চাঁদার নামে চাঁদাবাজি বন্ধের আহবান, সড়ক পরিবহণমন্ত্রী
সেখ রাসেল, দপ্তর সম্পাদক:
চাঁদাবাজি নেই-আমি এ কথা কিন্তু বলিনি। আমি বলেছি-একটা হলো চাঁদা, আর একটা হলো চাঁদাবাজি। চাঁদা হলো-স্বেচ্ছায় এবং চাঁদাবাজি হলো জোরপূর্বক। আমি তো চাঁদাবাজিকে সমর্থন করিনি বা করছিও না-সড়ক পরিবহণমন্ত্রী।
বাস, ট্রাক, সিএনজি অটোরিকশা, ব্যাটারিচালিত রিকশা ও টেম্পো-লেগুনা থেকে দৈনিক প্রায় শতকোটি টাকা চাঁদা আদায় করা হচ্ছে। যার বেশির ভাগ চাঁদাবাজি। সোজা কথা, ভয়ভীতি দেখিয়ে ইচ্ছার বিরুদ্ধে চাঁদা আদায়। সড়ক পরিবহণ মালিক সমিতি, শ্রমিক সংগঠন, আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্য এবং রাজনৈতিক নেতাকর্মী এসব চাঁদা আদায়ে যুক্ত। রাজধানীসহ সারা দেশে প্রায় ৩ হাজার স্পট থেকে প্রতিদিন এভাবে চাঁদা আদায় করা হয়। সারা দেশ থেকে বিভিন্ন নির্ভরযোগ্য সূত্রে এসব তথ্য জানা গেছে।
এ প্রসঙ্গে জানতে চাইলে সড়ক পরিবহণ, সেতু, রেল ও নৌপরিবহণমন্ত্রী শেখ রবিউল আলম শনিবার গণমাধ্যমকে বলেন, ‘চাঁদাবাজি নেই-আমি একথা কিন্তু বলিনি। আমি বলেছি-একটা হলো চাঁদা, আর একটা হলো চাঁদাবাজি। চাঁদা হলো-স্বেচ্ছায় এবং চাঁদাবাজি হলো জোরপূর্বক। আমি তো চাঁদাবাজিকে সমর্থন করিনি বা করছিও না।’ এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ‘চাঁদাবাজি একটা ফৌজদারি অপরাধ। এ বিষয়ে ব্যবস্থা নেবে পুলিশ বা স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়। আমার মন্ত্রণালয়ের অধীনে ব্যবস্থা নেওয়ার সুযোগ নেই।’ তিনি জানান, ‘প্রয়োজনে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়, সমবায় মন্ত্রণালয় এবং আমার মন্ত্রণালয়ে মিলে এ বিষয়ে তদন্ত কমিটি গঠন করা যেতে পারে।’

