খুলনার বটিয়াঘাটা গল্লামারী মোড় হতে ময়লার স্তুপ অপসরণ: জনগণের বাহবা পেলেন ইউএনও
সেখ রাসেল, ব্যুরো চিফ, খুলনা: খুলনার বটিয়াঘাটা গল্লামারী মোড়ে অস্বাস্থ্যকর ময়লা আবর্জনার স্তুপের কারণে দূর্গন্ধ ও বিভিন্ন প্রকার জীবানু জন্ম নেয় বিধায় বটিয়াঘাটা উপজেলা নির্বাহী অফিসার হোসনে আরা তান্নির দিক নির্দেশনায় ১ নং জলমা ইউনিয়নের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান পার্থ রায় দায়িত্বপ্রাপ্ত হয়ে ময়লা আবর্জনা অপসারণ করা হয় ২৪ অক্টোবর/২০২৫ তারিখ।
বটিয়াঘাটা উপজেলার গল্লামারী বাজার সংলগ্ন রাস্তার পাশের ও বাজারের ময়লা আবর্জনা ফেলানোর নির্ধারিত পাত্র থাকা স্বত্তেও অসচেতনার অভাবে ও সঠিক ভাবে ব্যবহার না করার ফলে ময়লা আবর্জনা ছড়িয়ে ছিটেয়ে ফেলার কারণে পচে গলে প্রচুর দূর্গন্ধা ও অস্বাস্থ্যকর পরিবেশ সৃষ্টি হয়। যার ফলে দুর্ভোগ পোহাতে হতো ব্যাবসায়ী সহ পথ যাত্রীদের। সাধারণ পথ যাত্রীরা ভুগছিল বিভিন্ন রোগে। এটি একটি ব্যাস্ততম সড়ক হওয়ায় রাস্তার পাশে এমন ময়লা আবর্জনা যেমন যানবাহন চলাচলে বিপর্জয় হতো, তেমনি চলাচল রত মানুষেরও ভোগান্তি পোহাতে হতো। এসকল বিষয়ে বাজার কমিটির সাধারণ সম্পাদক ও বিভিন্ন পর্যায়ের নেতা কর্মীরা উপজেলা নির্বাহী অফিসার হোসনেয়ারা তান্নি কে জানানোর পর পরই এই ময়লা আবর্জনা অপসারণের জন্য ১ নং জলমা ইউনিয়নের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান কে নির্দেশ দেন। তারই দিক নির্দেশনায় শুক্রবার সকাল ৬টা হতে জলমা ইউনিয়নের ভার প্রাপ্ত চেয়ারম্যান পার্থ রায়, বটিয়াঘাটা উপজেলার বিভিন্ন নেতা কর্মীরা সহ অন্যন্য চৌকিদার গনের সহযোগিতায় সিটি কর্পোরেশনের কর্মকর্তারা ময়লা আবর্জনা সরিয়ে নিয়ে যান এবং জায়গাটিতে একটি স্বাস্থ্যকর পরিবেশ তৈরি করেন। এসময় বিএনপির সদস্য সচিব ও বাজার কমিটির সাধারণ সম্পাদক খন্দকার ফারুক হোসেন বলেন যথা সময়ে সিটি কর্পোরেশন ময়লাগুলো সরিয়ে নিলে এমন সমস্যার সম্মুখীন হতে হবে না। তারা যেন সময় মত ময়লা আবর্জনা নিয়ে যায়। তিনি আরো বলেন এই ময়লা আবর্জনা ফেলার জন্য খুলনা বিশ্ব বিদ্যালয়ের ছাত্র ছাত্রীদের সাথে আলাপ আলোচনা করে গল্লামারী সৃতিসৌধের সামনে বা পাশে ব্রীজের পাশে একটি জায়গা করে দিলে ময়লা আবর্জনার জন্য জনগনের আর ভোগান্তি পোহাতে হবে না ।সাথে সাথে রাস্তার পাস দিয়ে ড্রেন করে খালের সাথে সংযোগ করে দিলে পরিবেশ দূষন আরো কমবে।

