মোরেলগঞ্জে দীর্ঘদিনের জলাবদ্ধতার ভোগান্তি লাঘবে মানবিক উদ্যোগ গুরুত্বপূর্ণ রাস্তা সংস্কারে নিজস্ব অর্থায়নে এগিয়ে এলেন বিএনপি নেতা আসাদুজ্জামান মিলন
এস. এম. সাইফুল ইসলাম কবির, বাগেরহাট জেলা প্রতিনিধি:
বাগেরহাটের মোরেলগঞ্জ পৌরসভার গুরুত্বপূর্ণ জনপদ নব্বইরশি বাসস্ট্যান্ড সংলগ্ন বালুর রাস্তাটি দীর্ঘদিন ধরে স্থানীয় মানুষের দুর্ভোগের অন্যতম কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। সামান্য বৃষ্টিতেই রাস্তাজুড়ে সৃষ্টি হয় হাঁটুসমান জলাবদ্ধতা। ফলে পথচারী, শিক্ষার্থী, ব্যবসায়ীসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষের চলাচল হয়ে পড়ে দুর্বিষহ। বর্ষা মৌসুমে সড়কটির অবস্থা এমন হয় যে, সেটি যেন একটি ছোট খালে পরিণত হয়। ভ্যান বা অন্যান্য যানবাহনের সহায়তা ছাড়া অনেক সময় পায়ে হেঁটে চলাচল করাও প্রায় অসম্ভব হয়ে পড়ে।
প্রতিদিন শত শত মানুষ এই সড়ক ব্যবহার করলেও বছরের পর বছর সমস্যাটির কোনো স্থায়ী সমাধান না হওয়ায় স্থানীয়দের মধ্যে ক্ষোভ ও হতাশা বিরাজ করছিল। বিশেষ করে ভারী বর্ষণে জলাবদ্ধতা চরম আকার ধারণ করলে জনদুর্ভোগও বেড়ে যায় কয়েকগুণ।
এমন বাস্তবতায় দীর্ঘদিনের এই ভোগান্তি লাঘবে মানবিক উদ্যোগ নিয়ে এগিয়ে এসেছেন বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) মোরেলগঞ্জ পৌর শাখার সাধারণ সম্পাদক আসাদুজ্জামান মিলন। স্থানীয় জনগণের কষ্টের কথা বিবেচনা করে তিনি নিজস্ব অর্থায়নে রাস্তাটির সংস্কার ও জলাবদ্ধতা নিরসনের উদ্যোগ গ্রহণ করেছেন।
এলাকাবাসী জানান, জনপ্রতিনিধি ও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি আকর্ষণ করা হলেও দীর্ঘদিন কোনো কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া হয়নি। এতে তারা একপ্রকার হতাশ হয়ে পড়েছিলেন। তবে আসাদুজ্জামান মিলনের এই উদ্যোগে নতুন করে আশার আলো দেখছেন তারা।
স্থানীয় বাসিন্দারা বলেন, “বছরের পর বছর আমরা এই দুর্ভোগ সহ্য করে আসছি। সামান্য বৃষ্টি হলেই রাস্তায় পানি জমে যায়। স্কুল-কলেজের শিক্ষার্থী, ব্যবসায়ী ও সাধারণ মানুষ সবাইকে চরম দুর্ভোগ পোহাতে হয়। এখন যদি সড়কটি সংস্কার হয়, তাহলে হাজারো মানুষের চলাচল সহজ হবে।”
এ বিষয়ে বিএনপি নেতা আসাদুজ্জামান মিলন বলেন,
“মানুষের দুর্ভোগ দেখে নির্লিপ্ত থাকা যায় না। এলাকার মানুষের কষ্ট লাঘবের জন্য নিজের সামর্থ্য অনুযায়ী এই উদ্যোগ নিয়েছি। ভবিষ্যতেও এলাকার উন্নয়ন ও জনকল্যাণমূলক কর্মকাণ্ডে পাশে থাকার চেষ্টা অব্যাহত থাকবে।”
স্থানীয়দের প্রত্যাশা, এই উদ্যোগের মাধ্যমে শুধু সাময়িকভাবে নয়, বরং দীর্ঘদিনের জলাবদ্ধতা সমস্যার স্থায়ী সমাধানের পথ তৈরি হবে। পাশাপাশি নব্বইরশি বাসস্ট্যান্ড এলাকার হাজারো মানুষ স্বস্তি ও নিরাপদে চলাচলের সুযোগ পাবেন। তাদের মতে, জনস্বার্থে এ ধরনের উদ্যোগ অন্যদের জন্যও অনুকরণীয় দৃষ্টান্ত হয়ে থাকবে।

