বটিয়াঘাটায় গোবিন্দ বাড়ৈ এর মৃত্যুর তদন্ত রিপোর্ট নিয়ে স্থানীয়দের মাঝে কেন সংশয়? পর্ব-৬
সেখ রাসেল, বিভাগীয় ব্যুরো চিফ, খুলনা:
খুলনার বটিয়াঘাটা কিসমত ফুলতলা ছিলিন্দামারী এলাকার গোবিন্দ বাড়ৈ রহস্যজনক মৃত্যু হয়েছে গত ১৬/০৯/২০২৬ তারিখ তার স্ত্রী পলি মল্লিক এজাহার করেছেন ১৭/০৯/২০২৬ তারিখ। যার মামলা নং-০৬।
যোদিও মৃত্যুর দিন থেকে এ পর্যন্ত স্থানীয়দের মাঝে ক্রমাগত আলোচনা সমালোচনা চলছে। এর মধ্যে অক্টোবর/২৬ এর প্রথম ১/২ দিন আলোচনা কমে গেলেও আবারও পুনরায় এটা নিয়ে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছে।
তবে একটি বিষয় খুবই আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছে, পোস্ট মটেম রিপোর্ট নিয়ে। কেন পোস্ট মটেম রিপোর্ট আসার পূর্বেই তা নিয়ে স্থানীয়দের মাঝে রিপোর্ট বদলানোর সন্দেহ হচ্ছে?
তার উত্তর খুজতে গিয়ে জানতে পারলাম। সনাতন ধর্মালম্বীদের সমাহিত করার বিধান আছে। তাছাড়া তিনি একজন ধনাঢ্য ব্যক্তি ছিলেন। কেনই বা দ্রুত দাহোর অনুমতি পেলো? তাহলে তার পরিবার কার/কাদের চাপে বা কোন কারণে দ্রুত দাহ করলো? তার স্ত্রী এজাহার দায়ের করে সমাহিত না করে কেনই তার পরিবার দ্রুত দাহ করলো? তদন্ত রিপোর্ট পজেটিভ বা নেগেটিভ আসুক না কেন। তাহলে কি পূনরায় তদন্ত রিপোর্ট না করতে পারে বা আলামত সংগ্রহ করা না যায় সে বিষয় চিন্তা করেই দ্রুত লাশ দাহ হয়েছে?
আবার টাকার জন্যেই যদি হত্যা হবে, তাহলে তার বালিসের নিচ থেকে কেনো মাত্র ৪ লক্ষা ২৫ হাজার টাকা সামথিং পাওয়া গেলো? তাহলে বিষয়টি কি পরিকল্পিতি? ভিন্ন দিকে মোড় দিতে নয়তো? বর্তমানে তার পরিবার এটা নিয়ে কি ভাবছে? কোন তৎপরতা আছে কিনা? স্থানীয় সূত্রে জানা যায় তার জমি বিক্রীর অনেক টাকা তার কাছে ছিলো, তার পরিমাণ কত? সে টাকা তিনি কি কেরেছেন?
বটিয়াঘাটা থানার অফিসার ইনচার্জ মারুফ হোসেন এর সঙ্গে কথা বলে জানতে পারি, তার শরীরে আচরের দাগ। তাহলে বিষয়টি কি? কিছু প্রশ্নের উত্তর পোস্ট মটেম রিপোর্ট আসলে বোঝা যাবে?
গোবিন্দ বাড়ৈ এর মৃত্যু স্বাভাবিক না হত্যা ? যদি হত্যা হয়, বিষয়টি প্রমানিত না হলেও আমরা যারা কোন না কোন ধর্মে বিশ্বাসী, আমরা বিশ্বাস করি আল্লাহর বিচার হবে। এমনও দেখা যে, কয়েক বছর পর হলেও হত্যাকারী নয়তো তার পরিবার নয়তো কারো না কারো মাধ্যমে প্রকাশ পায়। বিষয়টি প্রমাণিত না হলে সে অপেক্ষায় থাকতে হবে।

