সবাই ফ্যামিলি কার্ডের আওতায় আসবে : ডা. জাহিদ

সেখ রাসেল, দপ্তর সম্পাদক:
সমাজকল্যাণমন্ত্রী ডা. এজেডএম জাহিদ হোসেন বলেছেন, তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন বলেছেন, স্বজনপ্রীতি পরিহার করে স্বচ্ছতার সঙ্গে ফ্যামিলি কার্ড বিতরণ করতে হবে। এতে প্রকৃত সুবিধাভোগীরা সরকারি সহায়তা পাবেন। ফ্যামিলি কার্ড নিয়ে ফেইক নিউজ করে অনেকে মানুষকে বিভ্রান্ত করার চেষ্টা করছে। সেটা প্রতিরোধ করতে হবে। কীভাবে তা কমিয়ে আনা যায় সেজন্য কাজ করতে হবে। মানুষকে আশ্বস্ত করা যে, ফ্যামিলি কার্ড এটা আমাদের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের অগ্রাধিকার প্রকল্প, সবাই এর আওতায় আসবে।
তিনি বলেন, প্রতিটি ইউনিয়নে সুবিধাভোগী নির্বাচনের ক্ষেত্রে চেয়ারম্যান ও দু’জন সমাজসেবকের সমন্বয়ে উপজেলা নির্বাহী অফিসারের নেতৃত্বে টিম গঠন করা হবে। এর মাধ্যমে উপকারভোগীদের যথার্থতা যাচাই করে সম্পূর্ণ দলীয়প্রভাবমুক্ত থেকে এবং স্বচ্ছতার সঙ্গে ফ্যামিলি কার্ড বিতরণ করা যাবে।
শুক্রবার ( ২৭ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে নবাবগঞ্জ উপজেলা পরিষদ সভা কক্ষে নবাবগঞ্জ, বিরামপুর, ঘোড়াঘাট এবং হাকিমপুর চার উপজেলার সরকারি কর্মকর্তাদের সাথে মতবিনিময় সভা শেষে তিনি এসব কথা বলেন।

ডা. জাহিদ বলেন, আগামী ১০ মার্চ প্রধানমন্ত্রী ফ্যামিলি কার্ডের উদ্বোধন করবেন। সেটা যাতে সঠিকভাবে করা যায় সে লক্ষ্যে কাজ করার জন্য কর্মকর্তাদের সাথে আলোচনা হয়েছে। কোনো ধরনের দুর্নীতি যাতে কাউকে স্পর্শ না করে সে ব্যাপারে সবাইকে সচেতন থাকতে হবে। বর্তমান সরকার ও প্রশাসনের সাথে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা-কর্মচারীরা কোনো দুর্নীতিতে লিপ্ত হবেন না।

পরিসংখ্যান ব্যুরোর কাজের নির্ভুলতা নিশ্চিতের ওপর জোর দিয়ে মন্ত্রী বলেন, একটি রাষ্ট্র কতটা সভ্যতা ও প্রাতিষ্ঠানিক চরিত্র অর্জন করেছে সেটা নির্ভর করে সঠিক পরিসংখ্যানের ওপর। এক্ষেত্রে নিখুঁত তথ্য সংগ্রহ, তথ্যের সংরক্ষণ এবং দ্রুত তথ্য সরবরাহ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

জহির উদ্দিন স্বপন বলেন, আধুনিক সিদ্ধান্ত গ্রহণের ক্ষেত্রে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ হল ডাটাবেস সিস্টেম। সঠিক ডাটাবেস সিস্টেম না থাকলে সঠিক সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা সম্ভব নয়।

বরিশালের স্বাস্থ্যসেবাকে আধুনিকীকরণের বিষয়ে গুরুত্বারোপ দিয়ে তথ্যমন্ত্রী বলেন, বরিশাল দক্ষিণ বাংলার রাজধানী হওয়া সত্ত্বেও উন্নত চিকিৎসার অভাব রয়েছে।

তিনি বলেন, গুরুতর অসুস্থ রোগীদের সুচিকিৎসার জন্য ঢাকা নেওয়া কষ্টসাধ্য এবং সাধারণ মানুষের জন্য ব্যয়বহুল। এই সংকট নিরসনে শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালকে আধুনিক সুযোগ-সুবিধাসম্পন্ন হাসপাতালে রূপান্তর করা এখন সময়ের দাবি।

বরিশালে একটি বিশেষায়িত ট্রমা সেন্টার স্থাপন করাও জরুরি হয়ে পড়েছে বলেও মন্তব্য করেন মন্ত্রী। মতবিনিময় সভায় জেলা প্রশাসক মো. খায়রুল আলম সুমনের সভাপতিত্বে বিশেষ অতিথির বক্তব্য দেন পুলিশ সুপার ফারজানা ইসলাম। সভায় সরকারি বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তা ও গণমাধ্যমকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *