বটিয়াঘাটায় যুবদল নেতার বাড়িতে গভীর রাতে গুলিবর্ষণের প্রতিবাদে প্রতিবাদে বিএনপি-যুবদলের বিক্ষোভ মিছিল, ঘটনার সুষ্ঠু তদন্তের দাবি
সেখ রাসেল, বিভাগীয় ব্যুরো চিফ, খুলনা।
খুলনার বটিয়াঘাটা উপজেলা যুবদলের সদস্য সচিব বাহাদুর মুন্সীর বাড়িতে গভীর রাতে গুলিবর্ষণের ঘটনার প্রতিবাদে বিক্ষোভ মিছিল অনুষ্ঠিত হয়েছে। ঘটনার পর এলাকায় উত্তেজনা ও আতঙ্কের সৃষ্টি হয়েছে বলে স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে।
রোববার (৯ আগস্ট) বটিয়াঘাটা উপজেলায় আয়োজিত বিক্ষোভ মিছিলে বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীরা অংশ নেন। মিছিল থেকে এ ধরনের সহিংস ঘটনার তীব্র প্রতিবাদ জানানো হয় এবং ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের দ্রুত শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনার দাবি জানানো হয়।
বিক্ষোভ মিছিলে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক এজাজুর রহমান শামীম, সদস্যসচিব খন্দকার ফারুক হোসেন, উপজেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি খায়রুল ইসলাম খান জনি, বীর মুক্তিযোদ্ধা জিয়াউর রহমান জিকু, আশিকুজ্জামান আশিক সাবেক জেলা বিএনপির উপদেষ্টা, সাইফুর রহমান সাবেক উপজেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক, অহেদুজ্জামান ওয়াহেদ উপজেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক, ১ নম্বর জলমা ইউনিয়ন বিএনপির আহ্বায়ক রুহল মোমেন লিটন, ২ নম্বর সদর ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি ইমরান আহম্মেদ, ৪ নম্বর ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি রাশেদ কামাল, ৩ নম্বর গঙ্গারামপুর ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি জাহাঙ্গীর হাওলাদার, আবু বক্কর সিদ্দিক নিরু উপজেলা যুবদলের আহবায়ক, শফিক মোল্যা, মারুফ হোসেন, মুছা আহম্মেদ, উপজেলা মহিলা দলের সভাপতি রেহেনা আফরোজ সুইটি ও আসাবুর হাওলাদার ১ নং জলমা ইউনিয়ন, কানিজ ফাতেমা উপজেলা মহিলাদলের সদস্য সচিব, পলাশ মহালদার, মারুফ হোসেন, শাকিল আহম্মেদ উপজেলা ছাত্রদলের সভাপতি, জাহাঙ্গীর কৃষক দল, বাদল হাওলাদার, বিল্লাল হোসেন, মোস্তাকিন বিল্লাহ, মাছুম বিল্লাহ, হাফিজুর রহমান, নুপুর আক্তার, কাশমিরী ঢালী ও অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীরা।
বক্তারা বলেন, রাজনৈতিক মতপার্থক্য বা বিরোধের কারণে কোনো ব্যক্তির বাড়িতে গুলিবর্ষণ কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়। এ ধরনের ঘটনা জননিরাপত্তার জন্যও উদ্বেগজনক। তারা ঘটনার নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত ঘটনা উদঘাটন এবং জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানান।
স্থানীয় নেতাকর্মীরা বলেন, বটিয়াঘাটার মাটিতে ভয়ভীতি ও সন্ত্রাসের রাজনীতি মেনে নেওয়া হবে না। সাধারণ মানুষের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে প্রশাসনকে দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ নিতে হবে।
এ ঘটনায় থানায় কোনো মামলা বা আইনগত পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে কি না, সে বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের বক্তব্য পাওয়া গেলে তা প্রতিবেদনে যুক্ত করা হবে।

