বিক্ষোভকারীরা ভেতরে এলো কিভাবে, দিল্লিকে প্রশ্ন পররাষ্ট্র উপদেষ্টা মোহাম্মদ তৌহিদ হোসেন। হাদির হত্যাকারী ফয়সালের অবস্থান বিষয়ে সুনির্দিষ্ট তথ্য নেই, পুলিশের অতিরিক্ত আইজিপি খন্দকার রফিকুল ইসলাম।
সেখ রাসেল, দপ্তর সম্পাদক: দিল্লিতে বাংলাদেশ হাইকমিশনে হামলার চেষ্টা নিয়ে ভারতের প্রেসনোট পুরোপুরি প্রত্যাখ্যান করেছে ঢাকা। রোববার পররাষ্ট্র উপদেষ্টা মোহাম্মদ তৌহিদ হোসেন এ কথা বলেন। পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে এ প্রতিক্রিয়া জানান তিনি। পররাষ্ট্র উপদেষ্টা বলেন, দিল্লিতে কূটনৈতিক এলাকার এত ভেতরে বিক্ষোভকারীরা কিভাবে এলো সেটাই বড় প্রশ্ন। এ সময় প্রয়োজনে ভারতে মিশন ছোট করার কথাও জানান তিনি।
এর আগে দিল্লিতে বাংলাদেশ হাই কমিশনের প্রেস মিনিস্টার মো. ফয়সাল মাহমুদকে উদ্ধৃত করে বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমের খবরে বলা হয়, শনিবার রাত সাড়ে ৮টা থেকে পৌনে ৯টা নাগাদ তিনটি গাড়িতে করে কিছু লোক এসে বাংলাদেশ ভবনের গেটে দাঁড়িয়ে কিছুক্ষণ চিৎকার করে। তিনি সাংবাদিকদের বলেন, বাংলা ও হিন্দি মিলিয়ে কিছু কথাবার্তা বলছে। হিন্দুদের নিরাপত্তা দিতে হবে; হাই কমিশনারকে ধরো। পরে তারা মেইন গেটের সামনে এসে কিছুক্ষণ চিৎকার করে। ওরা চিৎকার করে চলে গেছে। এতটুকুই আমি জানি। সেই খবরের ভিত্তিতে রবিবার সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাব দেন ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র রাণধীর জয়সওয়াল। মন্ত্রণালয় দিল্লিতে বাংলাদেশ হাই কমিশনের সামনে বিক্ষোভ নিয়ে সংবাদমাধ্যমে ‘বিভ্রান্তিকর প্রপাগান্ডা’ চালানোর অভিযোগ তোলে।
ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র শহীদ শরীফ ওসমান হাদির হত্যাকারী ফয়সালের অবস্থান বিষয়ে এখনো কোনো সুনির্দিষ্ট কোন তথ্য নেই বলে জানিয়েছেন পুলিশের অতিরিক্ত আইজিপি খন্দকার রফিকুল ইসলাম। রোববার সন্ধ্যায় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের কনফারেন্স রুমে ডেভিল হান্ট ফেইজ-২ ও দেশের সার্বিক আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অগ্রগতি বিষয়ে প্রেস ব্রিফিংয়ে তিনি এসব কথা জানান।
অতিরিক্ত আইজিপি বলেন, হত্যাকারী ফয়সাল যে দেশের বাইরে চলে গেছে, এমন নির্ভরযোগ্য তথ্য পাইনি। অনেক সময় অপরাধীদের অবস্থান নিয়ে বিভ্রান্তি ছড়ানো হয়। পুলিশের এই ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা বলেন, আমাদের বিভিন্ন অর্গান বিভিন্ন ইস্যুতে তদন্ত করছে। আমরা অনেক আলামত সংগ্রহ করেছি এবং এই হত্যার পরিকল্পনার সাথে জড়িত ১০ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে।

