বটিয়াঘাটায় এমপি আমির এজাজ খানের পূজামণ্ডপ পরিদর্শন, ‘সন্ত্রাসী ও মাদক ব্যবসায়ীদের কোনো ছাড় নেই, সে যে দলেরই হোক’
সেখ রাসেল, বিভাগীয় ব্যুরো চিফ, খুলনা।
খুলনা-১ (দাকোপ-বটিয়াঘাটা) আসনের সংসদ সদস্য আলহাজ্ব আমির এজাজ খান বলেছেন, “এলাকায় সন্ত্রাসী ও মাদক ব্যবসায়ীদের কোনো ছাড় দেওয়া হবে না। তারা যে দলেরই হোক, আইনের আওতায় আনতে হবে।”
রোববার (১৮ অক্টোবর) শারদীয় দুর্গোৎসব উপলক্ষে খুলনার বটিয়াঘাটা উপজেলার জলমা, বটিয়াঘাটা সদর, গঙ্গারামপুর ও সুরখালী ইউনিয়নের বিভিন্ন পূজামণ্ডপ পরিদর্শনকালে তিনি এসব কথা বলেন।
সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি ও শান্তিপূর্ণ সহাবস্থানের ওপর গুরুত্বারোপ:
পূজামণ্ডপ পরিদর্শনকালে সংসদ সদস্য পূজার সার্বিক আয়োজন, পরিবেশ ও নিরাপত্তাব্যবস্থার খোঁজখবর নেন। এ সময় তিনি সনাতন ধর্মাবলম্বীদের সঙ্গে শুভেচ্ছা বিনিময় করেন এবং শারদীয় দুর্গোৎসবের আনন্দ সবার মাঝে ছড়িয়ে পড়ার প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন।
আমির এজাজ খান বলেন, ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে সব মানুষের শান্তিপূর্ণ সহাবস্থান নিশ্চিত করতে হবে। দুর্গাপূজাকে কেন্দ্র করে সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি, পারস্পরিক শ্রদ্ধাবোধ ও ভ্রাতৃত্বের বন্ধন আরও সুদৃঢ় করতে সবাইকে দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করতে হবে।
তিনি আরও বলেন, উৎসবকে ঘিরে কোনো ধরনের অপ্রীতিকর ঘটনা যাতে না ঘটে, সে জন্য আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীসহ সংশ্লিষ্ট সবাইকে সতর্ক থাকতে হবে। শান্তিপূর্ণ ও নির্বিঘ্নে পূজা উদযাপনে সবার সহযোগিতা কামনা করেন তিনি।
পরিদর্শনে রাজনৈতিক ও প্রশাসনিক ব্যক্তিবর্গ:
এ সময় উপস্থিত ছিলেন বটিয়াঘাটা থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মেহেদী হাসান, বটিয়াঘাটা উপজেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি এমডি খায়রুল ইসলাম খান জনি, উপজেলা যুবদলের সদস্যসচিব মো. বাহাদুর মুন্সি, খুলনা জেলা ছাত্রদলের সদস্যসচিব ইসমাইল হোসেন খান, ছাত্রনেতা বায়েজিদসহ বিএনপি ও এর অঙ্গ-সহযোগী সংগঠনের বিপুলসংখ্যক নেতাকর্মী।
সংসদ সদস্যের এ পরিদর্শনকে ঘিরে পূজামণ্ডপের আয়োজক ও স্থানীয় নেতাকর্মীদের মধ্যে উৎসাহ-উদ্দীপনা দেখা যায়। এ সময় আয়োজকেরা পূজার প্রস্তুতি ও সার্বিক পরিস্থিতি তুলে ধরেন।
সম্প্রীতির বন্ধনে উৎসবমুখর বটিয়াঘাটা:
শারদীয় দুর্গোৎসবকে কেন্দ্র করে বটিয়াঘাটার বিভিন্ন পূজামণ্ডপে উৎসবমুখর পরিবেশ বিরাজ করছে। স্থানীয়দের প্রত্যাশা, পারস্পরিক সহযোগিতা, সহনশীলতা ও সম্প্রীতির মধ্য দিয়ে দুর্গোৎসব নির্বিঘ্নে সম্পন্ন হবে এবং সব ধর্মের মানুষের মধ্যে সৌহার্দ্যের বন্ধন আরও সুদৃঢ় হবে।
বার্তা একটাই—দলীয় পরিচয় নয়, অপরাধের বিচার হোক আইনের পথে; উৎসব হোক সম্প্রীতি ও নিরাপত্তার।

