মাগুরার শ্রীপুরে বাজারের জায়গা দখল করে দোকান ঘর নির্মাণ

মাগুরা প্রতিনিধি : মাগুরার শ্রীপুরে বাজারের জায়গা দখল করে দোকান ঘর নির্মাণ করেছে বলে অভিযোগ উঠেছে।
এলাকাবাসী সুত্রে জানা গেছে, মাগুরার শ্রীপুর উপজেলার রাধানগর বাজারের দক্ষিন পার্শে হানু নদীর তীর ঘেষে ৭১ নং বরালীদহ মৌজার ৩২৪ খতিয়ানের ২২ টি দাগে ১২৮৫ শতাংশ জমি রয়েছে।
তার মধ্যে ১ নং দাগে ৩২ শতক ও ৩ নং দাগে ৩২ শতক জমি যাহা রাধানগর বাজারের দক্ষিণ পাশে রয়েছে।
উক্ত জমির মালিকানা দাবি করে আসছে স্থানীয় আব্দুল হালিম মিয়ার পুত্র মিয়ার শরাফত ইসলাম শুকুর।

জানা যায়, বাজারে ৬৪ শতাংশ জমির মধ্যে তৎকালীন বাজার বণিক সমিতির সভাপতি কাদিরপাড়া ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান আশরাফ হোসেন ও সাবেক সাধারণ সম্পাদক রাধানগর গ্রামের বাসিন্দা অনিল কুমার সাহাসহ বাজারের ব্যবসায়ীদের অনুরোধে মসজিদ ও গণ টয়লেট নিমানের জন্য ১৬ শতাংশ জমি দান করেন। তাছাড়া বাজারে দক্ষিণ পাশে আরো অনেক গুলো দোকান ঘর নির্মান করে বিভিন্ন ব্যবসায়ীদের নিকট ভাড়া দেওয়া দিয়েছেন ওয়ারেশ সূত্রে পাওয়া জমির মালিক মিয়া শরাফত ইসলাম শুকুরসহ ওয়ারেশগণ।

এসব দোকান ঘরের পাশে দীর্ঘদিন ধরে খালীজায়গা পরে থাকার কারণে আব্দুল আজিম মিয়া এর ভাই আব্দুল হালিম মিয়ার ওয়ারেশ মিয়া শরাফত ইসলাম শুকুর উক্ত খালি জায়গায় দোকান নির্মানের জন্য অনুমতি চেয়ে মাগুরা-১ এর সাবেক সাংসদ সাইফুজ্জামান শিখর, সাবেক উপজেলা নির্বাহী অফিসার কমলেশ মজুমদার এর বরাবর দরখাস্ত করেন পরে ঘর নির্মানের অনুমতি প্রাপ্ত হন।
হঠাৎ করে গত ৫ মাস আগে জবর দখল করে রাতের আধঁরে দুটি দোকান ঘর নির্মান করেন বাজারের একজন চা দোকানী ও সাবেক হাট ইজারাদার। এক পর্যায়ে মিয়া শরাফত ইসলাম শুকুর উক্ত দোকান ঘর উচ্ছেদের জন্য সাবেক উপজেলা নির্বাহী অফিসার কমলেশ মজুমদার কে বিষয়টি অবগত করলে তিনি তাতক্ষনিক সহকারী কমিশনার (ভুমি) শ্যামানন্দ কুণ্ডু রাধানগর বাজারে গিয়ে উক্ত দোকান ঘর আংশিক ভেঙ্গে দেয় এবং অতি দ্রুত সময়ের মধ্যে ঘর অপসারণ করে নিয়ে যেতে আদেশ দেন। কিন্তু এর কিছু দিনের মধ্যে উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও সহকারী ভুমি কর্মকর্তা বদলী হয়ে গেলে সেই সুযোগে আবার দুটি ঘর পুণরায় নির্মান করেন ওই বাজারের চা ব্যবসায়ী কাশেম ও সাবেক হাট ইজারাদার।

রাতের আধাঁরে পুণরায় ঘর নির্মাণে ওই বাজারে সমালোচনার ঝড় বইছে।

দখককৃত জায়গা ফিরে পেতে প্রশাসনের সহযোগিতা কামনা করেছেন উক্ত জায়গায় ওয়ারেশগণ।

এবিষয়ে কাদিরপাড়া ইউনিয়ন ভূমি সহকারী কর্মকর্তা খান আজমারুল ইসলাম বলেন, জমি কয়েকবার সরকারি সার্ভেয়ার দ্বারা পরিমাপ করা হয় এবং আনুমানিক ১২/১৩ বছর পূর্বে ইট দ্বারা নির্মিত একটি ভিটি তৈরী করেছিলেন যেটা এখনও দেখা যায়।সরকারি জায়গা ছেড়ে নিজস্ব জায়গায় ঘর নির্মাণ করতে পারেন।জয়গা দখল করে ঘর নির্মাণের বিষয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার সাথে কথা বলে যথাযথ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *