বিগত ১৭, বছর ভোট দিতে পারিনি, আমরা যেকোনো পরিস্থিতিতে এ্যাডঃ এম এ মজিদ কে চাই

মোঃ সুরুজ -ঝিনাইদহ প্রতিনিধি: ঝিনাইদহ-২ আসন ঘিরে হয়ে উঠেছে বিএনপির নেতা কর্মী ও জনসাধারণ মধ্যে অস্থিরতা, বিএনপির তৃণমূলের নেতাকর্মীর অনেকেই বলেছে বিগত ১৭ বছর পর জাতীয় ভোট এসেছে, সেখানে যদি বিএনপি কে মনোনয়ন না দেয় তাহলে নিজের ইচ্ছে মতো ভোট দিতে পারলাম কই, আমাদের প্রিয় নেতা এ্যাডঃ এম এ মজিদ ছাড়া আমরা ১৭ বছর বিএনপিকে ভোট দিতে পারিনি এখন পারবোনা। আমরা যেকোনো পরিস্থিতিতে এ্যাডঃ এম এ মজিদ কে চাই।

সাম্প্রতিক জরিপ ও স্থানীয় গণমাধ্যম বিশ্লেষণে দেখা গেছে ঝিনাইদহ আসনে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল বিএনপির ১৯৭৯ থেকে শুরু ১৯৯১, ১৯৯৬, ২০০১ থেকে আজ পর্যন্ত বিএনপির ঘাঁটি হিসাবে আছে এবং ঝিনাইদহ ২, আসনে বিএনপির সম্ভাব্য প্রার্থীদের এ্যাডঃ এম এ খুবই জনপ্রিয়,

জাতীয়তাবাদী দল বিএনপি ২৩৭টি আসনে সম্ভাব্য প্রার্থীর তালিকা প্রকাশ করেছে। এর মধ্যে ঝিনাইদহ-২ আসনে কোনো প্রার্থীর নাম ঘোষণা না করায় তৃণমূলে নেতাকর্মীদের মাঝে ব্যাপক উদ্বেগ উৎকণ্ঠা বিরাজ করছে। গুঞ্জন উঠেছে, যুগপৎ আন্দোলনের শরিক দল গণঅধিকার পরিষদের সাধারণ সম্পাদক রাশেদ খানকে এ আসনটি ছাড় দেয়া হবে। ৩ নভেম্বর আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিএনপি দলীয় প্রার্থীদের নামের তালিকা প্রকাশ করার পর ঝিনাইদহে চায়ের দোকান, অফিস আদালত, রাস্তা, ঘাটে ব্যপক গুঞ্জন শুরু হয়েছে। তৃণমূলের নেতা কর্মীরা বলছেন, এই আসন মানেই এ্যাডঃ এম এ মজিদ । তিনি এ আসনে ধানের শীষের প্রতিক। আমরা তার নেতৃত্বে মামলা-হামলা সহ্য করে আন্দোলন করেছি। একজন ত্যাগী নেতাকে দলীয় মনোনয়ন না দিলে রাজনৈতিক ভাবে নেতাকর্মীদের মানসিক শক্তি হারিয়ে যায়। ত্যাগ ও আন্দোলনের মূল্যই যদি না থাকে, তাহলে রাজনীতি কাদের জন্য?”

বিএনপির অভ্যন্তরীণ এ সংকটে আওয়ামীলীগ, জামায়াত, স্বতন্ত্র বা ক্ষমতাসীন দল সুবিধা পাবে। জোট শরিকের মনোনয়নকে ইস্যু বানিয়ে একটা দলের প্রচারে নামবে তারা। এছাড়া আন্দোলনভিত্তিক ঐক্যের ভিত্তি দুর্বল হবে অর্থাৎ যুগপৎ আন্দোলনের নামে যদি বিএনপি মাঠের বাস্তবতা উপেক্ষা করে অসহযোগিতামূলক স্যাকরিফাইস করে তাহলে জেলার অন্য আসনে এর প্রভাব পড়বে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *