৃত ঘোষণা করা হয়।
এ ঘটনায় ভুক্তভোগী পরিবারের পক্ষ থেকে নকলা থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করা হয়। অভিযোগ পাওয়ার পর নকলা থানা পুলিশ দ্রুত অভিযান পরিচালনা করে। অভিযোগ দায়েরের প্রায় ছয় ঘণ্টার মধ্যেই মামলার সকল আসামিকে গ্রেপ্তার করতে সক্ষম হয় নকলা থানা পুলিশ।
পুলিশের এ দ্রুত পদক্ষেপে স্থানীয় বাসিন্দারা সন্তোষ প্রকাশ করেছেন। তারা ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত এবং আইন অনুযায়ী দোষীদের বিচারের দাবি জানিয়েছেন।
নকলা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা রিপন চন্দ্র গোপ জানিয়েছেন, ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে এবং তদন্তের মাধ্যমে ঘটনার প্রকৃত কারণ ও সংশ্লিষ্টদের ভূমিকা নিশ্চিত করা হবে।

