৭৫ জনবিএনপি নেতা-কর্মী আনুষ্ঠানিকভাবে জামায়াতে যোগদান ‘দুর্নীতিতে দেশকে চ্যাম্পিয়ন ও খাম্বা চুরি করে পালানো শক্তিই জামায়াতের শান্তিপূর্ণ প্রচারণায় হামলা চালাচ্ছে’ — ভিপি রিয়াজুল ইসলাম
এস. এম. সাইফুল ইসলাম কবির, বাগেরহাট জেলা প্রতিনিধি :
বাগেরহাটের মোরেলগঞ্জে জনসমুদ্রে রূপ নিল জামায়াতের ঐতিহাসিক জনসভা ৭৫ জনবিএনপি নেতা-কর্মী আনুষ্ঠানিকভাবে জামায়াতে যোগদান।দেশকে দুর্নীতিতে চ্যাম্পিয়ন করা, ব্যাংক লুট এবং ‘খাম্বা চুরি করে পালিয়ে যাওয়া’ একটি রাজনৈতিক শক্তিই বর্তমানে জামায়াতে ইসলামীর শান্তিপূর্ণ নির্বাচনী ক্যাম্পেইনে হামলা চালাচ্ছে—এমন অভিযোগ করেছেন জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিপি রিয়াজুল ইসলাম।
শনিবার (৭ ফেব্রুয়ারি) সকালে বাগেরহাট-৪ (মোরেলগঞ্জ–শরণখোলা) আসনে জামায়াতে ইসলামীর আয়োজিত এক নির্বাচনী জনসভায় প্রধান বক্তার বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। জনসভাটি অনুষ্ঠিত হয় মোরেলগঞ্জ উপজেলা সদরস্থ আব্দুল আজিজ মেমোরিয়াল হাইস্কুল মাঠে।
ভিপি রিয়াজুল ইসলাম বলেন,
“একটি দল বিগত সময় দেশজুড়ে ব্যাংক লুট করেছে, দুর্নীতির মাধ্যমে বাংলাদেশকে বিশ্বে চ্যাম্পিয়ন বানিয়েছে। খাম্বা চুরি করে পিছনের রাস্তা দিয়ে কালুরুষের মতো পালিয়ে গিয়েছিল। আজ তারাই আমাদের শান্তিপূর্ণ নির্বাচনী ক্যাম্পেইনে হামলা চালাচ্ছে এবং আমাদের মা-বোনদের ওপর আঘাত করছে।”
তিনি আরও বলেন,
“মোরেলগঞ্জ ও শরণখোলায় যদি আমাদের মা-বোনদের ওপর কাপুরুষচিত হামলা চালানো হয়, তাহলে জনগণকে সঙ্গে নিয়ে আমরা এর সমুচিত জবাব দিতে জানি। তবে আমরা বিশ্বাস করি শান্তিপূর্ণ ও গণতান্ত্রিক আন্দোলনে।”
নির্বাচনকে প্রশ্নবিদ্ধ করতে একটি মহল পরিকল্পিতভাবে ভয়ভীতি ও সন্ত্রাস সৃষ্টি করছে বলেও অভিযোগ করেন তিনি। ভিপি রিয়াজুলের ভাষায়,
“জনগণের বিপুল সাড়া দেখে তারা ভয় পেয়েছে। তাই লাঠিসোঁটা নিয়ে হামলার পথ বেছে নিয়েছে। কিন্তু এসব করে জনগণের রায় ঠেকানো যাবে না।”
জনসভায় সভাপতিত্ব করেন মোরেলগঞ্জ উপজেলা জামায়াতে ইসলামীর আমির মাওলানা শাহাদাৎ হোসাইন। সভায় বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন জামায়াতে ইসলামী মনোনীত প্রার্থী অধ্যক্ষ আব্দুল আলিমসহ দলটির স্থানীয় ও জেলা পর্যায়ের শীর্ষ নেতারা।
বক্তারা বলেন, সৎ, যোগ্য ও আল্লাহভীরু নেতৃত্ব প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে বাগেরহাট-৪ আসনকে দুর্নীতি, সন্ত্রাস ও দুঃশাসনমুক্ত করা হবে। তারা দাবি করেন, জনগণ এবার পরিবর্তনের পক্ষে ঐক্যবদ্ধ হয়েছে এবং সেই পরিবর্তনের প্রতীক জামায়াতে ইসলামী।
এদিকে জনসভায় উল্লেখযোগ্য রাজনৈতিক অগ্রগতির চিত্রও দেখা যায়। উপজেলার দুটি ইউনিয়ন থেকে বিএনপি ও এর অঙ্গসংগঠনের ৭৫ জন নেতা-কর্মী আনুষ্ঠানিকভাবে জামায়াতে ইসলামীতে যোগদান করেন। নতুন যোগদানকারীরা বলেন, আদর্শিক রাজনীতি, ন্যায়ভিত্তিক সমাজ গঠন এবং দেশকে সুশাসনের পথে ফেরাতে তারা জামায়াতে ইসলীর সঙ্গে যুক্ত হয়েছেন।
জনসভা ঘিরে এলাকায় উৎসবমুখর পরিবেশের পাশাপাশি ছিল ব্যাপক জনসমাগম, যা আসন্ন নির্বাচনে বাগেরহাট-৪ আসনে রাজনৈতিক উত্তাপ আরও বাড়িয়ে তুলেছে। দেশকে দুর্নীতিতে চ্যাম্পিয়ান করা এবং ব্যাংক লুট করে খাম্বা চুরি করে পালিয়ে যাওয়া একটি শক্তিই এখন জামায়াতে ইসলামীর নির্বাচনী ক্যাম্পেইনে হামলা চালাচ্ছে বলে অভিযোগ করেছেন জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিপি রিয়াজুল ইসলাম।
শনিবার (৭ ফেব্রুয়ারি) সকালে বাগেরহাট-৪ (মোরেলগঞ্জ-শরণখোলা) আসনে জামায়াতে ইসলামীর আয়োজিত এক নির্বাচনী জনসভায় তিনি এসব কথা বলেন।
ভিপি রিয়াজুল ইসলাম বলেন, “একটি দল বিগত সময় ব্যাংক লুট করেছে, দেশকে দুর্নীতিতে চ্যাম্পিয়ান বানিয়েছে। খাম্বা চুরি করে পিছনের রাস্তা দিয়ে কালুরুষের মতো পালিয়ে গিয়েছিল। আজ তারাই আমাদের শান্তিপূর্ণ নির্বাচনী ক্যাম্পেইনে হামলা চালাচ্ছে এবং মা-বোনদের ওপর আঘাত করছে।”
তিনি আরও বলেন, “মোরেলগঞ্জ ও শরণখোলায় যদি আমাদের মা-বোনদের ওপর কাপুরুষচিত হামলা চালানো হয়, তাহলে জনগণকে সঙ্গে নিয়ে আমরা এর সমুচিত জবাব দিতে জানি। তবে আমরা বিশ্বাস করি শান্তিপূর্ণ ও গণতান্ত্রিক আন্দোলনে।”
ভিপি রিয়াজুল অভিযোগ করেন, নির্বাচনকে প্রশ্নবিদ্ধ করতে একটি মহল পরিকল্পিতভাবে ভয়ভীতি ও সন্ত্রাস সৃষ্টি করছে। তিনি বলেন, “জনগণের সাড়া দেখে তারা ভয় পেয়েছে। তাই লাঠিসোঁটা নিয়ে হামলার পথ বেছে নিয়েছে। কিন্তু এসব করে জনগণের রায় ঠেকানো যাবে না।”
জনসভায় সভাপতিত্ব করেন মোরেলগঞ্জ উপজেলা জামায়াতে ইসলামীর আমির মাওলানা শাহাদাৎ হোসাইন। সভাস্থল ছিল উপজেলা সদর আব্দুল আজিজ মেমোরিয়াল হাইস্কুল মাঠ।
সভায় আরও বক্তব্য রাখেন জামায়াতে ইসলামী মনোনেত প্রার্থী অধ্যক্ষ আব্দুল আলিমসহ জামায়াতে ইসলামীর স্থানীয় ও জেলা পর্যায়ের নেতারা। বক্তারা বলেন, সৎ ও যোগ্য নেতৃত্ব প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে বাগেরহাট-৪ আসনকে দুর্নীতি ও সন্ত্রাসমুক্ত করা হবে।
জনসভায় উপজেরা দুইটি ইউনিয়ন থেকে বিএনপি ও এর অঙ্গ সংগঠনের ৭৫ জন নেতা-কর্মী আনুষ্ঠানিকভাবে জামায়াতে ইসলামীতে যোগদান করেন। এ সময় নতুন যোগদানকারীরা বলেন, আদর্শিক রাজনীতি ও ন্যায়ভিত্তিক সমাজ গঠনের লক্ষ্যে তারা জামায়াতে ইসলামীতে যুক্ত হয়েছেন।

