পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী হিসেবে লায়ন ডক্টর শেখ ফরিদুল ইসলাম,বাগেরহাটবাসী আনন্দিত

এস. এম. সাইফুল ইসলাম কবির

বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) চেয়ারম্যান তারেক রহমান–এর নেতৃত্বাধীন নতুন মন্ত্রিসভায় প্রতিমন্ত্রী হিসেবে ডাক পেয়েছেন বাগেরহাট-৩ আসনের সংসদ সদস্য লায়ন ডক্টর শেখ ফরিদুল ইসলাম। মঙ্গলবার দুপুরে প্রকাশিত প্রতিমন্ত্রীদের তালিকায় ১৭ নম্বরে পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বে তাঁর নাম অন্তর্ভুক্ত করা হয়।বিকেলে অনুষ্ঠিত হবে মন্ত্রিসভায় শপথ নিয়েছেন।

লায়ন ডক্টর শেখ ফরিদুল ইসলাম একজন সুপরিচিত রাজনীতিবিদ ও পরিবেশবিদ। ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে তিনি বাগেরহাট-৩ (রামপাল-মোংলা) আসন থেকে বিপুল ভোটে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন। রামপাল উপজেলার বাঁশতলী ইউনিয়নের বড়দিয়া গ্রামের সম্ভ্রান্ত মুসলিম পরিবারে জন্ম নেওয়া এই নেতা বাগেরহাট জেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক হিসেবেও দায়িত্ব পালন করছেন। পাশাপাশি তিনি পরিবেশবাদী সংগঠন সেভ দ্যা সুন্দরবন ফাউন্ডেশন–এর চেয়ারম্যান হিসেবে সুন্দরবন রক্ষায় দীর্ঘদিন ধরে সক্রিয় ভূমিকা রেখে আসছেন।পরিবেশবিদ লায়ন ডক্টর শেখ ফরিদুল ইসলাম রামপাল উপজেলার বাঁশতলী ইউনিয়নের বড়দিয়া গ্রামে সম্ভ্রান্ত মুসলিম পরিবারে জন্ম নেন। সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ে দায়িত্ব পেলে রামপাল-মোংলার অবকাঠামো, শিল্পায়ন ও সুন্দরবনের সম্পদ ব্যবস্থাপনায় নতুন দিগন্ত উন্মোচিত হবে বলে মনে করছেন স্থানীয়রা।এ নির্বাচনে ১ লাখ ২ হাজার ১৯৩ ভোট পেয়ে জয়ী হয়েছেন বিএনপি মনোনীত ধানের শীষের প্রার্থী ড. শেখ ফরিদুল ইসলাম। তার নিকটতম প্রার্থী জামায়াতের এ্যাড. শেখ আব্দুল ওয়াদুদ পেয়েছেন ৮২ হাজার ৮৭৭ ভোট। অর্থাৎ বিএনপি প্রার্থী শেখ ফরিদুল ইসলাম ১৯ হাজার ৩১৬ ভোটের ব্যবধানে জয়ী হয়েছেন। দীর্ঘ সময় পর বিএনপির এই ভুমিধ্বস বিজয়ে দলীয় নেতাকর্মী, সমর্থক ও স্থানীয়রা উচ্ছ্বাস প্রকাশ করেছেন।

রাজনীতির পাশাপাশি পরিবেশ সংরক্ষণে তাঁর ভূমিকা স্থানীয় ও জাতীয় পর্যায়ে প্রশংসিত হয়েছে। বিশেষ করে সুন্দরবন ও উপকূলীয় এলাকার পরিবেশগত ভারসাম্য রক্ষায় নানা কর্মসূচি গ্রহণের মাধ্যমে তিনি সচেতনতা সৃষ্টি করেছেন।

নির্বাচনের পর থেকেই বাগেরহাটবাসী তাঁকে মন্ত্রিপরিষদের সদস্য হিসেবে দেখার প্রত্যাশা ব্যক্ত করে আসছিলেন। অবশেষে প্রতিমন্ত্রী হিসেবে তাঁর নাম ঘোষণার পর জেলায় আনন্দের আবহ বিরাজ করছে। দলীয় নেতাকর্মী ও সাধারণ মানুষ আশা করছেন, পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব পেলে তিনি উপকূলীয় অঞ্চলের পরিবেশ সুরক্ষা, জলবায়ু ঝুঁকি মোকাবিলা এবং টেকসই উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবেন।

স্থানীয়দের প্রত্যাশা— তাঁর নেতৃত্বে পরিবেশ রক্ষা ও উন্নয়ন কার্যক্রম নতুন গতি পাবে এবং সুন্দরবনসহ উপকূলীয় এলাকার জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণে কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া হবে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *