কাঞ্চনপুর শাহ্ মিজান শাহ বোগদাদের আশেকান ভালো মানুষ হয়ে ৪০ বৎসর ধরে পাগলের ছদ্দ্য বেসে আবদুল বারেক মিয়া

মোঃ জাবেদ হোসেন ॥কাজ কর্ম করে সুন্দর ভাবে জিবন যাপন করেছিলো আবদুল বারেক মিয়া। বিয়ে করে ২০বৎসর বয়েসে তার পরে পরিবারে ৪ ছেলে ৩ মেয়ে নিয়ে সাভাবিক ভাবে চলে সে একজন কৃষক ছিলো এসময়ে কাঞ্চনপুর শাহ্ মিজান শাহবোগদাদের আশেকান রহিম বেপারী সাথে দেখা হয় সে তাকে তার পিরের কথা বলে বারেক মিয়াকে আশেক হতে বলে সে তার সাথে কাঞ্চনপুর চৌদরী পারা এলাকায় গিয়ে শাহ্ মিজান শাহ বোগদাদের আশেকান হন তার পরথেকে সেআর ছেলে মেয়েদেও কোন খোজ খবর নেননি। এরকম ভাবে সে বিভিন্ন জেলায় কাঙ্গালি হয়ে জিবন যাপন করেন তাকে দেখাযায় পাগরের মত কিন্তু সে পাগল না । সে চাঁদপুর ফরিদঞ্জ উপজেলার চান্দ্রা মান্সি হাট এলাকার মিয়া বাড়ির মৃত মোঃ মুসলিম মিয়ার ছেলে আবদুল বারেক মিয়া (৭০) বতৃমানে সে দেশান্তরী হয়ে বাবার আশেকান বাবার দেনে পাগলের মত থাকে । ভালো মানুষ হয়ে ৪০ বৎসর দরে পাগলের ছদ্দ্যবেসি টেকিাইর মত রাস্তায় পড়ে থাকে । যারা সচেতন মানুষ তারা এদের কে দেখলে ভালো ভাভে ফিরার কথা বলবেন ।আবদুল বারেক মিয়ার মত জেন কেউ ভন্ড পিরের ফাদে পরে নিজেদের কে দংষের পথে ঢেলে দিবেন্না।
