জীবন বাঁচাতে বিদেশপাড়ী

আশরাফুল ইসলাম, ভ্রাম্যমান প্রতিনিধিঃ আমার প্রিয় মাতৃভূমিতে আজ কত না ঘটনা চোখে পড়ে। মানুষের জীবন চলার পথে পরিবেশের অনেক সমস্যা হয়। জীবন চলার পথে অনেক বাধার সম্মুখীন হতে হয় আমার প্রিয় বাংলাদেশে। আর আমার বঙ্গভূমিতে যদি কেউ মুক্তমনা ব্লগার বা গণজাগরণমঞ্চ সমর্থক বা কর্মী হয়। স্বাধীনতার চেতনায় উদার থাকে তাদের উপর নেমে আসে জীবন ঘাতক অমানুষিক ঝড়। তাদের উপর ব্যবহার হয় চাপাতি, বোমা, গ্রেনেড জীবনের নাশের হুমকি কত শতবার পেতে হয় তার কোন কুলকিনারা থাকে না। তবুও সংগ্রামীরা সংগ্রাম ছাড়েনি। নিজের জীবন বাজি রেখে অনেকেই দেশে থেকেই সংগ্রাম চালিয়ে যাচ্ছে। অনেকেই আবার পরিবারের চাপে জীবন বাঁচাতে বিদেশে জমিয়েছেন পাড়ি। তাদেরই মধ্যে একজন গুলশান থানাধীন দক্ষিণ বাড্ডা-প-১৩২, ঢাকা-১২১২’র বাসিন্দা। বাড্ডা জাগরণী সংসদের সদস্য মোস্তাফিজুল আবেদীন তিনি বিভিন্ন ম্যাগাজিন, ব্লগ আমাদের ঢাকার আলো ছাড়াও বিভিন্ন সাংস্কৃতিক কর্মকান্ডের সাথে জড়িত ছিলেন। আমাদের ঢাকার আলো ব্লগে লেখার কারণে মোস্তাফিজুল আবেদীনকে উড়ো ভাবে আসসারুল্লাহ বাংলা টিম বহুবার তাকে প্রাণনাশের হুমকি দেয়। এর প্রেক্ষিতে পরিবারের চাপে মোস্তাফিজুল আবেদীন জার্মানি পাড়ি জমান। বর্তমানে তিনি ড্রোডমুডার অলি ৬৫৯১৭৪, ক্যামেন জার্মানীতে আছেন। তিনি বর্তমানে সেখানে রাজনৈতিক আশ্রয়ে থাকার আবেদন করেছেন। তিনি যাতে সুস্থভাবে জীবন যাপন করতে পারেন সেজন্য দেশবাসীর নিকট দোয়া চেয়েছেন। মোস্তাফিজুল আবেদীনের সহিত কথা বলে জানা যায় এবং সে সরকারের কাছে দাবী করেন দেশের সকল লেখক, কবি, সাহিত্যিক, ব্লগার ও সংগ্রামীদের জীবনের নিরাপত্তা চেয়েছেন। তার মতো আর কাউকে যেন প্রিয় মাতৃভূমি ছেড়ে যেতে না হয়। মুক্তমনা লেখকদের জীবনের নিরাপত্তার প্রয়োজন। এদেশের গণতান্ত্রিক ধারার চর্চা বজায় রাখার সহযোগিতা করবেন বলে তিনি বিশ্বাস করেন। তিনি আরো দাবী করেন দেশের বিচার ব্যবস্থার ধীর গতির কারণে প্রতিনিয়ত সন্ত্রাসীরা সন্ত্রাসী কর্মকান্ড করার সাহস পাচ্ছে। বিচার ব্যবস্থার গতির ধারা দ্রুত কার্যকর করলে দেশে সন্ত্রাস ও নাশকতা কমবে বলে তিনি দাবী করেন।
