পাবনার ফরিদপুরে ডাক্তারের ব্যবস্থাপনা ছাড়াই ঔষধ বিক্রি
ফরিদপুর(পাবনা) প্রতিনিধিঃ ফরিদপুরের উপজেলার সর্বত্রই ডাক্তারের ব্যবস্থাপত্র ছাড়াই বিভিন্ন ধরণের ঔষধের দোকানে অবাধে ঔষধ বিক্রি করা হচ্ছে। অনেক ক্ষেত্রে বিভিন্ন শক্তিশালী এন্টিবায়োটিকসহ মেয়াদউর্ত্তীর্ণ ঔষধ বিক্রির অভিযোগ পাওয়া গেছে। সরকারী নিয়ম অনুসারে ডাক্তারের ব্যবস্থাপত্র ছাড়া যে কোনো ঔষধ বিক্রি সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ হলেও এ উপজেলার সকল ফার্মেসী মালিকেরা তা মানছে না। বিভিন্ন ঔষধের দোকান ঘুরে দেখা গেছে শতকরা ৮০ভাগ ঔষধ ডাক্তারের ব্যবস্থাপত্র ছাড়া বিক্রি হচ্ছে। এ ক্ষেত্রে সামান্য জ্বরে আক্রান্ত রোগীর কাছে থেকে মুখে শুনেই বিভিন্ন এন্টিবায়োটিক দেওয়া হচ্ছে। এর মধ্যে রয়েছে সিপ্রফ্রোক্সিন ৫০০মি.লি ও এমোক্সোসিলিন ৫০০মি.লি ঔষধসহ মেয়াদ উর্ত্তীর্ণ বিভিন্ন ঔষধ বিক্রি করতে দেখা গেছে। এ ব্যপারে ফার্মেসী মালিকরা বলেন মূলতঃ ডাক্তারের ফী ও ব্যবস্থাপত্রের নির্দেশিত পরীক্ষার খরচ বাঁচাতেই রোগীরা ডাক্তারের পরামর্শ ছাড়াই ঔষধ কিনছেন। নি¤œ আয়ের মানুষের মধ্যে এ প্রবণতা বেশী বলেও তারা জানান। এ ব্যপারে উপজেলা স্বাস্থ্য ও পঃপঃ কর্মকর্মা ডাঃ দেওয়ান নাজমুল হক জানান, ডাক্তারের ব্যবস্থাপত্র ছাড়া ঔষধ সেবন শরীরের নানা প্রক্রিয়াসহ মুত্যুর আশঙ্কা রয়েছে। বিশেষ করে এ্যজমা ও ডায়াবেটিক সহ গুরুতর রোগে আক্রান্ত রোগীরা বিভিন্ন পার্শ্ব-প্রতিক্রিয়ার স্বীকার হন। ব্যবস্থাপত্র ছাড়া ও মেয়াদউর্ত্তীর্ণ ঔষধ বিক্রির তদারকির বিষয়টি ড্রাগ প্রশাসনের। এক্ষেত্রে তাদের কোন কিছু করার নেই বলে তিনি জানান। তবে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ভ্রাম্যমান আদালত বসিয়ে দোকান মালিকদের জরিমানা আদায় করতে পারেন।আর এ ব্যবস্থা যদি স্থানীয় প্রশাসন নেন তাহলে এরূপ প্রবণতা কমতে থাকবে বলে স্থানীয় অভিজ্ঞ মহল ধারণা করছেন।
