হাদিকে স্মরণ করে যা বললেন তারেক রহমান অপরদিকে স্বদেশ প্রত্যাবর্তন নিয়ে স্বাগত জানিয়ে সারজিসের আবেগঘন পোস্ট

সেখ রাসেল, দপ্তর সম্পাদক: শহীদ শরিফ ওসমান হাদির অবদানের কথা স্মরণ করেছেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান। তিনি বলেছেন, কয়েকদিন আগে ওসমান শহীদ হয়েছেন। ওসমান হাদি চেয়েছিলেন, এদেশের মানুষ অর্থনৈতিক অধিকার ফিরে পাক। ৭১-এ যারা শহীদ হয়েছে, ২৪-এ যারা শহীদ হয়েছে তাদের রক্তের ঋণ শোধ করতে হলে প্রত্যাশিত বাংলাদেশ গড়ে তুলতে হবে। বৃহস্পতিবার (২৫ ডিসেম্বর) বিকেলে পূর্বাচলে গণসংবর্ধনা অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন। তারেক রহমান বলেন, আজ আমাদের সামনে সময় এসেছে সকলে মিলে দেশ গড়ার। এদেশে মুসলিম, হিন্দু, বৌদ্ধ-খ্রিস্টান অনেকে বাস করেন, তাদের সবাইকে নিয়ে আমরা একটি শান্তিপূর্ণ দেশ গড়তে চাই।

তিনি বলেন, একাত্তরে দেশের মানুষ যেমন স্বাধীনতা অর্জন করেছিল, ২০২৪ সালে তেমন সর্বস্তরের মানুষ, সবাই মিলে এ দেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্বকে রক্ষা করেছিল। আজ বাংলাদেশের মানুষ কথা বলার অধিকার ফিরে পেতে চায়। তারা তাদের গণতন্ত্রের অধিকার ফিরে পেতে চায়। বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান বলেন, তরুণ প্রজন্মই আগামীতে দেশ গড়ে তুলবে। এসময় গণতান্ত্রিক, শক্তিশালী অর্থনৈতিক ভিত্তির ওপর দেশকে গড়ে তোলার ওপর জোর দেন তিনি। পরপর ৩ বার বলেন, ‘আমরা দেশের শান্তি চাই।
বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের দীর্ঘ ১৭ বছর পর দেশে ফেরায় তাকে স্বাগত জানিয়ে নিয়ে স্ট্যাটাস দিয়েছেন জুলাই যোদ্ধা ও জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) অন্যতম নেতা সারজিস আলম। বৃহস্পতিবার দুপুরে দেওয়া ওই পোস্টে তিনি তারেক রহমানকে গণঅভ্যুত্থান পরবর্তী নতুন বাংলাদেশে স্বাগত জানানোর পাশাপাশি আগামীর রাজনীতি নিয়ে নিজের প্রত্যাশার কথা তুলে ধরেন।

সারজিস আলম তার স্ট্যাটাসে লিখেছেন— ‘বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান প্রায় দেড় যুগ পর বাংলাদেশে ফিরছেন। স্বৈরাচারের পতন, পরিবর্তিত পরিস্থিতি, নানা উত্থান-পতন, রাজনৈতিক ক্রমধারার এক গুরুত্বপূর্ণ সময়ে, গুরুত্বপূর্ণ চরিত্রে তিনি আজ বাংলাদেশে আসছেন। আমরা ২৪-এর অভ্যুত্থান পরবর্তী বাংলাদেশে তাকে স্বাগত জানাই।’ সারজিস আরো উল্লেখ করেন, অতীত অভিজ্ঞতা এবং বর্তমান বাস্তবতাকে গুরুত্ব দিয়ে সামনের দিনে দেশের স্বার্থ রক্ষায় ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে চান। ফেসবুক স্ট্যাটাসে সারজিস আলম লিখেন, ‘পূর্ব অভিজ্ঞতা এবং বর্তমান বাস্তবতাকে সামনে রেখে বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক লড়াই, আধিপত্যবাদবিরোধী লড়াই থেকে শুরু করে আগামীর কাঙ্ক্ষিত বাংলাদেশ গড়ার পথে বাংলাদেশের স্বার্থকে প্রাধান্য দিয়ে ঐক্যবদ্ধভাবে আমরা কাজ করে যাব, এটাই প্রত্যাশা। স্বাগতম।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *