খুলনা বটিয়াঘাটায় গার্মেন্টস কর্মী বিপাশা জোয়াদ্দার সহ তার বাহিনীর হাত থেকে বাচার জন্য চয়ন বিশ্বাসের সাংবাদিক সম্মেলন

সেখ রাসেল, ব্যুরো চিফ, খুলনা:
১০ আগষ্ট ২০২৫, রবিবার বিকাল ৪ টায় বটিয়াঘাটা বিএনপি অফিসে উপজেলার দেবীতলা এলাকার শিবপদ বিশ্বাস এর পুত্র চয়ন বিশ্বাস উক্ত সাংবাদিক সম্মেলন করেন।
ভুক্তভোগী চয়ন বিশ্বাস বলেন, মাইটভাঙ্গা এলাকার ইমন বৈরাগীর স্ত্রী বিপাশা জোয়াদ্দার ফাঁকা স্টাম্পে নিজেই বিবাহের এ্যাফিডেভিট বানিয়ে খুলনা বিজ্ঞ অতিরিক্ত জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট এর আমলী আদালতে নারী শিশু নির্যাতন ও যৌতুক আইনে আমার নামে দুইটি মামলা করে। যা সম্পূর্ণ মিথ্যা, ষড়যন্ত্রমূলক ও ভিত্তিহীন। সে আমাকে মিথ্যা স্বামী বানিয়ে তার ক্যাডার বাহিনী দিয়ে আমার সহ আমার পরিবারকে বিভিন্ন ভাবে হয়রানী করছে।
প্রকৃত ঘটনা হলো, গত ২৯ মার্চ ২০২৫ তারিখ, দুপুরে আমি বাড়ী হতে ঔষধ কিনতে বটিয়াঘাটায় যাই। তখন গার্মেন্টস কর্মী বিপাশা জোয়াদ্দার সহ তার অন্যান্য সহযোগী বটিয়াঘাটা উপজেলার আশিষ মন্ডল, শাওন তরফদার, মোঃ ইমরান হোসেন সুমন সহ ১০/১৩ জন অজ্ঞাতনামা লোকজন বটিয়াঘাটা থানাধীন হাটবাটি গ্রামস্থ বড় ব্রীজের নিচে নিয়ে এলোপাথাড়ি কিল, ঘুষি লাথি মেরে নীলাফোলা জখম করে আহত করে আমাকে। পরে তারা আমার নিকট থেকে ১০০ টাকার ৩টি নন জুডিসিয়াল স্ট্যাম্পে জোরপূর্বক স্বাক্ষর নেয়। উল্লেখ্য গার্মেন্টস কর্মী বিপাশা জোয়াদ্দার এর বাড়ি আমাদের পাশের গ্রামে। মোবাইল ফোনের মাধ্যমে দীর্ঘ দেড় দুই বছর পূর্বে তার সাথে আমার পরিচয় হয়। পরিচয়ের সূত্র ধরে সে আমাকে বিভিন্ন সময় বিভিন্ন ভাবে ব্ল্যাকমেইল করতে থাকো। বিভিন্ন সময় বিপাশা জোয়াদ্দার সহ তার ক্যাডার বাহিনী আমাকে ফোনে হুমকি দিয়ে আসছে। পরে উক্ত ঘটনায়,বটিয়াঘাটা থানায় আমি একটি সাধারণ ডায়েরি করি। যার নং ৩৫৬, তারিখ ০৮/০৪/২০২৫ ইং। জিডি করার পর বিপাশা জোয়াদ্দার সহ তার ক্যাডার বাহিনী আমার বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র করে বিপাশাকে দিয়ে আদালতে মিথ্যা মামলা করে। সংবাদ সম্মেলনে ভুক্তভোগী চয়ন বিশ্বাস আরো বলেন, বিপাশা জোয়াদ্দার একজন গার্মেস কর্মী ও দুষচরিত্রা নারী। সে বিভিন্ন সময় বিভিন্ন পুরুষের সাথে প্রেমের সম্পর্ক তৈরি করে ব্লাকমেইল করে অর্থ আদায় করে থাকে। তার রয়েছে নিজস্ব একটি বাহিনী।

বিপাশা বিভিন্ন সরল সোজা ছেলেদের প্রেমে ফাঁদে ফেলে বিভিন্ন হোটেল, বাসা বাড়ি, রেস্টুরেন্ট ও আত্নীয় স্বজনদের বাড়িতে নিয়ে ছেলেদের সাথে মেলামেশার সুযোগ নিয়ে তাদের কাছ থেকে হাতিয়ে নেয় টাকা-পয়সা ও মূল্যবান জিনিসপত্র। এরকম অসংখ্য অভিযোগ রয়েছে বিপাশার বিরুদ্ধে। তাছাড়া আশিষ মন্ডল ও শাওন তরফদারের নামে রয়েছে একাধীক মামলা। এরা এলাকায় মাদক ব্যবসায়ী হিসাবে পরিচিত। ভুক্তভোগী সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে দোষীদের বিরুদ্ধে তদন্তপূর্বক দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির জোর দাবি জানান।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *