খুলনার বটিয়াঘাটা থানার ২ নং বটিয়াঘাটা ইউনিয়নের পারবটিয়াঘাটা গ্রামে দুই মোবাইল চোরকে হাতেনাতে আটক করে বটিয়াঘাটা পুলিশে সপর্দ
সেখ রাসেল, ব্যুরো চিফ, খুলনা: খুলনার বটিয়াঘাটা থানার ২ নং বটিয়াঘাটা ইউনিয়নের পারবটিয়াঘাটা গ্রামের পপি তরফদারের বসতবাড়ীর সামনে দুই মোবাইল চুরিকরে মটরসাইকেলে পালানোর সময় হাতেনাতে আটক করে বটিয়াঘাটা থানা পুলিশে সপর্দ। গতকাল ইং ২১/১০/২০২৫ তারিখ রাত অনুমান 9টার দিকে ঘটনাটি ঘটে। এবিষয়ে থানায় একটি মামলা দায়ের হয়েছে। মামলা নং-১১/২৫।
ছিনতাইকারীরা: ১। সজল (২০), পিতা- শাহাজান, সাং- চক্রাখালী মল্লিকের মোড়, ২। বিপ্লব রায় (২২), পিতা- বিকাশ রায়, সাং- কচুবুনিয়া, ৩। সুজন (২২), পিতা- অজ্ঞাত, সাং- ছয়ঘরিয়া, সর্বথানা- বটিয়াঘাটা, জেলা- খুলনা।
বটিয়াঘাটা থানা পুলিশ ও বাদী সুমনের সাথে কথা বলে জানা যায়, গত ইং ২১/১০/২০২৫ তারিখ রাত অনুমান ০৯.০০ ঘটিকার সময় বটিয়াঘাটা বটতলা মোড় থেকে নিজ বাড়ীতে যাওয়ার উদ্দেশ্যে পায়ে হেটে তার নিজ পকেটে থাকা একটি টাচ মোবাইল ফোন তার পকেট থেকে চুরি করে নিয়ে আসামীদের ব্যবহৃত মোটর সাইকেলে পালানোর চেষ্টাকালে সুমন চোর চোর বলে চিৎকার করিলে সে এবং স্থানীয় লোকজন মোটর সাইকেলটি আটক করে। আসামীদ্বয়কে জিজ্ঞাসাবাদ করিলে আসামী সুজন তার মোবাইল ফোনটি নিয়ে পালিয়ে যায় মর্মে তাহারা স্বীকার করে। আসামী সজল ও বিপ্লবদ্বয়ের ব্যবহৃত মোটর সাইকেল সহ ধরে বটিয়াঘাটা থানায় সংবাদ দিলে পুলিশ গিয়ে আসামী সজল ও বিপ্লবকে হেফাজতে নেয় এবং আসামীদের ব্যবহৃত মোটর সাইকেল পুলিশকে বুঝিয়ে দেই।
বিঃদ্রঃ প্রায়ই শোনা যায়, মটর সাইকেল ও মোবাইল ছিনতাই হচ্ছে। অনেকরে ভাষ্য এই ছিনতাই কারীরা এক এক এলাকা ভাগাভাগী করে ছিনতাই করে থাকে, এদেরকে কঠোরভাবে জিজ্ঞাসাবাদ করলে ছিনতাইকারীদের অনেক চক্রকে গ্রেফতার করা সম্ভব হবে।
ইতোমধ্যে ০৭/১০/২৫ তারিখ সন্ধ্যা অনুমান ৭.১৫ টার সময় গল্লামারী রাইসা ক্লিনিক এর সামনে থেকে মৃত্যুঞ্জয় মন্ডল, পিতা-দুলাল চন্দ্র মন্ডল, গ্রাম-বুনারাবাদ এর একটি মটর সাইকেল যার নাম সুজকি জিকস্যার ন্যাকেট, যার চ্যাসিং নং-RMBL-ED13J-124183, ইঞ্জিন নং-BGA5-234464। মটর সাইকেল ছিনতাইয়ের সাথে নারী চক্র রয়েছে।
জনমনে একটি প্রশ্ন ঘুরে বেড়াচ্ছে, প্রশাসন কেন তাদের ধরতে বা চুরিকৃত মাল উদ্ধারে ব্যর্থ হচ্ছে, নাকি কোন রহস্যময় সখ্যতা।

