নির্বাচনে জামায়াতের সাথে ব্যাপক ম্যাকানিজম হয়েছে, প্রয়োজনে রাজপথে নামার কথা জানালেন, ডাঃ শফিকুর রহমান

স্টাফ রিপোটার:
‘নির্বাচনে কিছু আসনে ভয়াবহ অনিয়ম হয়েছে। ভোটের অধিকার কেড়ে নেয়া হয়েছে। এখনো নানা ধরনের অপচেষ্টা চলছে। এছাড়া বিভিন্নস্থানে হামলা, ভাঙচুর, আগুন দেয়া সহ হত্যা করা হচ্ছে।
নির্বাচনে ফলাফল ঘোষণায় ব্যাপক ম্যাকানিজম করা হয়েছে বলে অভিযোগ করে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা: শফিকুর রহমান বলেছেন, নির্বাচনে কিছু আসনে ভয়াবহ অনিয়ম হয়েছে। ভোটের অধিকার কেড়ে নেয়া হয়েছে। তিনি বলেন, আমাদের উদারতাকে দুর্বলতা ভাববেন না । আমরা প্রতিশোধ চাই না, কিন্তু প্রতিকার পাওয়ার অধিকার আমাদের আছে।
ডা. শফিকুর রহমান বলেন, গণভোটে যারা ‘হ্যাঁ’ ভোট দিয়েছেন, আমাদের যারা ভোট দিয়েছেন, আমরা আগেও আপনাদের সঙ্গে ছিলাম ৷ আজকে থেকে আরো শক্তভাবে আপনাদের সঙ্গে থাকব। যদি বাধ্য করা হয় তাহলে রাজপথেও নামব । যেসব আসনে কারসাজি করা হয়েছে, যাদের অধিকার জোর করে কেড়ে নেওয়া হয়েছে, আমাদের সিদ্ধান্ত হচ্ছে তারা প্রতিকার চাইবেন । সুনির্দিষ্ট সময়ের ভেতরে যদি প্রতিকার না পাই তাহলে আমরা বাধ্য হবো। আমরা আশা করব নির্বাচন কমিশনের শুভ বুদ্ধির উদয় হবে এবং তারা ন্যায়-ইনসাফ করবেন। না করলে দায় তাদের নিতে হবে।
গতকাল শুক্রবার বিকাল ৫টা থেকে রাত ১০টা পর্যন্ত মগবাজারের দলীয় কার্যালয়ে জামায়াতের কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদ ও ১১ দলীয় জোটের শীর্ষ নেতাদের সঙ্গে বৈঠকের পর ব্রিফিংয়ে ডা. শফিকুর রহমান এসব কথা বলেন । এ সময় উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের আমির আল্লামা মামুনুল হক, জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম, জাগপা মুখপাত্র রাশেদ প্রধান, জামায়াতের নায়েবে আমির অধ্যাপক মুজিবুর রহমান, সেক্রেটারি মিয়া গোলাম পরওয়ার, জামায়াতের সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল।
ডাঃ শফিকুর রহমান বলেন, বিভিন্ন জায়গায় ১১ দলীয় নির্বাচনি ঐক্যের কর্মী-সমর্থক, ভোটারসহ বিভিন জায়গায় বাড়িতে বাড়িতে হামলা হচ্ছে। পিটিয়ে হত্যা করা হয়েছে। ব্যাক্তির ওপর হামলা হচ্ছে, বাড়িতে আগুন ধরিয়ে দেওয়া হচ্ছে । এটা তে ফাসিবাদী তৎপরতা । যে ফ্যাসিবাদের ধ্বংসস্তূপের ওপর ২০২৬-এর নির্বাচন হলো। সেই নির্বাচনের ধরনের ফ্যাসিবাদী তৎপরতা আমরা দেখি-তাহলে এটা জাতির জন্য খুবই দুঃখজনক। ফ্যাসিবাদ আবারও দেখ দিলে দুর্ভাগ্য। যদি আবারও ফ্যাসিবাদ ফিরে আসে তাহলে আামরা ছাড় দেব না । ডা. শফিকুর রহমান বলেন, এর সম্পূর্ণ দায় তাদের নিতে হবে, যারা এ ধরনের অপকর্মে লিপ্ত হবে। তারা যদি ইতিবাচক ধারার রাজনীতি না চান, তাহলে আমরা জোর করে ইতিবাচক রাজনীতি করতে পারব।

নির্বাচনে যারা যেভাবেই পেয়ে থাকুক, এ ব্যাপারে আমাদের যথেষ্ট আপত্তি আছে । দায় মূলত তাদেরকেই নিতে হবে । দেশের শান্তি- শৃঙ্খলা রক্ষণ কর হবে, যদি তারা সরকার গঠন করেন. এটা তাদের দায়িত কিন্তু এখন এগুলো কীসের আলামত? এখন এগুলো বন্ধ করতে হবে। এখনই যদি বন্ধ করা না হয়, আামরা বাধ্য হবো যে কোনো সিদ্ধান্ত নিতে। তিনি বলেন, আপনারা লক্ষ্য করেছেন নির্বাচনি ফলাফল যখন সম্প্রচার করা হয়, তখन বেশকিছু জায়গায় হঠাৎ করে ফলাফল বন্ধ দুই ঘণ্টা, চার ঘণ্টা লাপাত্তা। কেউ হাজার হাজার ভোটে এগিয়ে থাকলেও শেষের দিকে গিয়ে তাকে হারিয়ে দেওয়া হয়েছে।

ज. শফিকুর রহমান বলেন, আমাদের কাছে ডকুমেন্ট অহে বিভিন জায়গায় রেজাল্ট শিটের পরিবর্তন হয়েছে। কিছু কিছু আসনে দ্বৈতনীতি করা হয়েছে। এ সময় নাসীদীन পাটওয়ারী মামুনুল হকের আাসনের কথা উল্লেখ করে তিি বলেন, নাসীরুদ্দীन পাটওয়ারীর আসনের ব্যাপারে সবাই জানেন, সেখানে কী হয়েছে। সেন্টার দখল করে যা হয়েছে দেশবাসী ও বিশ্ববাসী তার সাক্ষী নাসীরুদীন পাটওয়ারীর আসনে যে কারণে একজন প্রার্থীর পক্ষের ব্যালট গ্রহন করা হয়েছে ঠিক বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের আমির আল্লামা মামুনুল হকের আসনে পকে ব্যালট অহन করা হয়নি। এক 676 की पूই আইন চলবে? নির্বাচন কমিশন কি একেক জায়গায়-একেক আইনের প্রয়োগ করবে? এটা এবन বড় প্রশ্ন । আমাদের সেক্রেটারি জেনারেলসহ বেশকিছু আসনে এমন করা হয়েছে।
এনসিপির আহবায়ক নাহিদ ইসলাম বলেন, নির্বাচনে ভোটের পরিবেশ ঠিক থাকলেও ফলাফলে সুস্পষ্ট কারচুপি করা হয়েছে ।
স্পেসিফিক কয়েকটি আসন টার্গেট করে ফলাফল পরিবর্তন করে দেওয়া হয়েছে । কেন্দ্র দখল করে সেই কেন্দ্রে প্রশাসনকে ব্যবহার করে ফলাফল পরিবর্তন করা হয়েছে।
ভোট গণনার পর থেকেই নির্বাচনে কারচুপি করা শুরু হয়। এটা জুলাই চেতনার সাথে অশ্রদ্ধা। আমরা এর সাথে কম্প্রমাইজ করব না। অনিয়মের বিরুদ্ধে ইসিতে আবেদন করবে ১১ দলীয় জোট নির্বাচনে অনিয়মের বিরুদ্ধে ১১ দলীয় জোটের প্রার্থীরা কাল নির্বাচন কমিশনে (ইসি) আবেদন বলে জানিয়েছেন জামায়াতে ইসলামীর আমির । তিনি জানানা অনিয়মের বিষয়ে নিজ নিজ আসন থেকে কাল ১১ দলীয় জোটের প্রার্থীরা আবেদন করবেন । সিমিত সময়ের মধ্যে নির্বাচন কমিশন প্রতিকার না করলে এ বিষয়ে আামরা রাজপথে নামতে বাধ্য হবো।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *