নির্বাচন শেষ হতে না হতেই চাঁদাবাজী শুরু, বিএনপি পারবে কি তাদের নেতা কর্মীদেরকে নিয়ন্ত্রণ করতে
ঢাকা বিভাগীয় প্রতিনিধি:
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন শেষ হতে না হতেই সাভারের আশুলিয়ায় শুক্রবার সন্ধ্যায় বাইপাইল–আবদুল্লাহপুর সড়কে চলাচলকারী কয়েকটি বাস থেকে জোরপূর্বক চাঁদা নেওয়ার চেষ্টা করার সময় স্থানীয় জনতার বাধার মুখে পড়েন অভিযুক্তরা। এক জনকে আটক করে জনতা গণধোলাই দেয়। ঘটনাটি ভিডিওতে ধরা পড়ে এবং তা সামাজিক মাধ্যমে ভাইরাল হয়েছে।
পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে চাঁদপুর-৩ আসনের বিজয়ী বিএনপি প্রার্থী শেখ ফরিদ আহমেদ মানিক, নিজ দলীয় কর্মীকে চাঁদাবাজির দায়ে পুলিশে সোপর্দ করেন।
প্রত্যক্ষদর্শীদের বরাত দিয়ে জানা গেছে, কয়েকজন যুবক নিজেদের একটি রাজনৈতিক দলের কর্মী পরিচয় দিয়ে বাস থামিয়ে চাঁদা দাবি করেন। সোহাগ পরিবহনের একটি বাসে টাকা নেওয়ার সময় চালক ও হেলপাররা প্রতিবাদ করলে বাগ্বিতণ্ডা শুরু হয়। পরে বাসের যাত্রীরা নেমে এসে তাদের ধাওয়া দেন। অভিযুক্তদের মধ্যে কয়েকজন পালিয়ে যান, কিন্তু একজনকে আটক করে মারধর করা হয়।
খবর পেয়ে আশুলিয়া থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। তবে অভিযুক্তরা পালিয়ে যাওয়ায় কাউকে আটক করা যায়নি বলে জানায় পুলিশ। আশুলিয়া থানার ওসি রুবেল হাওলাদার রাতে গণমাধ্যমকে বলেন, ‘বাইপাইল–আবদুল্লাহপুর সড়কে চাঁদাবাজির খবর পেয়ে দ্রুত পুলিশ পাঠানো হয়। ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি স্বাভাবিক করা হয়েছে।
ভিডিও ফুটেজ সংগ্রহ করে জড়িতদের শনাক্তের চেষ্টা চলছে।’ তবে এ ধরনের একটি ভিডিও ফুটেজ ভাইরাল হলে প্রশাসনের তৎপরতা বৃদ্ধি পায়। ফুটেজ দেখে চাঁদাবাজকে শনাক্ত করার চেষ্টা করা হবে বলে পুলিশ জানায়।
চাঁদপুর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. ফয়েজ আহমেদ বলেন, ‘আটক ব্যক্তিদের থানা হেফাজতে রাখা হয়েছে। তাদের বিরুদ্ধে যাচাই-বাছাই শেষে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

