শৈলকুপায় নিখোঁজের দেড়মাস পরে উদ্ধার হলো স্কুল শিক্ষার্থী সীঁথি রাণী বিশ্বাস, তবে আসামিদের ধরতে পারেনি মামলার তদন্ত কর্মকর্তা এস আই শামিম ইসলাম

মশিউর রহমান ঃ
শৈলকুপা উপজেলার আবাইপুর ইউনিয়নের বাঘিনী গ্রামের সাধু রজত বিশ্বাসের ছোট মেয়ে একমাসের উপরে নিখোঁজ ছিল।
পরিবারের পক্ষ থেকেঅভিযোগ ছিল একই গ্রামের সুজন বিশ্বাস নামে একটি ছেলে বাথরুমে যাবার পথে তাকে অপহরণ করে।
এরপর শুরু হয় নানা নাটকীয়তা। টানা দেড়মাস পার হয়ে গেলেও মেয়ের পরিবার তার কোন খোঁজ পায়নি। নিখোঁজ মেয়ের শোকে পরিবারটি একদমই এলোমেলো হয়ে যায়। রান্না খাওয়া বন্ধ হয়ে যায় পথে পথে ঘুরতে থাকে।
সবশেষে কোন উপায়ান্তর না পেয়ে মেয়েটির পরিবার পক্ষ থেকে তার বাবা ১৫/০৪/২৬/ ঝিনাইদহ জজ কোর্টে নারী শিশু আদালতে ৪ জনকে আসামি করে একটি অপহরণ মামলা করে।
এ ব্যাপারে স্থানীয় ও জাতীয় দৈনিক পত্রিকা ও ফেসবুক এবং অনলাইনে বিষয়টি ভাইরাল হয়। এরপরে পুলিশের শুরু হয় তৎপরতা। কিন্তু
মামলার আগে থেকেই অপরাধীরা কোন ধরনের মোবাইল ফোন ব্যাবহার ও যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন করে দেয়।
তারপরেও পুলিশ তৎপর থাকে অপরাধীদের সনাক্ত করার চেষ্টা করে। মামলার তদন্ত দায়িত্ব দেওয়া হয় স্থানীয় হাটফাজিলপুর পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ, শামীম ইসলামকে। তিনি আসামীদের ধরার জন্য বিভিন্ন জায়গায় অভিযান পরিচালনা করে। মাঝখানে কেটে যায় কয়েকদিন।
অবশেষে শৈলকুপা থানার অফিসার ইনচার্জ,
হুমায়ুন কবির মোল্লার শরণাপন্ন হোন মেয়ের বাবা। ওসির নির্দেশনায় মাঠে নামে পুলিশ। সবশেষে পুলিশ মেয়েটিকে ১০/০৫/২৬ রবিবার সকালে উদ্ধার করে জিম্মায় নেনে।
পরবর্তীতে আইনি প্রক্রিয়া শেষ করে পরিবারের নিকট হস্তান্তর করা হবে বলে প্রাথমিকভাবে জানা যায়।
মেয়েটি উদ্ধার হওয়ার কারণে পরিবারটি এখন অনেকটা স্বস্তি বোধ করছে।
তবে এঘটনায় কোন আসামিকে আটক করতে পারছে কিনা মামলা তদন্ত কর্মকর্তা শামীম ইসলাম বলেন,১০/০৫/২৬/ তারিখে সকাল ৮ টার সময মেয়েকে আসামির বাড়ি থেকে উদ্ধার করি কিন্তু কাউকে গ্রেফতার করতে পারিনি।
আমি ভিকটিম উদ্ধার করে আদালতে পাঠিয়েছি। আপনারা অন্যভাবে নিবেন না আসামিদের ধরার চেষ্টা করা হচ্ছে।
এদিকে অভিযুক্ত চারজন আসামির কাউকে গ্রেফতার করতে না পারায় ভুক্তভোগী পরিবার ও স্থানীয়দের মাঝে সন্দেহর দানা বেধেছে মামলার তদন্ত কর্মকর্তা সাব ইন্সপেক্টর শামীম ইসলামের দিকে।
এ বিষয়ে বাঘিনী গ্রামের রথিন বিশ্বাস বলেন,এতোদিন একটা আসামিকে পুলিশ ধরতে পারলো না আজ কিভাবে মেয়ে ছেলের বাড়ি থেকে উদ্ধার হলো?
এমন আজগুবি গল্প মানুষ বিশ্বাস করে এখন।
পুলিশের সাথে আসামিপক্ষের যোগাযোগ হয়ে মেয়ে দিয়েছে তারা। আমরা দ্রুত আসামিদের গ্রেপ্তার চাই।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *