সাতক্ষীরা কালীগঞ্জ মৌতলা ইউনিয়নে পানিয়া আদর্শ মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে এমপি রবিউল বাশারকে সংবর্ধনা।
এম এ জলিল বিভাগীয় প্রতিনিধি খুলনা
কালীগঞ্জ উপজেলার পানিয়া আদর্শ মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে সাতক্ষীরা-৩ (আশাশুনি–কালীগঞ্জ) আসনের নির্বাচিত মাননীয় সংসদ সদস্য জননেতা হাফেজ মুফতি মুহাদ্দিস রবিউল বাশার এমপি মহোদয়কে সংবর্ধনা প্রদান করা হয়েছে।
বিদ্যালয় প্রাঙ্গণে আয়োজিত এ সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সাতক্ষীরা-৩ (আশাশুনি–কালীগঞ্জ) আসনের মাননীয় সংসদ সদস্য জননেতা হাফেজ মুফতি মুহাদ্দিস রবিউল বাশার।
অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মৌতলা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান , জামায়াতে ইসলামীর মৌতলা ইউনিয়ন আমীর মাস্টার নুরুল ইসলাম, সেক্রেটারি আব্দুস সাত্তার, উপজেলা জয়েন্ট সেক্রেটারি আবু ইসলাম এবং মাননীয় সংসদ সদস্য মহোদয়ের ব্যক্তিগত সহকারী (পিএস) মো. শরিফুল ইসলাম। এছাড়াও স্থানীয় রাজনৈতিক ও সামাজিক নেতৃবৃন্দ, জনপ্রতিনিধি, শিক্ষক, শিক্ষার্থী, অভিভাবক এবং এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন।সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে বিদ্যালয়ের পক্ষ থেকে মাননীয় সংসদ সদস্যকে ফুলেল শুভেচ্ছা ও সম্মাননা প্রদান করা হয়। এ সময় বিদ্যালয়ের শিক্ষক-শিক্ষার্থী ও উপস্থিত অতিথিরা সংসদ সদস্যের সঙ্গে বিভিন্ন বিষয়ে মতবিনিময় করেন।প্রধান অতিথির বক্তব্যে হাফেজ মুফতি মুহাদ্দিস রবিউল বাশার এমপি বলেন, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের উন্নয়ন, শিক্ষার পরিবেশ নিশ্চিত করা এবং শিক্ষার্থীদের সুন্দর ভবিষ্যৎ গড়ে তুলতে সংশ্লিষ্ট সবার সম্মিলিত উদ্যোগ প্রয়োজন। তিনি শিক্ষার্থীদের নিয়মিত পড়াশোনা, নৈতিকতা, শৃঙ্খলা ও দেশপ্রেমের মাধ্যমে নিজেদের যোগ্য নাগরিক হিসেবে গড়ে তোলার আহ্বান জানান।তিনি আরও বলেন, আশাশুনি ও কালীগঞ্জের প্রতিটি এলাকার মানুষের প্রয়োজন ও প্রত্যাশাকে গুরুত্ব দিয়ে উন্নয়ন কার্যক্রম এগিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করা হবে। শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের অবকাঠামোগত উন্নয়নসহ শিক্ষা খাতের বিভিন্ন সমস্যা পর্যায়ক্রমে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের মাধ্যমে সমাধানের উদ্যোগ নেওয়া হবে।অনুষ্ঠানে বিদ্যালয়ের শিক্ষকবৃন্দ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের বিভিন্ন সমস্যা, সম্ভাবনা ও উন্নয়ন-সংক্রান্ত বিষয় সংসদ সদস্যের কাছে তুলে ধরেন। সংসদ সদস্য এসব বিষয় গুরুত্বের সঙ্গে শোনেন এবং প্রয়োজনীয় উদ্যোগ গ্রহণের আশ্বাস দেন।
এ সময় বক্তারা পানিয়া আদর্শ মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষার পরিবেশ ও সার্বিক উন্নয়নে শিক্ষক, অভিভাবক, শিক্ষার্থী ও স্থানীয় জনগণের সমন্বিত ভূমিকার ওপর গুরুত্বারোপ করেন।পরে বিদ্যালয়ের শিক্ষক ও শিক্ষার্থীদের সঙ্গে সৌহার্দ্যপূর্ণ পরিবেশে মতবিনিময়ের মধ্য দিয়ে সংবর্ধনা অনুষ্ঠান শেষ হয়।

