খুলনার বটিয়াঘাটায় সাংবাদিকেরা “দৈনিক ভোরের চেতনার” সাংবাদিক এম হায়াত উদ্দিনকে হত্যায় প্রতিবাদ মানবন্ধন
সেখ রাসেল, ব্যুরো চিফ, খুলনা: খুলনা বটিয়াঘাটা থানামোড় গোল চত্ত্বরে বটিয়াঘাটা সচেতন সাংবাদিকবৃন্দরা বাগেরহাট “দৈনিক ভোরের চেতনার” সাংবাদিক এম হায়াত উদ্দিনকে হত্যার প্রতিবাদে প্রতিবাদ ও মানবন্ধন অনুষ্ঠিত হয় গত ০৯ অক্টোরব/২০২৫ তারিখ বৃহস্পতিবার ৩.৩০ টার দিকে।
প্রতিবাদ মানববন্ধনে বক্তব্য রাখেন সিনিয়র সাংবাদিক অধ্যাপক এনায়েত আলী বিশ্বাস(অব:), সাংবাদিক ইন্দ্রজিৎ টিকাদার,ব টিয়াঘাটা প্রেসক্লাবের যুগ্ম-আহবায়ক তরিকুল ইসলাম ও সোহরাব হোসেন মুন্সী, ইমরান হোসেন, আলমগীর হোসেন বুলবুল, এসময় উপস্থিত ছিলেন সাংবাদিক রতন কুমার সাহা, এস এম ভুট্টো, আসাদুজ্জামান উজ্জ্বল, সেখ রাসেল, তরিকুল ইসলাম গাজী, অরূপ জোদ্দার, শাহাবুদ্দিন দোলন, পরাগ রায়, শুভ সহ বিভিন্ন ইলেকট্রনিক ও প্রিন্টস মিডিয়া পত্রিকার সাংবাদিক গন।
বক্তারা বলেন, মাদকের বিরুদ্ধে সংবাদ করার কারণে সাংবাদিক এস এম হায়াত উদ্দিন কে বাগেরহাট চায়ের দোকানে নৃশংস ভাবে কুপিয়ে হত্যা সহ সারা দেশে সাংবাদিকরা হত্যা ও নির্যাতনের শিকার হচ্ছেন, তা খুবই দুঃখজনক। নতুন আইন প্রয়োগের মাধ্যমে দ্রুততম সময়ের মধ্যে দোষীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দিতে হবে। অন্যথায় বটিয়াঘাটায় কর্মরত সাংবাদিক সহ সারা বাংলাদেশের সাংবাদিকদের একত্রিত করে বৃহত্তর কর্মসূচি ঘোষণা করা হবে। এদেশে মাদকের রমরমা ব্যাবসা চলছে বলে বিভিন্ন বকাটেরা সহ স্কুল কলেজের-ছাত্র-ছাত্রীরা মাদকের উপর আসাক্ত হচ্ছে। ফলে দেশে বিভিন্ন ধরনের অপরাধ বেড়েই চলেছে।অনেক জায়গায় দেখা যায়। মাদকের কারণে সন্তান পিত-মাতাকে মারধর করছে। তাই দেশে যে সকল মাদক ব্যাসায়ী আছে এবং তাদের যে রাজনৈতিক নেতারা প্রটেকশন দেয় তাদের আইনের আওতায় এনে দৃষ্টান্তমুলক শাস্তি দিতে হবে।তাদের বিরুদ্ধে যে সকল মামলা হয় সে সকল মামলার বিচার যেন দ্রুত হয় তার দাবি জানান।
দেখা যায়,মাদক ব্যাবহার ও ব্যাবসায়ীদের গ্রেফতারের কিছু দিন পরেই আবার জামিনে মুক্ত পায়। পুলিশ যে সকল মামলা করে তাদের সেসকল মামলার মধ্যে কিছু ফাঁক থাকে, আর ঐ ফাঁক দিয়ে অপরাধীরা সহজে বের হয়ে আসে। তাই এসকল বিষয় আইন শৃঙ্খলা বাহিনীর প্রতি খেয়াল রাখার জন্য অনুরোধ জানান। তাছাড়া প্রতিটি মাদক কারবারীর সাথে কোন না কোন ভাবে প্রশাসন ও রাজনৈতিক ব্যক্তিরা জড়িত। যার ফলে, তারা বুক ফুলিয়ে এ ধরণের নির্য়াতন বা হত্যা করতে ভয় না।
সাংবাদিকেরা জীবন ঝুকি নিয়ে সত্য কে তুলে ধরে। যখনই কোন প্রতিষ্ঠানে কোন তথ্য নিতে যাওয়া হয়, তখনই তাদের উর্দ্বতনের অনুমতি লাগে, কেন লাগবে? তাহলে কি সকল তথ্য সঠিকভাবে আনা সম্ভব? অধিকাংশ সাংবাদিকদের কোন বেতন দেওয়া হয় না তা স্বত্বেও দেশের প্রতি ভালোবাসা, দায়িত্ববোধ থেকে আমরা সত্যকে তুলে ধরি। আমরা সাংবাদিকরা চাই, আমরা বিনা অনুমতিতে যে কোন জায়গায়, যে কোন অফিসে, যে কোন তথ্য আনতে গেলে কোন বাধার সম্মূখীন যাতে হতে না হয়। আমাদের কে বাধা প্রদান করলে তাদের বিরুদ্ধে তাৎক্ষনিক আইনী ব্যবস্থা নেওয়া হোক।

