জনগনের সেবায় প্রশংসিত ভূমি সহকারী কর্মকর্তা।
মোঃ হেলাল উদ্দিন সরকার। স্টাফ রিপোর্টার। ময়মনসিংহ জেলার তারাকান্দা উপজেলার বিসকা ইউনিয়নের জনসাধারণের ভূমি সেবায় ব্যাপক প্রশংসা পোড়াচ্ছেন ইউনিয়ন ভূমি সহকারী কর্মকর্তা আলিয়া ফেরদৌস। খাজনা আদায় নামজারী ভূমি সংক্রান্ত বিভিন্ন আবেদন ও পরামর্শে দ্রুত স্বচ্ছ ও হয়রানীমূলক সেবা পেয়ে সন্তুষ্টি প্রকাশ করেছেন সেব আগ্রহীতারা। স্থানীয় ভূমি অফিসে সরাসরি গিয়ে দেখা গেছে নিয়মিত সময় মেনে দায়িত্ব পালন করছেন ভূমি সহকারী কর্মকর্তা রত্না। সেবা প্রত্যাশীদের সঙ্গে বিনয়ী আচরণ সমস্যার সহজ ব্যাখা প্রদান এবং প্রয়োজনীয় কাগজ পত্র যাচাই করে দ্রুত নিশ পত্তি তার কাজে অন্যতম বৈশিষ্ট্য। এতে করে এলাকার জনসাধারণ যেমন উপকারিত হচ্ছেন তেমনি ভূমি অফিস নিয়ে দীর্ঘ দিনের ভোগান্তিও অনেকটাই কমেছে। সেবা নিতে আসা মানিক মিয়া বলেন অতীতে নামজারি ও খাজনা সংক্রান্ত কাজে দীর্ঘ সময় হয়রানির শিকার হতে হতো কিন্তু বর্তমানে আলিয়া ফেরদৌস দায়িত্ব শীলতা ও আন্তরিকতায় অল্প সময়ে সঠিক সেবা পাওয়া যাচ্ছে। কোনো প্রকাশ ঘোষ, দূর্নীতি, লেনদেন ছাড়াই সরকারী নিয়ম মেনে কাগজ সম্পূর্ণ হচ্ছে বলে জানান তারা। এ বিষয়ে ভূমি সহকারী কর্মকর্তা বলেন আমাদের এসিল্যান্ড স্যারের দিক নির্দেশে জনগণের দোরগোড়ায় সেবা পৌঁছিয়ে দেওয়ায় আমাদের মূল লক্ষ্য। তিনি আরো বলেন ভূমি সেবা মানুষের মৌলিক অধিকার। নাগরিকদের হয়রানি কমিয়ে সহজ ও স্বচ্ছ সেবা দেওয়ায় আমার মূল লক্ষ। সরকারের নির্দেশনা মেনেই এলাকার জনসাধারণকে সহযোগিতা করার চেষ্টা করি। স্হানীয় বাসিন্দা আঃ কুদ্দুস মনে করেন এই ধরনের সৎ কর্মকর্তাই ভূমি ব্যবস্থাপনায় আস্থা ফিরিয়ে আনতে পারেন। বিসকা ইউনিয়নের সহকারী ভূমি কর্মকর্তা তারই একটি ইতিবাচক উদাহরণ। ভূমি অফিসে আসা সেবা প্রত্যাশীরা জানান কোনো প্রকার হয়রানী ছাড়াই প্রয়োজনীয় কাগজ সম্পূর্ণ হচ্ছে। নিয়ম অনুযায়ী আবেদন গ্রহণ ও নিশ পত্তির ফলে সাধারণ মানুষের ভোগান্তি অনেকটাই কমে গেছে। অফিস সূত্রে জানা যায় নিয়মিত অফিস কার্যক্রম আবেদন নিশ পত্তিতে দুতাতা এবং সেবা গ্রহীতাদের সঙ্গে সৌহার্দপূর্ণ আচরণ তার কাজের মূল শক্তি। এতে ভূমি অফিসের দালাল নির্ভরতা অনেকটাই কমেছে।

