বেনাপোল, খুলনা মংলা ট্রেনের “দিগরাজ” স্টেশনটি চালু ও যাত্রীদের শুক্রবার জুম্মার নামাজের সময়ের দাবি
সেখ রাসেল, বিভাগীয় ব্যুরো চিফ, খুলনা।
খুলনা মহোম্মদনগর রেল স্টেশন থেকে মোংলা স্টেশনে ভ্রমনের উদ্দেশ্যে আজ শুক্রবার সকাল ১১.৩০ টায় ৭০/-টাকায় ২টি টিকিট কেটে যথারিতী সময়ে রওনা হয়।
ট্রেন ভ্রমনের উদ্দেশ্যে রওনা হয় আমাদের বিভাগীয় প্রতিনিধি সেখ রাসেল ও তার পরিবার নিয়ে। সাধারণত ট্রেন যাত্রাটি খুবই আরাম দায়ক হয়ে থাকে। যে বগীতে বসে গেছে বগীর নম্বর ছিলো ৫২০৯। ঐ বগীর ১০৭ জন বসার ব্যবস্থা আছে। সিট নম্বর ছিলো W-26, C-21, ঐ বগীর তত্ববধায়নে ছিলেন H & M Trading Corporation এর সম্ভবত দেবদাস দাস। তার আলাপ ব্যবহারে খুবই ভালো লাগলো। কথা হয় তার সাথে বেশ কয়েক জনের। তাদের মধ্যে একটি পরিবার তারাও ঘুরতে ট্রেন ভম্রনের উদ্দেশ্যে বেরিয়েছে। তারা নামবে “দিগরাজ” স্টেশনে। কিন্তু স্টেশনটি চালু না থাকায় তাদেরকে যেতে হবে মোংলা পর্যন্ত। সেখান থেকে ফিরতে হবে দিগরাজ। তারা সহ ঐ বগীতে থাকা আরও প্রায় ১৬/১৭ জনের একই অবস্থা।
এর পূর্বে কথা হচ্ছিল, শহীদুল নামের এক ব্যক্তির, বয়স-৭৪, যশোর মনিরামপুর ১৬ নং নেহালপুর গ্রাম থেকে এসে যশোর নওয়াপাড়া স্টেশন থেকে উঠেছে, তার গন্তব্যস্থল যোদিও দিগরাজ স্টেশন কিন্তু স্টেশনটি খোলা না থাকায় তিনিও নামবেন মোংলা। তিনিও জানান “দিগরাজ” স্টেশনটি খুলে দিলে বহুল জনপদ এলাকার মানুষকে কষ্ট করে মোংলা স্টেশনে যেতে হতো না।
শহীদুল সাহেব সহ আরোও অনেকে একটি জোর দাবি জানান, বর্তমানে তাদের স্বল্প ব্যায়ে কম সময়ে নিরাপদে যাওয়া আসার প্রধান যানবহন ট্রেন। কিন্তু দুঃখের বিষয় মোংলা থেকে শুক্রবার ট্রেন ছাড়ে ১২.৩০ টায়, ট্রেনে জুম্মার নামাজ পড়ার ব্যবস্থা না থাকায় কিছুক্ষনের জন্য থামানো উচিত জুম্মার নামাজ আদায় করা যায় এমন একটি গন্তব্য স্থলে। যে কর্তৃপক্ষের নিকট জোর আবেদন জানান। ট্রেন ভ্রমন করে ঐ ট্রেনেই ফিরে আসেন আমাদের খুলনা বিভাগীয় ব্যুরো চিফ, সেখ রাসেল। তিনিও জুম্মার নামাজ মিস করেন।
আজ রমজান মাসের প্রথম জুম্মার দিন হওয়া সত্তেও অনেকে জুম্মার নামাজ মিস করেছেন। মুসলিমদের পবিত্র একটি দিন শুক্রবার। যার প্রধান আকর্ষন জুম্মার নামাজ।

