খুলনার দাকোপে ত্রিমোহনী মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের দায়িত্বরত প্রধান শিক্ষক মোঃ কবির আহম্মদ ১৬ই ডিসেম্বর ২০২৫ অবহেলা করেছেন।

ভ্রাম্যমাণ প্রতিনিধি ঃ
খুলনার দাকোপে ত্রিমোহনী মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের দায়িত্বরত প্রধান শিক্ষক যথাযথ মর্যাদায় ১৬ই ডিসেম্বর ২০২৫ পালন করেন নি। সরেজমিনে বিদ্যালয় প্রাঙ্গণে উপস্থিত হয়ে দেখা যায় , ত্রিমোহনী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে জাতীয় পতাকা উড়ছে। প্রধান শিক্ষক বিশ্বজিত বৈদ্যকে দিবসটি পালন উপলক্ষে জানতে চাইলে বলেন,” আমি যথারীতি দিবসটি পালন করছি সরকারি নির্দেশ অনুযায়ী। পার্শ্ববর্তী মাধ্যমিক বিদ্যালয় সম্পর্কে জানতে চাইলে বলেন, আমি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকের সাথে যোগাযোগ করলে বলেন আমরা দশটায় অনুষ্ঠান করবো। কালী বালা গায়েন বলেন,” প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক বিশ্বজিত বৈদ্য দিবসটি যথাযোগ্য মর্যাদায় পালন করছে কিন্তু মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের কোন শিক্ষক ও শিক্ষার্থীরা উপস্থিত নেই। জাতীয় পতাকা ওঠেনি, বার পোষ্ট জাতীয় পতাকা বিহীন দাঁড়িয়ে আছে। আমি এমন দৃশ্য আশা করি না। বিষয়টা দুঃখজনক । নাম প্রকাশ না করার শর্তে কয়েকজন অভিভাবক বলেন, কবির সাহেব এখন নিজের ইচ্ছামত সকল কিছু করেন। চাকরি যাওয়ার ভয়ে কোন শিক্ষকই তার বিরোধিতা করে না।আর আমরাও ছেলে মেয়েদের ফেল করানোর ভয়ে মুখ খুলতে চাই না। ওনার নাকি দল ক্ষমতায় এই ভয় দেখায়। উনি যা করবে তাই হবে। সচেতন মহল বলেন,” কবির সাহেব আসার পর স্কুলে আর লেখাপড়া হচ্ছে না।জনরব আছে, বিষয় প্রতি একশ টাকা করে দিলে নাকি পাস করিয়ে দেওয়া হয়।তাই ছাত্র ছাত্রীদের লেখা পড়ায় অনিহা”। এমন অবস্থা চলতে থাকলে উঠতি বয়সী স্কুল পড়ুয়া ছাত্র ছাত্রীরা বিপথগামী হবে। বিভিন্ন সামাজিক দূর্নীতিতে জড়িয়ে পড়বে। আজ বুধবার ১৭/১২/২০২৫ তারিখ বিকাল চারটায় কবির আহম্মদ হরিনটানা দিয়া স্টোরের মালিক অধিতোষ মন্ডলের নিকট থেকে সাংবাদিক তাপস মহালদার এর মোবাইল নম্বর নিয়ে বলে আইন দেখিয়ে দেবো। সন্ধ্যা সাতটায় স্বাক্ষাতকার নেওয়া কালী বালা গায়েন এর ছেলে সৌমেন গায়েন বাজুয়া বাজার থেকে সাইকেল যোগে এসে চোখ রাঙিয়ে বলে, আমার মায়ের স্বাক্ষাতকার ছাড়লি কেন? অন্য মানুষ পাওনি ? কাল দেখিয়ে দেবো। আসলে এই দায়িত্বরত প্রধান শিক্ষক কবির আহম্মদ বিভিন্ন ভাবে নিজের দোষ এড়াতে বিভিন্ন লোক নিয়োগ করছে। সাংবাদিক তাপস মহালদারকে ভয়ভীতি দেখিয়ে মান সম্মান হানি করতে। বিষয়টা প্রশাসনের দৃষ্টি আকর্ষণ করা গেল। পরবর্তী ঘটনা জানতে চোখ রাখুন পত্রিকার পাতায়। (পর্ব দুই )

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *