প্রান্তিক জেলেদের স্বাবলম্বী করতে সুন্দরবন উপকূলে ৪৮ জেলের হাতে ২ কোটি টাকার স্বল্পসুদের ঋণ বিতরণ

এস. এম. সাইফুল ইসলাম কবির, সিনিয়র স্টাফ রিপোর্টার, বাগেরহাট:বিশ্বের সর্ববৃহৎ ম্যানগ্রোভ বনাঞ্চল ও মৎস্যভান্ডার হিসেবে খ্যাত বিশ্ব ঐতিহ্য সুন্দরবন উপকূলবর্তী জেলা বাগেরহাটে ৪৮ জন জেলের মধ্যে ২ কোটি টাকার স্বল্পসুদের ঋণ বিতরণ করা হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (৯ জুলাই) দুপুরে বাগেরহাট চিংড়ি গবেষণা কেন্দ্রে অনুষ্ঠিত ‘প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর আর্থিক অন্তর্ভুক্তি’ বিষয়ক মতবিনিময় সভা ও উন্মুক্ত ঋণ বিতরণ অনুষ্ঠানে উপকারভোগী জেলেদের হাতে ঋণের চেক তুলে দেওয়া হয়।

বাংলাদেশ ব্যাংকের ৭৫০ কোটি টাকার রিফাইন্যান্স স্কিমের আওতায় বাগেরহাট জেলার ১৯টি ব্যাংক শাখার মাধ্যমে এ ঋণ বিতরণ করা হয়েছে। জেলার লিড ব্যাংক হিসেবে এনআরবিসি ব্যাংক পিএলসি এ কর্মসূচির আয়োজন করে।

অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন এনআরবিসি ব্যাংকের খুলনা ও বরিশাল অঞ্চলের আঞ্চলিক প্রধান মো. আব্দুল হালিম। প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সোনালী ব্যাংকের খুলনা অঞ্চলের জেনারেল ম্যানেজার জাহিদুল ইসলাম মোল্লা।

বিশেষ অতিথি ছিলেন এনআরবিসি ব্যাংকের এসএমই, মাইক্রো ও অ্যাগ্রি বিভাগের প্রধান মো. রমজান আলী ভূঁইয়া, বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের বাগেরহাট অঞ্চলের চিফ রিজিওনাল ম্যানেজার মো. তারিকুল ইসলাম খান, রূপালী ব্যাংকের উপমহাব্যবস্থাপক শেখ আলাউদ্দিন হোসেন এবং জনতা ব্যাংকের উপমহাব্যবস্থাপক অভিমন্যু কুমার মণ্ডল।

মতবিনিময় সভায় বক্তারা বলেন, দেশের প্রান্তিক জনগোষ্ঠীকে মূলধারার অর্থনীতির সঙ্গে সম্পৃক্ত করতে বাংলাদেশ ব্যাংকের রিফাইন্যান্স স্কিম গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে। এ তহবিলের আওতায় ১০, ৫০ ও ১০০ টাকার হিসাবধারীসহ আর্থিকভাবে পিছিয়ে থাকা জনগোষ্ঠী মাত্র ৭ শতাংশ সুদে ৫০ হাজার থেকে ৫ লাখ টাকা পর্যন্ত ঋণ সুবিধা পাচ্ছেন।

বক্তারা আরও বলেন, এই ঋণ কর্মসূচি প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর আত্মকর্মসংস্থান সৃষ্টি, ক্ষুদ্র উদ্যোগের বিকাশ এবং স্থানীয় পর্যায়ে কর্মসংস্থান বৃদ্ধিতে সহায়ক ভূমিকা রাখবে। এর ফলে উপকূলীয় অঞ্চলের অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড আরও গতিশীল হবে এবং আর্থিক অন্তর্ভুক্তির লক্ষ্য অর্জন সহজতর হবে।

এনআরবিসি ব্যাংকের এসএমই, মাইক্রো ও অ্যাগ্রি বিভাগের প্রধান মো. রমজান আলী ভূঁইয়া বলেন, “বাংলাদেশ ব্যাংকের রিফাইন্যান্স তহবিলের মাধ্যমে আর্থিকভাবে পিছিয়ে থাকা মানুষ সহজ শর্তে ঋণ পেয়ে স্বাবলম্বী হওয়ার সুযোগ পাচ্ছেন। এনআরবিসি ব্যাংক কুটির, ক্ষুদ্র ও মাঝারি উদ্যোক্তাদের অর্থায়নের পাশাপাশি অন্তর্ভুক্তিমূলক ও টেকসই অর্থনৈতিক উন্নয়নে অবদান রেখে যাচ্ছে।”

বাংলাদেশ ব্যাংক প্রান্তিক ও ভূমিহীন কৃষক, স্বল্প আয়ের পেশাজীবী, ক্ষুদ্র ব্যবসায়ী, স্কুল ব্যাংকিং হিসাবধারী এবং ১০, ৫০ ও ১০০ টাকার হিসাবধারীদের জন্য ৭৫০ কোটি টাকার এই রিফাইন্যান্স তহবিল গঠন করেছে। তফসিলি ব্যাংকগুলোর মাধ্যমে যোগ্য গ্রাহকদের মাঝে এ ঋণ বিতরণ করা হচ্ছে।

অনুষ্ঠানে বক্তারা বলেন, আর্থিক অন্তর্ভুক্তি নিশ্চিত করতে বাংলাদেশ ব্যাংকের রিফাইন্যান্স স্কিম গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে। এ তহবিলের আওতায় ১০, ৫০ ও ১০০ টাকার হিসাবধারীসহ আর্থিকভাবে পিছিয়ে থাকা মানুষ মাত্র ৭ শতাংশ সুদে ৫০ হাজার থেকে ৫ লাখ টাকা পর্যন্ত ঋণ নিতে পারছেন। এতে প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর আত্মকর্মসংস্থান, নতুন উদ্যোক্তা সৃষ্টি এবং স্থানীয় পর্যায়ে কর্মসংস্থানের সুযোগ বাড়বে।

এনআরবিসি ব্যাংকের এসএমই, মাইক্রো ও অ্যাগ্রি বিভাগের প্রধান মো. রমজান আলী ভূঁইয়া বলেন, বাংলাদেশ ব্যাংকের এই রিফাইন্যান্স তহবিলের মাধ্যমে আর্থিকভাবে পিছিয়ে থাকা মানুষ সহজ শর্তে ঋণ পেয়ে স্বাবলম্বী হওয়ার সুযোগ পাচ্ছেন। এনআরবিসি ব্যাংক কুটির, ক্ষুদ্র ও মাঝারি উদ্যোক্তাদের অর্থায়নের পাশাপাশি অন্তর্ভুক্তিমূলক ও টেকসই অর্থনৈতিক উন্নয়নে কাজ করে যাচ্ছে।

বাংলাদেশ ব্যাংক প্রান্তিক ও ভূমিহীন কৃষক, স্বল্প আয়ের পেশাজীবী, ক্ষুদ্র ব্যবসায়ী, স্কুল ব্যাংকিং হিসাবধারী এবং ১০, ৫০ ও ১০০ টাকার হিসাবধারীদের জন্য ৭৫০ কোটি টাকার এ রিফাইন্যান্স তহবিল গঠন করেছে। তফসিলি ব্যাংকের মাধ্যমে যোগ্য গ্রাহকদের এ ঋণ দেওয়া হচ্ছে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *