বটিয়াঘাটা স্বাস্থ্য কেন্দ্র তদন্তে স্বজন প্রীতি অনিয়ম ও ফার্মেসী বিভাগের বিরুদ্ধে অভিযোগ নিয়ে চলছে সমালোচনা

সেখ রাসেল, বিভাগীয় ব্যুরো চিফ, খুলনা:
খুলনা বটিয়াঘাটা স্বাস্থ্য কেন্দ্র তদন্তে দায়িত্বপ্রাপ্ত অত্র কমপ্লেক্স এর কর্মকর্তা ডাঃ ওহিদুজ্জামান ও আহবায়ক জুনিয়ার কনসালটেন্ট ডাঃ ফরহাদুল ইসলামের বিরুদ্ধে স্বজন প্রীতির অভিযোগ ও ফার্মেসীর অনিয়ম নিয়ে বইছে সমালাচনার ঝড়।

উপজেলার হেতালবুনিয়া গ্রামের সাবিনা(মায়া) খুলনা জেলা সিভিল সার্জন বরাবর এবং খুলনা বিভাগীয় স্বাস্থ্য পরিচালককে অভিযোগের অনুলিপি প্রদান করেছেন| অভিযোগ পত্রে সাবিনা উল্লেখ করেছেন, তার মা ভেন্নাবুনিয়া নিবাসী গুরুদাসী মন্ডল অসুস্থ্য হয়ে পড়লে ২৯/০৩/২৬ তারিখে বটিয়াঘাটা স্বাস্থ্য কেন্দ্রে ভর্তি করি| পরীক্ষা করে তার ডায়েবেটিকস ধরা পড়ে| তাকে তিনবার ইনস্যুলিন দেবার ব্যবস্থা নেয়া হয়| কিন্তু নার্স সরমা বৈরাগী আমার মায়ের ডায়েবেটিকস নিয়মিত পরীক্ষা না করে ইনস্যুলিন প্রয়োগ করতে থাকায় তার অবস্থা ভীষন খারাপ হয়ে পড়ে| আমি মাকে নিয়ে খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যাই| ভুল চিকিৎসার কারনে আমার মার মরণাপন্ন অবস্থায় পৌছায়| আমি নার্স সরমা বৈরাগীর বিরুদ্ধে অভিযোগ পেশ করি| অভিযোগের প্রক্ষিতে স্বাস্থ্য কেন্দ্রের দায়িত্বরত কর্মকর্তারা আমাকে ০৯/০৪/২৬ তারিখে তদন্ত কমিটির সামনে হাজির থাকার নোটিশ দেয়| নোটিশ পেয়ে হাজিরা দেই| হাজিরা বোর্ডে আমাকে ও আমার মাকে বাদে আমার পক্ষে অন্যকাউকে থাকার সুযোগ দেয়া হয় না| অন্য দিকে নার্স সরমার পক্ষে হাসপাতালের সব নার্সকে থাকার সুযোগ দেয়া হয়| এর পর থেকে আমাকে জানান হয়, তদন্ত রিপোর্ট ঢাকায় পাঠান হয়েছে| কিন্তু সম্প্রতি আমি জানতে পেরেছি রিপোর্ট কোথাও পাঠান হয়নি| এ প্রতারণার বিরুদ্ধে আমি খুলনা সিভিল সার্জন সহ উর্দ্ধতন কর্তৃপক্ষের কাছে নার্স সরমার শাস্তির দাবী জানাচ্ছি| সরমার বিরুদ্ধে আরও বহু রোগীর খারাপ আচরণের অভিযোগ রয়েছে|

এছাড়াও স্বাস্থ্য কেন্দ্রের ফার্মেসীতে অধিকাংশ ওষুধ থাকে না এমনকি রাতে স্বাস্থ্য কেন্দ্রের ফার্মেসী বন্ধ থাকে। ফলে বাইরের ফার্মেসী থেকে ওষুধ কিনেত হয়। অভিযোগ রয়েছে বাইরের ফার্মেসীর সাথে বটিয়াঘাটা স্বাস্থ্য কেন্দ্রের চিকিৎসক ও ওষুধ কোম্পানির রিপ্রেজেনটিভ দের আতাত রয়েছে। তারা প্রত্যেকে এর ভাগ পায়। এলাকাবাসীর দাবী বটিয়াঘাটা স্বাস্থ্য কেন্দ্র ফার্মেসী থেকে রাতে ওষুধ এবং গুরুত্বপূর্ণ ওষুধের ব্যবস্থা থাকে তার ব্যবস্থাদানে সরকারের প্রতি এলাকাবাসীর দাবি।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *