প্রেস ক্লাব মোল্লাহাটে সংবাদ সম্মেলনে অভিযোগ শহিদ পরিবারকে দেয়া সরকারী ভাতা আতœসাতে অপর একটি পরিবারের চেষ্টা

মোল্লাহাট (বাগেরহাট) প্রতিনিধি : মোল্লাহাটে এক শহিদ পরিবারকে দেয়া সরকারী সম্মানী ভাতার টাকা আতœসাতে অপর একটি পরিবার প্রকাশ্যে অপচেষ্টা চালাচ্ছে বলে প্রেস ক্লাব মোল্লাহাটে সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে অভিযোগ করেন ওই পরিবারের কয়েক সদস্য। গতকাল সোমবার দুপুর সাড়ে ১২টায় প্রেস ক্লাব মোল্লাহাটে অনুষ্ঠিত সংবাদ সম্মেলনে শহিদ মকিতের ভাই মান্নান শেখ, বোন কুলছুম বেগম ও জোহরা বেগম উপস্থিত হয়ে তাদের বড় বোন মৃত আছরা বেগমের ছেলে মোঃ কবির আহম্মেদ’র মাধ্যমে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন। শহিদ পরিবারের সদস্যরা লিখিত বক্তব্য ও প্রশ্নোত্তরে জানান-কামার গ্রামের মৃত ছহির উদ্দিন শেখের ছেলে মোসলেম উদ্দিন একই গ্রামের হাতেম মুন্সির মেয়ে জোবেদা খাতুনকে বিয়ে করেন। বিয়ের পর জোবেদা ৯মাসের গর্ভাবস্থায় স্বামী সংসার ছেড়ে পিতার বাড়ীতে চলে যায়। পরে জোবেদা খাতুন তার পিতার বাড়ীতে একটি ছেলে সন্তান প্রসব করলে ওই দিনই উক্ত ছেলে সন্তানকে স্বামীর বাড়ীতে পাঠিয়ে দেয়া হয়। এছাড়া উক্ত সন্তান প্রসবের মাত্র একমাস পরে জোবেদা খাতুনের বিয়ে হয় একই উপজেলার গাড়ফা গ্রামের নিজাম উদ্দিন শেখের সঙ্গে। অপরদিকে শিশু পুত্র মকিত শেখ কে লালন-পালনের জন্য রাঙ্গা ছুটু নামে এক মেয়েকে বিয়ে করেন মোসলেম উদ্দিন শেখ। যথারীতি জোবেদার নুতন সংসারে ৫টি ছেলে ও ১টি মেয়ে জন্ম হয় ও মোসলেম উদ্দিনের নুতন সংসারে আরো ৩টি মেয়ে ও ১টি ছেলে সন্তান জন্ম নেয়। এর দীর্ঘদিন পর ১৯৭১ সালে মহান স্বাধীনতা যুদ্ধে গিয়ে শহিদ হন মকিত শেখ। পরবর্তীতে শহিদ মকিত শেখের পিতা মোসলেম উদ্দিন সরকারের দেয়া সম্মানী ভাতা পেয়েছেন। উক্ত মোসলেম উদ্দিন শেখের মৃত্যুর পর তার শহীদ ছেলে মকিতের সম্মনী ভাতা দাবী করে নিজাম উদ্দিনের স্ত্রী জোবেদা খাতুন। জোবেদা খাতুন অসাধু লোকের সহযোগীতায় উক্ত সম্মানী ভাতা বেশ কিছুদিন পেয়েছেন। গত ২৬ নভেম্বর উক্ত জোবেদা খাতুনের মৃত্যু হলে নিজাম উদ্দিনের সন্তানরা উক্ত শহিদের সম্মানী ভাতা আতœসাতের অপচেষ্টা চালাচ্ছে। কোন প্রকার যেন অন্যায়/অসাধুপায় অবলম্বনের মাধ্যমে শহিদের সম্মানী ভাতা অন্য কোন পরিবারের লোক না পায় সে বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের জরুরী হস্থক্ষেপ কামনা করেছেন শহিদ পরিবারের সদস্যরা।
