নিজ মালিকানাধীন কৃষি জমিতে চাষাবাদে বাঁধা, ময়লা ফেলা ও যাতায়াতের পথ বন্ধসহ নানা অভিযোগ

আদমদীঘি প্রতিনিধি:
নিজ মালিকানাধীন কৃষি জমিতে চাষাবাদে বাঁধা, জমিতে ময়লা-আবর্জনা ফেলা, যাতায়াতের পথ বন্ধ করে দেওয়া এবং জমি বিক্রির জন্য চাপ ও হয়রানি করার অভিযোগ উঠেছে ফুলজান এগ্রো ফিডের ব্যবস্থাপনা পরিচালকের বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় প্রতিকার চেয়ে গতকাল রোববার বিকেলে বগুড়ার আদমদীঘি উপজেলা নির্বাহী অফিসারের (ইউএনও) কাছে একটি লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন ভুক্তভোগী জমির মালিক পাখি হোসেন।
আদমদীঘি উপজেলা নির্বাহী অফিসারের অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, ভুক্তভোগী জমির মালিক পাখি হোসেন তার নিজ মালিকানাধীন কৃষি জমিতে দীর্ঘদিন ধরে চাষাবাদ করে আসছেন। সম্প্রতি তার কৃষি জমির পাশে ফুলজান এগ্রো ফিডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক তার জমিতে চাষাবাদ করতে বিভিন্ন ভাবে বাঁধা প্রদান করছেন এবং তাকে বিভিন্ন ভাবে হয়রানি করছে। তার জমিতে ময়লা-আবর্জনা ও বিভিন্ন ধরনের বর্জ্য ফেলা হচ্ছে, যার কারণে কৃষি জমি ও ফসল ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। এছাড়া তার কৃষি জমিতে যাওয়ার জন্য বর্তমানে স্বাভাবিক ভাবে চলাচলের কোনো ব্যবস্থা নেই। তার জমির পাশে থাকা খালের পাড় পর্যন্ত দখল করে নেওয়ার কারণে তার নিজের জমিতে যাতায়াত করা এবং কৃষি কাজ পরিচালনা করা অত্যন্ত কঠিন হয়ে পড়েছে। অভিযোগে আরও উল্লেখ করা হয়েছে যে, পাখি হোসেন তার জমি বিক্রি করতে ইচ্ছুক নই। কিন্তু জমি কিনে নেওয়ার উদ্দেশ্যে ফুলজান এগ্রো ফিডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক তাকে বিভিন্ন ভাবে চাপ ও হয়রানি করছে। যার কারনে সে নিজস্ব জমিতে স্বাধীন ভাবে চাষাবাদ করতে পারছে না এবং নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছে। ভুক্তভোগী পাখি হোসেন বিষয়গুলো তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ এবং নিজ জমিতে নির্বিঘ্নে চাষাবাদ ও যাতায়াতের সুযোগ নিশ্চিত করার জন্য উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কাছে আবেদন করেছেন।
এ ব্যাপারে ফুলজান এগ্রো ফিডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক সবুজের সাথে মুঠোফোনে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, তার বিরুদ্ধে চাষাবাদে বাঁধা, জমিতে ময়লা-আবর্জনা ফেলা, যাতায়াতের পথ বন্ধ করে দেওয়া এবং জমি বিক্রির জন্য চাপ ও হয়রানি করার অভিযোগ মিথ্যা ও ভিত্তিহীন।
এ বিষয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মাসুমা বেগম অভিযোগ পাওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *