কৃষকরা মান সম্মত বীজ সংগ্রহ করতে কৃষি দপ্তর দাকোপ উপজেলার তৎপরতা।

ভ্রাম্যমাণ প্রতিনীধিঃ খুলনার দাকোপ তরমুজ চাষে বিখ্যাত।এ অঞ্চলের তরমুজ মিষ্টি স্বাদযুক্ত। তাই এর চাহিদা অফুরন্ত। ব্যবসায়ীরা বিভিন্ন দেশ থেকে তরমুজের বীজ আমদানি করে কৃষকদের মাঝে দেয়। কোন কোন ক্ষেত্রে কিছু অসাধু ব্যবসায়ী চোরাইপথে নিম্নমানের বীজ সরবরাহ করে উৎপাদনে বিঘ্ন ঘটায়। সেই লক্ষ্যে দাকোপ উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কৃষিবিদ মোঃ শফিকুল ইসলাম উপ-সহকারী কৃষি কর্মকর্তাদের দিয়ে কৃষক ভাইদের উঠোন বৈঠকের মাধ্যমে সার,বিষ ও বীজের নির্দেশনা দিয়ে চলেছেন। উপ-সহকারী কৃষি কর্মকর্তারা কৃষকদের ভালো বীজ চেনার উপায়, সঠিক সার প্রয়োগ,বিষের মাত্রাসহ কৃষির বিভিন্ন বিষয়ে নির্দেশনা দিয়ে চলেছেন। তাতে কিছু কিছু কৃষক অভিজ্ঞ হয়ে উঠেছে আবার অনেক কৃষক অভিজ্ঞ হতে পারিনি। এ বিষয়ে কৃষি কর্মকর্তা মোঃ শফিকুল ইসলাম বলেন, ” কৃষক ভাইদের অনভিজ্ঞতা কৃষির মান কমিয়ে দিচ্ছে। অতিরিক্ত সার,বিষ প্রয়োগে জমির উর্বরতা শক্তি কমে যাচ্ছে একই সাথে ফল বড় হচ্ছে না। এটা কিছুতেই বেশিরভাগ কৃষক বুঝতে চায়না। ভালো বীজ সংগ্রহ করার বিষয়ে জানতে চাইলে বলেন, সরকারি রেজিস্ট্রেশন প্রাপ্ত কোম্পানি ও ডিলারদের নিকট থেকে বীজ সংগ্রহ করতে হবে। বীজ মেমোর মাধ্যমে ক্রয় করতে হবে। তবেই ভালো মান সম্মত বীজ পাওয়া সম্ভব। সারের প্রাপ্তি নিশ্চিত করতে তিনি বলেন,সার পর্যাপ্ত আছে। সার প্রাপ্তিতে অনিয়ম ও দুর্নীতির প্রমাণ পেলে অবশ্যই ব্যবস্থা নিবো। অবৈধ ও নিম্নমানের বীজে কৃষি কর্মকর্তা জিরো টলারেন্স জারি করেছেন। নিম্নমানের বীজ ব্যবসায়ী ও চোরাই বীজ ব্যবসায়ীদের বিরুদ্ধে অভিযান অব্যাহত আছে বলে তিনি জানান।সম্মানিত কৃষি কর্মকর্তা কৃষিবিদ মোঃ শফিকুল ইসলাম এর এই মহতী উদ্যোগকে দাকোপের কৃষককুল সাধুবাদ জানান। তারা বিশ্বাস করেন কৃষিদপ্তর দাকোপের অভিজ্ঞ কর্মকর্তাদের মহতী উদ্যোগে দাকোপ কৃষি বিপ্লব ঘটাতে সক্ষম হবে। দাকোপের কৃষককুল এই অভিজ্ঞ কর্মকর্তাদের সুনাম বৃদ্ধিসহ দীর্ঘায়ু কামনা করেন।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *