ইসিতে রুমিন ফারহানার সমর্থকদের সঙ্গে এনসিপি নেতার হাতাহাতি

অপরাধ তথ্যচিত্র ডেস্ক: সংসদীয় এলাকার সীমানা নিয়ে দাবি-আপত্তির শুনানিতে বিএনপি নেত্রী রুমিন ফারহানা গ্রুপের সদস্যদের সঙ্গে এনসিপির যুগ্ম মুখ্য সংগঠক আতাউল্লাহ-র হট্টগোলের ঘটনা ঘটেছে। রোববার (২৪ আগস্ট) বেলা ১২টায় নির্বাচন কমিশন ভবনে অনুষ্ঠিত শুনানি পর্বের এক পর্যায়ে দুপক্ষই উত্তেজিত হয়ে পড়ে। এ সময় হাতাহাতি ও বাকবিতন্ডায় জড়িয়ে পড়েন তারা। পরে ইসি কর্মকর্তারা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনেন।

শুনানিতে অংশ নিয়ে ব্যারিস্টার রুমিন ফারহানা ইসির প্রকাশিত খসড়ার পক্ষে তার যুক্তি তুলে ধরেন। অন্যদিকে বেশ কয়েকজন খসড়ার বিপক্ষে তাদের অবস্থান তুলে ধরেন। শুনানিতে অংশ নেওয়া খসড়ার বিপক্ষে থাকারা বলেন, বিজয়নগর উপজেলা থেকে তিনটি ইউনিয়ন— বুধস্তি, চান্দুয়া ও হরষপুরকে ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ আসনে যুক্ত করা হয়েছে। তারা বিজয়নগর উপজেলাকে অখণ্ড রাখার দাবি জানান। এর আগে, শুনানির প্রথমদিনে কুমিল্লা অঞ্চলের দাবি-আপত্তিগুলোর শুনানি গ্রহণ করছে ইসি। এই শুনানি চলবে আগামী ২৭ আগস্ট পর্যন্ত।

সংঘর্ষ নিয়ে সংবাদ সম্মেলনে রুমিন ফারহানাকে প্রশ্ন করা হলে তিনি বলেন, একজন অপরিচিত ব্যক্তি আমাকে ধাক্কা দেন। আমি তো একা একজন নারী। স্বাভাবিকভাবেই আমার লোকজন চুপ করে থাকবে না। পরে ওই ব্যক্তি আবার তেড়ে আসেন, ফলে আমার অনুসারীরা প্রতিক্রিয়া দেখিয়েছে। তিনি আরও অভিযোগ করেন, এনসিপি নেতারা বহিরাগত লোকজন নিয়ে কমিশনে এসেছিলেন। তার ভাষ্য, তারা ধাক্কা দিয়েছে, ফলে ধাক্কার জবাবও এসেছে। এর বাইরে আর কিছু হয়নি।

অন্যদিকে এনসিপি নেতা প্রকৌশলী আমিনুল হক চৌধুরী দাবি করেন, আমরা ইসিতে দাবি জানাতে গিয়েছিলাম। কিন্তু রুমিন ফারহানার লোকজন আমাদের ওপর হামলা করেছে। প্রধান নির্বাচন কমিশনারের সামনেই আমাদের পেটানো হয়েছে। ঘটনার সময় প্রধান নির্বাচন কমিশনার এ এম এম নাসির উদ্দিন উপস্থিত ছিলেন। শুনানি চলাকালীন দুই পক্ষের মধ্যে তর্ক-বিতর্ক থেকে হাতাহাতিতে রূপ নেয়, যা পরে ইসির নিরাপত্তা কর্মীরা নিয়ন্ত্রণে আনেন।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *