টিআর কর্মসূচিতে অনিয়ম,জানতে চাইলে,খবর করেন গিয়া বলে কর্মকর্তার হুমকি।

মোঃ আরিফুর রহমান,স্টাফ রিপোর্টার
শেরপুরের নকলা উপজেলায় টিআর এর কাজে ব্যপক অনিয়ম। কয়েকটি ইউনিয়নের বেশ কয়েকটি কাজে অনুসন্ধান চালিয়ে কোথাও সরকারি বরাদ্দকৃত অর্থ অনুযায়ী কাজের মিল খুঁজে পাওয়া যায়নি। এরমধ্যে চন্দ্রকোনা ইউনিয়নের চর মধুয়া নামাপাড়া এলাকায় টিআর কর্মসূচির ১ লক্ষ ৭০ হাজার টাকার কাজ অর্ধেক করেই বিল পরিশোধ।

দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা, ত্রাণ মন্ত্রণালয়, দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা অধিদপ্তর টিআর এর গ্রামীণ অবকাঠামো সংস্কার কর্মসূচীর অধীনে ২০২৫-২০২৬ অর্থবছরের ১ম পর্যায়ে চরমধুয়া জাহাঙ্গীরের দোকান হইতে মনি মিয়ার বাড়ি পর্যন্ত ইটের সলিং করার কথা নামকরণ প্লেটে উল্লেখ করা হয়েছে।

চরাঞ্চলের যোগাযোগ রক্ষাকারী সড়কটির নামকরণ সাইনবোর্ডে উল্লেখিত নামের ঠিকানার সাথে কাজের মিল পাওয়া যায়নি। জাহাঙ্গীরের বাড়ি থেকে মনি মিয়ার বাড়ি পর্যন্ত অর্ধেক কাজ করেই সমুদয় বিল পরিশোধ করেছে উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা আনোয়ার হোসেন শামীম।

শনিবার (২৪ জানুয়ারি) দুপুরে সরেজমিনে গেলে নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক অনেকেই বলেন, আমরা প্রতিবাদ করেছিলাম বলে অফিসাররা আমাদেরকে মামলার ভয় দেখিয়েছে।

কাজ সম্পূর্ণ না করেই বিল উত্তোলনের বিষয়ে প্রকল্প বাস্তবায়ন কমিটির সভাপতি প্যানেল চেয়ারম্যান সুরুজ বাঙ্গালী বলেন, আমার ৯৪ হাজার টাকা খরচ হয়েছে বরাদ্দ ছিল ১ লক্ষ ৭০ হাজার। এর বেশি জানতে চাইলে প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তার সাথে কথা বলেন। আমি গত ১৮ জানুয়ারি সমূদয় বিল উত্তলন করেছি।

প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা আনোয়ার হোসেন শামীম বলেন, নিয়মঅনুযায়ী কাজ হয়েছে। আপনি যত পারেন খবর করেনগা।

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা জাহাঙ্গীর আলম বলেন, সরকারী প্রকল্পে নয় ছয় করার কোন অবকাশ নেই, কেউ অন্যায় করলে সেটার দায় তার। আমি কাজ না দেখে বিল দেই না।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *