বটিয়াঘাটায় বিদ্যুতের বেহাল অবস্থায় অসহায় জনগণ, রাতে দীর্ঘ সময় বিদ্যুৎ না থাকায় দুঃসাহসিক চুরি ঘটনা ঘটছে

সেখ রাসেল, বিভাগীয় ব্যুরো চিফ, খুলনা:
খুলনার বটিয়াঘাটা উপজেলায় প্রায়ই থাকছে না বিদ্যুৎ। বটিয়াঘাটাবাসী বিদ্যুৎ বিভাগের কাছে এক প্রকার অসহায় হয়ে পড়েছে। বটিয়াঘাটা উপজেলাতে বিদ্যুৎ বিচ্ছিন্ন হলে এক থেকে দেড় ঘন্টার মধ্যে বিদ্যুৎ আসেনা। প্রচন্ড তাপদাহের মাঝে নানান অযুহাত দেখিয়ে প্রাায়ই সময় বিদ্যুৎ বিচ্ছিন্ন থাকে। এক মাসে বিল কম রিডিং করে পরের মাসে রিডিং বাড়িয়ে করার ফলে বিদ্যুৎ বিল বেশি আছে, এত আর্থিকভাবে ক্ষতিগ্রস্থ হচ্ছে গ্রাহকরা।

বিশেষ করে সন্ধ্যার পর বিদ্যুৎ গেলে আতঙ্কে থাকে জনগণ। কখন কার ঘরের তালা ভেঙ্গে চুরি হয়। অধিকাংশ চায়ের দোকানে একটাই আলোচনার কেন্দ্রবিন্দু, চোর চক্রের সাথে কি বিদ্যুৎ বিভাগের কোন নিবীড় সম্পর্ক রয়েছে। কেননা দীর্ঘ সময় বিদ্যুৎ না থাকার কারণে চোর চক্র নির্ভয়ে নিশ্চিন্তে চুরি করতে পারে, বলছিলেন হেতালবুনিয়া গ্রামের গৌরদাস।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক, এক মুরব্বী বলছিলেন সত্য কথা বললে এ দেশে মামলা খেতে হয়, তখন আমাদের প্রতিনিধি বিষয় জানতে চাইলে বলে, বটিয়াঘাটা উপজেলায় যদি এত বেশি বিদ্যুৎ বিচ্ছিন্ন থাকে, তাহলে আমরা কাকে কি বলবো? বিদ্যুৎ বিভাগ কি প্রশাসনের চাইতে উর্দ্ধে । কমলমতি শিশুরা প্রচন্ড তাপদাহের মাঝে ঘেমে শরীর খারাপ করে ক্লাস রুমে থাকে। সকাল সন্ধ্যা যখনি বিদ্যুৎ যায় তখন দুই থেকে আড়াই ঘন্টা পর বিদ্যুৎ আসে। বটিয়াঘাটা উপজেলার আশে পাশে প্রতিদিনিই দুঃসাহসিক চুরির ঘটনা ঘটছে। হিসাব করলে দেখা যাই, রাতে দীর্ঘসময় বিদ্যুৎ না থাকায় খুশি মনে চোর চক্র চুরি করে পালাচ্ছে।

বটিয়াঘাটা এলাকাকাবাসী বিদ্যুতের এই সমস্যা নিরসন হয় তার জন্য উপজেলা প্রশাসনের কাছে সাহায্যের আবেদন জানিয়েছে। যাতে এই প্রচন্ড তাপদাহে সর্বউচ্চ ১০/১৫ মিনিট এর উর্ধ্বে বিদ্যুৎ বিচ্ছিন্ন না থাকে। এই নিউজ লেখার সময় ও পূর্বে দীর্ঘক্ষণ বিদ্যুৎ বিচ্ছিন্ন।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *