মতলব উত্তরে সাংবাদিককে হত্যার হুমকি সন্ত্রাসী মিজানের বাঁচতে চাইলে মতলব ছেড়ে চলে যা

Journalist Zakir
মতলব উত্তর(চাঁদপুর) সংবাদদাতা : চাঁদপুরের মতলব উত্তর উপজেলা প্রেসক্লাবের যুগ্ম-সাধারন সম্পাদক, দৈনিক খবরপত্র-এর মতলব প্রতিনিধি ও দৈনিক চাঁদপুর সংবাদ-এর মতলব উত্তর ব্যুরো ইনচার্জ সাংবাদিক জাকির হোসেন বাদশা’কে বাড়ি থেকে ধরে এনে হত্যা করবে বলে হুমকি দেয় সন্ত্রাসী মিজানুর রহমান ওরফে ডিসি মিজান। এ ব্যাপারে জাকির হোসেন বাদশা বাদী হয়ে মতলব উত্তর থানায় জীবনের নিরাপত্তা চেয়ে সাধারন ডায়েরী (জিডি) করেছেন। জিডি নং ১৪২/০৫-০৬-১৬।
সাংবাদিক জাকির হোসেন বাদশা’র মুঠোফোনের রেকর্ড অনুযায়ী জানা যায়, রোববার সকাল ১০.২৮ মিনিটে ০১৬৮৭৮৪৪৮৫৮ নাম্বার থেকে বাহেরচর পাঁচআনী গ্রামের মৃত ওয়াদুদ সরকারের ছেলে সন্ত্রাসী মিজান কল করে সাংবাদিক জাকির হোসেন বাদশাকে এলাকা ছেড়ে যেতে হুমকি প্রদান করে। এলাকা ছেড়ে না গেলে বাড়ি থেকে ধরে এনে প্রাণে মেরে ফেলার হুমকি দেয় মিজান। সে আরো বলে, যদি সাংবাদিকতা করতে চাস বাঁচতে চাস, তাহলে মতলব ছেড়ে চলে যা। তোকে থানার কেউ রাখতে পারবেনা, তোকে এলাকার কেউ রাখতে পারবেনা, আমি বলছি তুই এলাকা ছেড়ে চলে যাবি। না হলে তুই কয় নাম্বারের সাংবাদিক আমি তোকে দেখে দিব। তোর কোন কথা আমি শুনতে চাইনা, আমার একটাই কথা তুই এলাকা ছেড়ে চলে যাবি, না গেলে তোকে কেউ বাঁঁচাতে পারবেনা। যেখানে তোকে দেখি, সেখানেই তোকে এটাক করবো। প্রায় ২ মিনিট ১১ সেকেন্ডের ফোনকলে সাংবাদিক জাকির হোসেন বাদশার ০১৮৩১৩৩৮৯৮৬ এই নাম্বারে কল করে হুমকি দেয়।
এ ব্যাপারে সাংবাদিক জাকির হোসেন বাদশা বলেন, মিজানের সাথে আমার কোন শত্রুতা নেই। সে কেন আমাকে হুমকি দিয়েছে তা জানিনা। আজ (রোববার) আমার মুঠোফোনে কল করে সে আমাকে মতলব ছেড়ে দিতে বলে। না গেলে আমাকে প্রাণে মেরে ফেলবে বলেও হুমকি দেয়। নিরাপত্তার জন্য আমি থানায় জিডি করেছি।
মতলব উত্তর থানার অফিসার ইন-চার্জ মো. আলমগীর হোসেন মজুমদার বলেন, আমি বিষয়টি অবগত হয়েছি। এবং ফোন রেকর্ড শুনেছি। শ্রীঘ্রই আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
মতলব উত্তর উপজেলা প্রেসক্লাবের সভাপতি রাকিবুল ইসলাম সোহাগ বলেন, সাংবাদিকদের এভাবে হত্যা ও এলাকা ছাড়ার হুমকি নেক্কারজনক। আমি এ ব্যাপারে প্রশাসনের সঠিক পদক্ষেপ আশা করছি। এবং মতলব উত্তর উপজেলা প্রেসক্লাবের পক্ষ থেকে এ ঘটনার তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাচ্ছি।
বিনাপ্রতিদ্বন্ধীতায় নির্বাচিত কলাকান্দা ইউপি চেয়ারম্যান সুবহান সরকার (সুভা) বলেন, আমার ইউনিয়নের একজন সাংবাদিক এটা এলাকার গর্ব। সাংবাদিকদের হুমধি ধামকি দেওয়া এটা নেক্কারজনক। এ ব্যাপারে আইনি যত সহযোগীতা আছে তা আমি করব। প্রয়োজনে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রী মোফাজ্জল হোসেন চৌধুরী মায়া (বীর বিক্রম)এমপি মহোদয়কেও বিষয়টি অবগত করবো। এটা মায়া চৌধুরীর এলাকা এখানে কোন সন্ত্রাসী থাকতে পারবে না।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *