প্রতিস্থাপন সাপেক্ষে শিক্ষক বদলিতে দূর্নীতির অভিযোগ।
ভ্রাম্যমান প্রতিনিধি ঃ খুলনার দাকোপে প্রাথমিক বিদ্যালয়ে প্রতিস্থাপন সাপেক্ষে শিক্ষক বদলিতে দূর্নীতির অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগ সূত্রে অনুসন্ধান কালে জানা যায়,কামিনীবাসিয়া সঃপ্রাঃ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক প্রকাশ চন্দ্র রায় অফিস মেইনটেইন করে উত্তর কামারখোলা সঃ প্রাঃ বিদ্যালয়ে যোগদান করেন।তা ০১৯১২২১৭৮৮৬ নম্বর মুঠোফোনে কামিনীবাসিয়া সঃপ্রাঃ বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষকা মঞ্জুশ্রী বৈরাগী ও সহকারি শিক্ষক রাজিব সরকার নিশ্চিত করেন। তাঁরা আরও বলেন,” মোট ছাত্র-ছাত্রীর সংখ্যা ৪৬ জন, শিক্ষক ৩ জন। বিদ্যালয় পরিচালনায় তিন জন শিক্ষকের পক্ষে কষ্ট হয়ে পড়ে।আই,পি,ই,এম,আই,এস তথ্যসেবায় প্রধান শিক্ষক হিসেবে প্রকাশ চন্দ্র রায়ের নাম আছে। তার আইডি ব্যবহার করে বৃত্তি পরীক্ষার্থীদের নাম এন্ট্রি করেছি” । দাকোপের প্রাথমিক বিদ্যালয় গুলোর মধ্যে কিছু বিদ্যালয়ের ছাত্র/ছাত্রীরা সঠিক মুল্যায়ন পাচ্ছে না।যা অনেক ভুক্তভোগী অভিভাবকের বক্তব্য। অভিভাবকদের প্রতিবাদ করতে বললে বলে,” এমনিতেই এই, আর প্রতিবাদ করলে তো আমার ছাত্র পাশই করবে না।দয়া করে আমার নাম প্রকাশ করবেন না। নাম প্রকাশ না করার শর্তে আরও কয়েকজন অভিভাবক বলেন,” শুধুমাত্র প্রাইমারি নয়, মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে
ও এমন অমানবিক ঘটনা ঘটছে। এতে মেধাবী শিক্ষার্থীদের লেখাপড়ার উদ্যোম নষ্ট হচ্ছে।আর স্বল্পমেধাবী শিক্ষার্থীরা ক্লাসে বেশি নম্বর পেয়ে আনন্দ পাচ্ছে। পিতা-মাতা সমিতির আর্থিক সহায়তা লাভ করছে। অন্যদিকে সেই ছাত্র/ ছাত্রীর বেশিরভাগ এস এস সি রেজাল্ট খারাপ করছে। সচেতন মহল বলেন,” নিজ নিজ সুযোগ সুবিধার কারনে শিক্ষকদের এমন আচরন আদর্শ শিক্ষকের আওতায় পড়ে না। এই শিক্ষকদের ধীক্কার জানাই। প্রতিস্থাপন সাপেক্ষে শিক্ষক বদলির বিষয়ে জানতে চাইলে এ টি ও মৌসুমী আক্তার মুঠোফোনে বলেন,” বিষয়টি ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষ জানে আমি জানি না ” ।ডি,পি, ই, ও অহিদুল আলম বলেন,” প্রতিস্থাপন সাপেক্ষে বদলির ক্ষেত্রে শিক্ষক না দিয়ে আসার কোনো সুযোগ নেই। যদি কেউ আসে নজরে তোলেন অবশ্যই দেখবো ইনশাল্লাহ । সুমন্ত পোদ্দার যাওয়ার পর নজরে পড়েছে। ঐ দায় এখন যারা আছে তাদের ঘাড়ে উঠবে” ।

