আবু সাঈদকে এরা নিজেরাই মেরে জুলাই শহীদ হিসেবে প্রমাণ করেছে: শান্তা ফারজানা। বক্তব্যটি ঘিরে ইতিবাচক, নেতিবাচক আলোচনা সমালোচনা
ডেস্ক রিপোর্ট:
ঢাকা, ১৮ জুলাই/২৪: আবু সাঈদকে হত্যার মাধ্যমে সংশ্লিষ্টরাই তাকে জুলাই আন্দোলনের শহীদ হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করেছে বলে মন্তব্য করেছেন শান্তা ফারজানা। তিনি বলেন, আবু সাঈদের মৃত্যু কোনো রাজনৈতিক প্রচারণার ফল নয়; বরং ঘটনাস্থলের বাস্তবতা, প্রত্যক্ষদর্শীদের বর্ণনা, ভিডিও ফুটেজ এবং পরবর্তী বিচারিক প্রক্রিয়াই তাকে জুলাই আন্দোলনের অন্যতম শহীদ হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করেছে।
শান্তা ফারজানা অভিযোগ করেন, যারা এখন আবু সাঈদের শহীদ হওয়া নিয়ে প্রশ্ন তুলছেন বা বিভ্রান্তি ছড়ানোর চেষ্টা করছেন, তারাই অতীতে সংঘটিত ঘটনার জন্য দায় এড়াতে চাইছেন। তিনি বলেন, “আবু সাঈদকে এরা নিজেরাই মেরে জুলাই শহীদ হিসেবে প্রমাণ করেছে। ইতিহাস কখনো সত্যকে আড়াল করে না।”
তিনি আরও বলেন, জুলাই আন্দোলনে নিহতদের আত্মত্যাগ বাংলাদেশের রাজনৈতিক ইতিহাসে গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায় হয়ে থাকবে। তাদের স্মৃতি সংরক্ষণ এবং হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জড়িতদের বিচার নিশ্চিত করাই জাতির দায়িত্ব।
উল্লেখ্য, ২০২৪ সালের ১৬ জুলাই রংপুরে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন চলাকালে বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী আবু সাঈদ গুলিবিদ্ধ হয়ে নিহত হন। পরবর্তীতে তার মৃত্যু দেশজুড়ে আন্দোলনকে আরও তীব্র করে তোলে এবং ঘটনাটি বাংলাদেশের সাম্প্রতিক রাজনৈতিক ইতিহাসে গুরুত্বপূর্ণ মোড় হিসেবে বিবেচিত হয়। সাম্প্রতিক সময়ে এ ঘটনায় দণ্ডিত কয়েকজন আসামি উচ্চ আদালতে আপিলও করেছেন।
বক্তব্যটি নিয়ে বিভিন্ন চায়ের দোকানে পাড়ায় মহল্লায় আলোচনা সমালোচনা, শান্তা ফারজানা কি, কোন একটি দেশের এজেন্ডা পুরনে মাঠে নেমেছে না কি তার বক্তব্যটা সত্য। আবার অনেকে বলছেন, ছাত্রলীগ বা আওয়ামীলীগের কেউ আবু সাঈদকে গুলি করেছে, যা কিনা শান্তা ফারজানা জানে বিধায় সেই সুযোগকে কাজে লাগিয়ে দেশে একটি অশান্তি সৃষ্টি করছে, বলছিলেন নিরোদ বিহারী নামের এক পরিপাটি বৃদ্ধার বক্তব্য।

