কাফনের কাপড় হাতে শপথ ‘১০ম গ্রেড ছাড়া ফিরবেন না শিক্ষকরা, আন্দোলনরত শিক্ষক নেতাদের সঙ্গে বসছে দুই মন্ত্রণালয়
অপরারধ তথ্যচিত্র ডেস্ক: তিন দফা দাবি আদায়ে কাফনের কাপড় হাতে দৃঢ় প্রতিশ্রুতিবদ্ধ হয়ে রাজধানীর কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে শপথ নিয়েছেন প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষকরা। রোববার (৯ নভেম্বর) বিকেল ৩টা ৪৫ মিনিটের কাফনের কাপড় হাতে শিক্ষকরা শপথ নেন—দশম গ্রেড এবং শতভাগ পদোন্নতি ছাড়া ফিরে যাবেন না।
শপথ শেষে শিক্ষক নেতা আনিসুর রহমান আনিস বলেন, একই যোগ্যতা নিয়ে বাংলাদেশের বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে দশম গ্রেড পাচ্ছে। কিন্তু আমরা পাচ্ছি ১৩তম গ্রেড। বিশ্ববিদ্যালয় গ্র্যাজুয়েট হয়েও আমাদের দিনমজুরের অর্ধেক বেতনে চাকরি করতে হয়। তিনি বলেন, যখন বেতন-ভাতা বৃদ্ধির আলোচনা আসে, তখন কোষাগারে টান পড়ে। অথচ দেশে শত কোটি টাকার দুর্নীতি হচ্ছে। এই শিক্ষক নেতা আরও বলেন, রাষ্ট্রের কাছে আমরা আমাদের ন্যায্য দাবি জানিয়েছি। কিন্তু গতকাল শাহবাগে আমাদের ওপর ন্যক্কারজনক হামলা হয়েছে। সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষকরা বর্তমানে জাতীয় বেতন স্কেলের ১৩তম গ্রেডে বেতন পান। ১০ম গ্রেডে করার দাবিতে তারা আন্দোলন করছেন। শিক্ষকদের অন্য দুই দাবি হলো—শতভাগ বিভাগীয় পদোন্নতি এবং চাকরির ১০ ও ১৬ বছর পূর্তিতে উচ্চতর গ্রেড দেওয়া।
শহীদ মিনারে আন্দোলনরত প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক নেতাদের সঙ্গে আলোচনায় বসছেন অর্থ মন্ত্রণালয় এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তারা। রোববার (৯ নভেম্বর) সন্ধ্যায় সচিবালয়ে শিক্ষক নেতাদের সঙ্গে দুই মন্ত্রণালয়ের আলোচনা হবে বলে বাংলানিউজকে জানিয়েছেন বাংলাদেশ প্রাথমিক বিদ্যালয় সহকারী শিক্ষক সমিতির সভাপতি মোহাম্মদ শামছুদ্দীন মাসুদ। এ দিন বিকেলে মুখে কালো কাপড়ে মুখ বেঁধে পুলিশি হামলার প্রতিবাদ জানিয়েছেন আন্দোলনরত প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষকরা। শহীদ মিনারে শিক্ষকদের অবস্থান কর্মসূচি এবং বিদ্যালয়ে কর্মবিরতি চলবে বলে জানিয়েছেন তারা।
এ সময় শিক্ষক নেতা শামসুদ্দিন মাসুদ বলেন, আজ ১১টি শিক্ষক সংগঠন আমাদের সঙ্গে একমত হয়েছে। আমরা সবার সঙ্গে আলাপ-আলোচনা করে পরে সিদ্ধান্ত নেব। এর আগে বিকেল পৌনে চারটার দিকে কাফনের কাপড় হাতে শিক্ষকরা শপথ নেন—দশম গ্রেড এবং শতভাগ পদোন্নতি ছাড়া ফিরে যাবেন না। শপথ শেষে শিক্ষক নেতা আনিসুর রহমান আনিস বলেন, একই যোগ্যতা নিয়ে বাংলাদেশের বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে দশম গ্রেড পাচ্ছে। কিন্তু আমরা পাচ্ছি ১৩তম গ্রেড। বিশ্ববিদ্যালয় গ্র্যাজুয়েট হয়েও আমাদের দিনমজুরের অর্ধেক বেতনে চাকরি করতে হয়। তিনি বলেন, যখন বেতন-ভাতা বৃদ্ধির আলোচনা আসে, তখন কোষাগারে টান পড়ে। অথচ দেশে শত কোটি টাকার দুর্নীতি হচ্ছে। রাষ্ট্রের কাছে আমরা আমাদের ন্যায্য দাবি জানিয়েছি। কিন্তু গতকাল শাহবাগে আমাদের ওপর ন্যক্কারজনক হামলা হয়েছে। সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষকরা বর্তমানে জাতীয় বেতন স্কেলের ১৩তম গ্রেডে বেতন পান। ১০ম গ্রেডে করার দাবিতে তারা আন্দোলন করছেন। শিক্ষকদের অন্য দুই দাবি হলো—শতভাগ বিভাগীয় পদোন্নতি এবং চাকরির ১০ ও ১৬ বছর পূর্তিতে উচ্চতর গ্রেড দেওয়া।

