শিক্ষার মানউন্নয়ন ও যুগোপযোগী দ্বীনি প্রতিষ্ঠান ছুফিয়া দারুল আমান ইসলামিয়া দাখিল মাদ্রাসা

একে, আজাদ : লক্ষ্মীপুর কমলনগর উপজেলা তোরাবগঞ্জ ইউনিয়নের ফাজিল বেপারীর হাটে ছুফিয়া দারুল আমান ইসলায়িা দাখিল মাদ্রাসাটিতে চ্যালেঞ্জ ছুড়ে দিয়ে শিক্ষার্থীর মাঝে শতভাগ শিক্ষার আলো ছড়াচ্ছে, ঐ মাদ্রাসার সকল শিক্ষকবৃন্দ। গোটা বিশ্ব ঘিরে এখন তথ্য প্রযুক্তির সুপার হাইওয়ে। প্রতিনিয়ত পরিবর্তনশীল বিশ্ব ব্যবস্থা প্রযুক্তিগত চ্যালেঞ্জই প্রধান হয়ে উঠেছে। এর উপরেই নির্ভর করে এগিয়ে যাচ্ছে বিশ্ব অর্থনৈতিক পরিস্থিতি। পরিবর্তিত বিশ্ব ব্যবস্থার সাথে তাল মিলিয়ে টিকে থাকার জন্য আমাদের প্রয়োজন পরিকল্পিত প্রযুক্তিগত জ্ঞান ও মানব সম্পদ উন্নয়ন। সময়ের চাহিদা পূরণ, অবাধ এবং মুক্ত বিশ্ব বাজারে টিকে থাকতে হলে শিক্ষার কোন বিকল্প নেই। শিক্ষাকে মানসন্মত এবং যোগ্যতা সম্পন্ন মানব সম্পদ সৃষ্টির প্রত্যয়ে লক্ষ্মীপুরের প্রান কেন্দ্রে কমলনগর উপজেলায় গড়ে উঠেছে ছুফিয়া দারুল আমান ইসলামিয়া দাখিল মাদ্রাসা নামে যুগোপযোগী এই দ্বীনি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানটি। আমাদের দেশে উচ্চ মাধ্যমিক ও মাধ্যমিক শিক্ষার প্রসার ঘটলে একদিকে যেমন দক্ষ জনশক্তি থ্কাছে অপর দিকে শিক্ষা লাভ করে শিক্ষিত বেকারের বেকারত্ব দূরীকরণ সম্ভব হবে। বর্তমান মহাজোট সরকার শিক্ষাকে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকায় রেখে বাংলাদেশের প্রত্যেকটি স্কুল, কলেজ ও মাদ্রাসায় পড়–য়া ছাত্র-ছাত্রীদের মাঝে বিনামূল্যে বই বিতরন সহ বিনা খরচে পড়াশুনার প্রক্রিয়া হাতে নিয়েছে। এছাড়াও এস, এস,সি পরীক্ষাকে ঘিরে প্রত্যেকটি স্কুল মাদ্রাসায় শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে বোর্ড নির্ধারিত ফি ব্যতীত অতিরিক্ত টাকা নিয়ে ফরম পূরণে সম্পূর্ন নিষোধাজ্ঞা জারী করেছেন। মাদ্রাসার সুপার মোঃ সাইয়েদ মনির হোসেন এর সঙ্গে একান্ত আলাপ চারিতায় তিনি জানান, ১৯৭৭ সালে প্রতিষ্ঠিত এই মাদ্রাসাটিতে বর্তমান ছাত্র-ছাত্রীর সংখ্যা ৭৫০ জন। এমপিও ভুক্ত শিক্ষক রয়েছেন ১৩ জন, কর্মচারী রয়েছে ৩ জন। মাদ্রাসাটির জন্ম লগ্ন থেকেই প্রত্যেক শিক্ষকের হ্নদয় নিংড়ানো ঘামের উৎস্বর্গে শিক্ষার্থীর মাঝে শিক্ষার আলো ছড়িয়ে যাচ্ছে। মাদ্রাসার উন্নয়ন নিয়ে শিক্ষার্থীদের অভিবাবক এর সঙ্গে আলাপ চারিতায় তারা জানান, যেভাবে অক্লান্ত পরিশ্রমের মাধ্যমে ছাত্র-ছাত্রীদের পড়াশুনা চালাচ্ছেন তাতে করে মাদ্রাসাটির ব্যাপক উন্নয়ন হওয়া দরকার। কমলনগর উপজেলায় যে কয়টি মাদ্রাসা রয়েছে, তন্মেধ্যে এই মাদ্রাসাটি অতি সুনামের সহিত রয়েছে বলে জানান এলাকাবাসী। মাদ্রাসাটির উন্নয়ন তুলে ধরে সুপার জানান, অত্র মাত্রাসাটিতে প্রত্যেক ছাত্রÑছাত্রীদের জন্য পৃথক স্যানিটেশনের ব্যবস্থা, অবকাঠামোগত উন্নয়ন, মানসম্মত শিক্ষক দ্বারা শ্রেণী কক্ষে পাঠদানের ব্যবস্থা, প্রতি বছর ০১(একটি) মা-সমাবেশ সহ ০৩ (তিনটি) অভিবাবক সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়। শিক্ষার্থীদের পড়াশুনা মান উন্নয়নে অভিবাবকদের সচেতন করার লক্ষ্যে পি,টি,এ কমিটির সক্রিয় কার্যক্রমের ফলে ইভটিজিংসহ সকল অনৈতিক কর্মকান্ড নিষিদ্ধ করন সহ পরিপূর্ণ শিক্ষক বান্ধব পরিবেশ সৃষ্টি করা হয়েছে। এছাড়া ও এখানকার শিক্ষক সুবিধা কমলনগরের যে কোন মাদ্রাসার তুলনায় অনেক বেশি। এব্যাপারে মাদ্রাসাটির প্রতিষ্ঠাতা সদস্য প্রাক্তন মেম্বার মোঃ নুরুল ইসলাম জানান, মাদ্রাসাটিতে শতভাগ শিক্ষার আলো ছড়িয়ে মানব সম্পদ তৈরিতে আমরা বদ্ধ পরিকর। মাদ্রাসাটির উন্নয়ন নিয়েও আমাদের বিন্দু মাত্র কার্পণ্য নেই।
অভিজ্ঞ মহলের ধারনা, সরকার মাদ্রাসাটির দিকে সজাগ দৃষ্ঠি রাখলে উন্নয়ন সহ প্রত্যেক ছাত্র-ছাত্রী জে, এস, সি ও এস , এস, সি পরীক্ষায় সেরা শিক্ষার্থী হিসাবে বিবেচিত হবে।
