ইরানে যুদ্ধ শুরু করার ক্ষমতা আপনাকে কে দিয়েছে, আরব আমিরাতের শীর্ষ ব্যবসায়ী বিলিয়নিয়ার খালাফ আহমেদ আল হাবতুর

আন্তর্জাতিক ডেস্ক সংবাদ:
ইরানের সঙ্গে যুদ্ধে যাওয়ার সমালোচনা করে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পকে খোলা চিঠি দিয়েছেন সংযুক্ত আরব আমিরাতের শীর্ষ ব্যবসায়ী বিলিয়নিয়ার খালাফ আহমেদ আল হাবতুর। চিঠিতে তিনি ট্রাম্পের কাছে জানতে চান, পুরো মধ্যপ্রাচ্যকে ইরানের সঙ্গে যুদ্ধে জড়িয়ে ফেলার ক্ষমতা তিনি কোথায় পেয়েছেন।

হাবতুর ট্রাম্পের কাছে জানতে চান, কোন ভিত্তিতে তিনি এই বিপজ্জনক সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। হাবতুর বলেন, ‘আপনি (ট্রাম্প) কি ট্রিগার চাপানোর আগে ক্ষয়ক্ষতির হিসাব করেছিলেন? এবং আপনি কি ভেবেছিলেন যে এই উত্তেজনার ফলে প্রথমে এই অঞ্চলের দেশগুলোই ক্ষতিগ্রস্ত হবে!’ ইরানের শিরাজে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরাইলের হামলায় নিহত ২০ইরানের শিরাজে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরাইলের হামলায় নিহত ২০

এই চিঠি সংযুক্ত আরব আমিরাতে ভিন্নমতের একটি বিরল প্রকাশ। পাশাপাশি এটি এই অঞ্চলে ক্রমবর্ধমান অস্থিরতাকেও প্রতিফলিত করে। হাবতুর আরো বলেন, ‘এই অঞ্চলের জনগণেরও জানতে চাওয়ার অধিকার আছে: এটা কি আপনার একার সিদ্ধান্ত, নাকি নেতানিয়াহু ও তার সরকারের চাপের ফলে এমন সিদ্ধান্ত?’

তিনি ইরানে হামলার সমালোচনা করে বলেন, মার্কিন প্রেসিডেন্ট উপসাগরীয় সহযোগিতা পরিষদ এবং আরব দেশগুলোকে এমন একটি বিপদের কেন্দ্রবিন্দুতে টেনে এনেছেন, যা তারা নিজেরা বেছে নেয়নি। ইরান যুদ্ধে প্রথম ১০০ ঘণ্টায় যুক্তরাষ্ট্রের ব্যয় ৩৭০ কোটি ডলারইরান যুদ্ধে প্রথম ১০০ ঘণ্টায় যুক্তরাষ্ট্রের ব্যয় ৩৭০ কোটি ডলার

হাবতুর চিঠিতে লেখেন, ‘আল্লাহকে ধন্যবাদ, আমরা শক্তিশালী এবং নিজেদের রক্ষা করতে সক্ষম। আমাদের সেনাবাহিনী ও প্রতিরক্ষাব্যবস্থা রয়েছে, যা আমাদের মাতৃভূমিকে রক্ষা করে। কিন্তু প্রশ্ন হলো: আমাদের অঞ্চলকে যুদ্ধক্ষেত্রে পরিণত করার অনুমতি কে দিয়েছে?’ ট্রাম্পের শান্তি পরিষদের কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘শান্তি ও স্থিতিশীলতার নামে যে উদ্যোগ নেওয়া হয়েছিল, তার কালি শুকানোর আগেই আমরা নিজেদের যুদ্ধের মুখোমুখি হতে দেখছি, যা পুরো অঞ্চলকে বিপন্ন করে তুলেছে।’ শান্তি স্থাপনের সেই উদ্যোগগুলোর বর্তমান অবস্থা সম্পর্কেও জানতে চান হাবতুর।

ইসরাইলের প্রধান বিমানবন্দর বেন গুরিয়নে ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালানো হয়েছে। শুক্রবার রাজধানী তেল আবিবের দক্ষিণ-পূর্বে অবস্থিত এই বিমানবন্দরে ক্ষেপণাস্ত্র আঘাত হানে। হামলা সম্পর্কে এখন পর্যন্ত কোনো মন্তব্য করেনি ইসরাইলি সেনাবাহিনী।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *